বুধবার, ২০ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

নাটোর-৪ আসনে বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের বক্তব্যকে ঘিরে উত্তেজনা

আগামী নির্বাচনের প্রার্থীতা নিয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথোপকথনের দাবি করেছেন নাটোর জেলা বিএনপির সিনীয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল আজিজ। তবে শীর্ষ নেতার সঙ্গে প্রার্থীতা নিয়ে কথোপকথনের বিষয়টি মনগড়া বলে অভিযোগ তুলেছেন অপর প্রার্থী নাটোর জেলা বিএনপির সদস্য ব্যারিস্টার আবু হেনা মোস্তফা কামাল রএনিয়ে দুই প্রার্থীর নেতা-কর্মী সমর্থকদের মধ্যে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। দুই প্রার্থীর […]

নাটোর-৪ আসনে বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের বক্তব্যকে ঘিরে উত্তেজনা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৪ অক্টোবর ২০২৫, ২০:৩১

আগামী নির্বাচনের প্রার্থীতা নিয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথোপকথনের দাবি করেছেন নাটোর জেলা বিএনপির সিনীয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল আজিজ।

তবে শীর্ষ নেতার সঙ্গে প্রার্থীতা নিয়ে কথোপকথনের বিষয়টি মনগড়া বলে অভিযোগ তুলেছেন অপর প্রার্থী নাটোর জেলা বিএনপির সদস্য ব্যারিস্টার আবু হেনা মোস্তফা কামাল রএনিয়ে দুই প্রার্থীর নেতা-কর্মী সমর্থকদের মধ্যে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।

দুই প্রার্থীর নেতাকর্মীরাই একে অপরের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করছেনখোঁজ নিয়ে জানাগেছে, সোমবার সকালে বড়াইগ্রামের আহম্মেদপুরে দলীয় লিফলেট বিতরণ করেন প্রার্থী আব্দুল আজিজ।

এ সময় কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী সদস্য রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর উপস্থিতিতে পথ সভায় বক্তব্যে তিনি বলেন- ‘আমি আপনাদের একটা সুসংবাদ শুনাতে চাই।

গত রোববার রাতে পার্টি অফিস থেকে ফোন করে বলা হয়েছে আপনার সঙ্গে প্রিয় নেতা তারেক রহমান কথা বলতে চান। এর একটু পরেই ফোন চলে আসলো। তারেক রহমানের সঙ্গে আমার কথোপকথন হয়েছে প্রায় চার মিনিট। উনি আমাকে নির্দেশনা দিয়েছেন, অনুমতি দিয়েছেন।

বলেছেন আপনি মাঠে নেমে যান-আপনাকে আগামী নির্বাচন করতে হবে। সমস্ত নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করে বিভেদ ভুলে এক কাতারে এসে সাধারণ ভোটারদের কাছে ৩১ দফা বাস্তবায়ন করেন। সমস্ত জনগণকে সাথে নিয়ে আগামী ত্রয়োদশ নির্বাচন আমাদের পারি দিতে হবে।

তারেক রহমানের এই বার্তা নেতাকর্মীদের মধ্যে ছতার এই বক্তব্যোর প্রেক্ষিতে দলীয় নেতাকর্মীরা বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে নাটোর-৪ আসনের প্রার্থী আব্দুল আজিজের কথোপকথনের বিষয়টি স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যপক প্রভাব ফেলেছে।

চা দোকান থেকে শুরু করে রাজনৈতিক অফিসগুলোতে এই আলোচনা চলছে। অনেক নেতাকর্মী সাউন্ড বাজিয়ে এবং ভোজের মাধ্যমে বিষয়টি উদযাপনও করছেন।

তবে অপর পক্ষের নেতাকর্মীরা বিষয়টিতে ক্ষোভ প্রকাশ করে এদিকে আব্দুল আজিজের ওই কথোপকথন নিয়ে অপপ্রচারের দাবি তুলে সোমবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন অপর প্রার্থী নাটোর জেলা বিএনপির সদস্য ব্যরিস্টার আবু হেনা মোস্তফা কামাল রঞ্জু। বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আমি জানতে পেরেছি তারেক রহমানের সঙ্গে স্থানীয় বিএনপির এক নেতার টেলিফোনে কথোপকথন হয়েছে। উনাকে এই আসন থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, উনি নির্বাচন করবেন।

এর আগেও ওই নেতার কাছ থেকে মনোনয়নের বিষয়ে সবুজ সংকেতের একাধিক ফেসবুক বার্তা দেখেছি। উনার কথাগুলো সবই মনগড়া। জনাব তারেক জিয়া নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা বলতে পারেন। কিন্তু জেলা এবং কেন্দ্রীয় বিএনপির কাছে মনোনয়নের সতত্যা পাওয়া যায়নি। দল জানবে না অথচ উনি হঠাৎ করে মনোনয়নের কথা বলবেন, এটি মেনে নিতে আমাদের কষ্ট হচ্ছে।

দল যাকে মনোনীত করবে আমরা তার পক্ষেই কাজ করবো। কিন্তু গুরুদাসপুর এবং বড়াইগ্রামের বিভিন্ন জায়গায় পোস্টার, ফেস্টুন ভেঙে ফেলা হচ্ছে। অফিস ভাঙার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমি দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানাই। দল মনোনয়ন ঘোষণার পর আমরা তার পক্ষে কাজ করবো।

এর আগে কেউ কিছু বললে সেই দাযএবিষয়ে ব্যরিস্টার আবু হেনা মোস্তফা কামাল রঞ্জু বলেন, মনোনয়ন নিয়ে আব্দুল আজিজের দাবি সঠিক নয়। কারণ দলের উচ্চ পর্যায় বিষয়টি অস্বীকার করেছে।

তার এই মনগড়া বক্তব্যে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভেদ এবং উত্তেজনা বিরাজ করছে। নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার পরামর্শ দিতেই আমি সাংবাদিক সম্মেলন করেছি।

আব্দুল আজিজ বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের ফোন পেয়ে তিনি কাজ শুরু করেছেন।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।