বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

হয়রানি-ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ ভূমি কর্মকর্তা নিজস্ব দালালদের মাধ্যমে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ

রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে চলছে ঘুষের মহোৎসব। ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা কাজী মো. জাহিদুল ইসলাম সরকারি ফি’র চেয়ে কয়েকগুণ বেশি টাকা আদায় করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। নিজস্ব দালাল চক্রের মাধ্যমে অনলাইন ভূমি উন্নয়ন কর, হোল্ডিং অনুমোদন, মিউটেশন, সরকারি খাল ও পুকুর খাস আদায় নামে প্রতারণা এবং এমপি ১৪৪-১৪৫ মামলার […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৯:৪৬

রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে চলছে ঘুষের মহোৎসব। ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা কাজী মো. জাহিদুল ইসলাম সরকারি ফি’র চেয়ে কয়েকগুণ বেশি টাকা আদায় করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

নিজস্ব দালাল চক্রের মাধ্যমে অনলাইন ভূমি উন্নয়ন কর, হোল্ডিং অনুমোদন, মিউটেশন, সরকারি খাল ও পুকুর খাস আদায় নামে প্রতারণা এবং এমপি ১৪৪-১৪৫ মামলার প্রতিবেদন গ্রহণে ঘুষ ছাড়া কোনো ফাইল অগ্রসর হয় না। 

ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, কর্মকর্তা অফিসে রাতেই বেশি ঘুষের লেনদেন করেন। সরকারি খাস জমি দখলের অভিযোগ তুলে মৎস্য চাষীদের কাছ থেকেও তিনি মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করায় চলতি বছরের জুলাই মাসে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তারা।

অভিযোগ উঠেছে, যোগদানের পরপরই কাজী মো. জাহিদুল ইসলাম ঘুষের টাকা গন্ধে ক্ষুধার্ত শকুনের মতো আচরণ শুরু করেছেন। তার পরিচালিত দালাল চক্রের মাধ্যমে আসা ফাইল ছাড়া কোনো কাজ তিনি করেন না। 

এ বিষয়ে বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার অফিসে গিয়ে দেখা যায়, তার কক্ষে লোকজনের ভিড় লেগে আছে। এসময় দালালদের উপস্থিতি ও ঘুষ লেনদেনের ভিডিও ধারণ করলে নয়া দিগন্তের সাংবাদিকের ওপর চড়াও হন ওই কর্মকর্তা। এক পর্যায়ে সাংবাদিকের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেন এবং অফিসে মব পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করেন। 

জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগে কামরুল ইসলাম হিরু বলেন, তহশিলদার ঘের মালিকদের কাছে নোটিশ দেয়। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন আমাদের দখলে থাকা খাস জমি উন্মুক্ত করে দেয়ার জন্য। আসলে আমাদের দখলে কোন খাস জমি নেই।

টাকার জন্য আমাদেরকে ইউএনও রাজীব দাশ পুরকায়স্থ ও ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম ৫ লাখ টাকা জন্য নানা রকমের চাপ প্রয়োগ করে। একপর্যায়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে মাছের ঘের কেটে দেয়। অভিযান শেষে যাওয়ার সময়ে ঘেরের কর্মচারীদেরকে ইউএনও বলেন, একদিনে মধ্যে তার সাথে দেখা করতে নয়তো চরম ক্ষতি হবে। 

সদর ইউনিয়নের পূর্ব বাহেরচর গ্রামের মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ৩৬ শতাংশ জমির মিউটেশনের জন্য জাহিদ তহশিলদারের কাছে গেলে আমাকে ৮ হাজার টাকা দিতে বলে। অথচ সরকারি ফি ১ হাজার ১৮০ টাকা। সরকারি ফি’র চেয়ে অতিরিক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আমার মুখের উপরে দলিল ছুঁড়ে মারেন এবং বলেন দলিলে ত্রæটি আছে, আমি আপনার দলিল বাতিল করবো। মূলত দালাল ছাড়া গেছি বলেই আমার কাজ হয়নি। সে আমাকে হয়রানি করেছে। 

আমলিবাড়িয়া গ্রামের আব্দুর হাই মুন্সী বলেন, সরকারি খাস খাল ইজারা দেয়ার কথা বলে আমাদের থেকে ৪০ হাজার টাকা নিয়ে একটা ভূয়া কাগজ ধরিয়ে দেয়। সেই কাগজ নিয়ে খাস খালে কাছে গিয়ে এলাকাবাসীর কাছে অপমান-অপদস্থ হয়েছি। পরে টাকা না দিয়ে বলে আগামী বছরে ইজারার ব্যবস্থা করে দিমু।  

ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের কাউখালী গ্রামের মিজানুর বলেন, জাহিদ তহশিলদার তার দালাল মানিক মোল্লার মাধ্যমে একর প্রতি ৫ হাজার নেয়। জমির কেস নম্বর বাদ দিয়ে সরকারি খাস খতিয়ানে গেছে বলে ২০ হাজার করে টাকা দাবী করেন তিনি। এই এলাকার মানুষ তহশিলদার অত্যাচারে অতিষ্ঠ। 

কাউখালী গ্রামের চাঁন বাজারের নুরজামাল মৃধা বলেন, রেকর্ডী সম্পত্তিতে মাছের ঘের করেছি। সেখানে এসে তহশিলদার বলেন খাস জমিতে ঘের রয়েছে বলে একটি নোটিশ দিয়ে আমাদের তার অফিসে ডাকেন। পরে মোটা অঙ্কের টাকা দাবী করেন। টাকা দিতে অপরগতা প্রকাশ করায় ইউএনও’র মাধ্যমে মোবাইল কোর্ট করে ঘের কেটে দেয়। তার দালাল হচ্ছে মানিক মোল্লার। ওর মাধ্যমে টাকাপয়সা তোলেন। 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা কাজী মো. জাহিদুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি। 

এ ব্যাপারে রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাজীব দাশ পুরকায়স্থ বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেব।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।