মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

নাটোর-৪ আসনে বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের বক্তব্যকে ঘিরে উত্তেজনা

আগামী নির্বাচনের প্রার্থীতা নিয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথোপকথনের দাবি করেছেন নাটোর জেলা বিএনপির সিনীয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল আজিজ। তবে শীর্ষ নেতার সঙ্গে প্রার্থীতা নিয়ে কথোপকথনের বিষয়টি মনগড়া বলে অভিযোগ তুলেছেন অপর প্রার্থী নাটোর জেলা বিএনপির সদস্য ব্যারিস্টার আবু হেনা মোস্তফা কামাল রএনিয়ে দুই প্রার্থীর নেতা-কর্মী সমর্থকদের মধ্যে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। দুই প্রার্থীর […]

নাটোর-৪ আসনে বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের বক্তব্যকে ঘিরে উত্তেজনা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৪ অক্টোবর ২০২৫, ২০:৩১

আগামী নির্বাচনের প্রার্থীতা নিয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথোপকথনের দাবি করেছেন নাটোর জেলা বিএনপির সিনীয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল আজিজ।

তবে শীর্ষ নেতার সঙ্গে প্রার্থীতা নিয়ে কথোপকথনের বিষয়টি মনগড়া বলে অভিযোগ তুলেছেন অপর প্রার্থী নাটোর জেলা বিএনপির সদস্য ব্যারিস্টার আবু হেনা মোস্তফা কামাল রএনিয়ে দুই প্রার্থীর নেতা-কর্মী সমর্থকদের মধ্যে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।

দুই প্রার্থীর নেতাকর্মীরাই একে অপরের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করছেনখোঁজ নিয়ে জানাগেছে, সোমবার সকালে বড়াইগ্রামের আহম্মেদপুরে দলীয় লিফলেট বিতরণ করেন প্রার্থী আব্দুল আজিজ।

এ সময় কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী সদস্য রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর উপস্থিতিতে পথ সভায় বক্তব্যে তিনি বলেন- ‘আমি আপনাদের একটা সুসংবাদ শুনাতে চাই।

গত রোববার রাতে পার্টি অফিস থেকে ফোন করে বলা হয়েছে আপনার সঙ্গে প্রিয় নেতা তারেক রহমান কথা বলতে চান। এর একটু পরেই ফোন চলে আসলো। তারেক রহমানের সঙ্গে আমার কথোপকথন হয়েছে প্রায় চার মিনিট। উনি আমাকে নির্দেশনা দিয়েছেন, অনুমতি দিয়েছেন।

বলেছেন আপনি মাঠে নেমে যান-আপনাকে আগামী নির্বাচন করতে হবে। সমস্ত নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করে বিভেদ ভুলে এক কাতারে এসে সাধারণ ভোটারদের কাছে ৩১ দফা বাস্তবায়ন করেন। সমস্ত জনগণকে সাথে নিয়ে আগামী ত্রয়োদশ নির্বাচন আমাদের পারি দিতে হবে।

তারেক রহমানের এই বার্তা নেতাকর্মীদের মধ্যে ছতার এই বক্তব্যোর প্রেক্ষিতে দলীয় নেতাকর্মীরা বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে নাটোর-৪ আসনের প্রার্থী আব্দুল আজিজের কথোপকথনের বিষয়টি স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যপক প্রভাব ফেলেছে।

চা দোকান থেকে শুরু করে রাজনৈতিক অফিসগুলোতে এই আলোচনা চলছে। অনেক নেতাকর্মী সাউন্ড বাজিয়ে এবং ভোজের মাধ্যমে বিষয়টি উদযাপনও করছেন।

তবে অপর পক্ষের নেতাকর্মীরা বিষয়টিতে ক্ষোভ প্রকাশ করে এদিকে আব্দুল আজিজের ওই কথোপকথন নিয়ে অপপ্রচারের দাবি তুলে সোমবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন অপর প্রার্থী নাটোর জেলা বিএনপির সদস্য ব্যরিস্টার আবু হেনা মোস্তফা কামাল রঞ্জু। বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আমি জানতে পেরেছি তারেক রহমানের সঙ্গে স্থানীয় বিএনপির এক নেতার টেলিফোনে কথোপকথন হয়েছে। উনাকে এই আসন থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, উনি নির্বাচন করবেন।

এর আগেও ওই নেতার কাছ থেকে মনোনয়নের বিষয়ে সবুজ সংকেতের একাধিক ফেসবুক বার্তা দেখেছি। উনার কথাগুলো সবই মনগড়া। জনাব তারেক জিয়া নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা বলতে পারেন। কিন্তু জেলা এবং কেন্দ্রীয় বিএনপির কাছে মনোনয়নের সতত্যা পাওয়া যায়নি। দল জানবে না অথচ উনি হঠাৎ করে মনোনয়নের কথা বলবেন, এটি মেনে নিতে আমাদের কষ্ট হচ্ছে।

দল যাকে মনোনীত করবে আমরা তার পক্ষেই কাজ করবো। কিন্তু গুরুদাসপুর এবং বড়াইগ্রামের বিভিন্ন জায়গায় পোস্টার, ফেস্টুন ভেঙে ফেলা হচ্ছে। অফিস ভাঙার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমি দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানাই। দল মনোনয়ন ঘোষণার পর আমরা তার পক্ষে কাজ করবো।

এর আগে কেউ কিছু বললে সেই দাযএবিষয়ে ব্যরিস্টার আবু হেনা মোস্তফা কামাল রঞ্জু বলেন, মনোনয়ন নিয়ে আব্দুল আজিজের দাবি সঠিক নয়। কারণ দলের উচ্চ পর্যায় বিষয়টি অস্বীকার করেছে।

তার এই মনগড়া বক্তব্যে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভেদ এবং উত্তেজনা বিরাজ করছে। নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার পরামর্শ দিতেই আমি সাংবাদিক সম্মেলন করেছি।

আব্দুল আজিজ বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের ফোন পেয়ে তিনি কাজ শুরু করেছেন।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।