বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সমাজসেবার আড়ালে ভয়ংকর চাঁদাবাজির অভিযোগ জেলা বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

শেখ সবুজ আহমেদ,কুষ্টিয়া : বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী খ্যাত কুষ্টিয়া। এই কুষ্টিয়া এখন অশান্ত জনপদ হিসেবে দেশবাসীর কাছে পরিচিত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ জাতীয় গণমাধ্যমগুলোতেও উঠে আসছে চাঁদাবাজি,সন্ত্রাসীসহ একের পর এক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য। আর এর নেপথ্যের নায়ক হিসাবে অভিযোগ উঠেছে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকারের দিকে।  একসময়ের ছাত্র-শিবিরের রাজনীতি থেকে উঠে আসা […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৫, ০৩:৪৭

শেখ সবুজ আহমেদ,কুষ্টিয়া :

বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী খ্যাত কুষ্টিয়া। এই কুষ্টিয়া এখন অশান্ত জনপদ হিসেবে দেশবাসীর কাছে পরিচিত।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ জাতীয় গণমাধ্যমগুলোতেও উঠে আসছে চাঁদাবাজি,সন্ত্রাসীসহ একের পর এক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য। আর এর নেপথ্যের নায়ক হিসাবে অভিযোগ উঠেছে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকারের দিকে। 

একসময়ের ছাত্র-শিবিরের রাজনীতি থেকে উঠে আসা ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার বিএনপি’র রাজনীতিতে তার উত্থান কেন্দ্রীয় এক নেতার হাত ধরে।

এবং গত বছরে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি’র আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব পদের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে তার বেপরোয়া চলাচল শুরু হয়।

জেলার সমস্ত বালু মহল থেকে নিয়মিত চাঁদা উত্তোলন, সরকারি ঠিকাদারি কাজে টেন্ডার বাণিজ্য, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কমিটি বাণিজ্য ও নিয়োগ-বাণিজ্য সহ কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি’র অন্তর্গত বিভিন্ন কমিটি বাণিজ্য একাধিক অভিযোগে অভিযুক্ত ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার।

ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগে জানা যায়, “কুষ্টিয়া গ্রিন সিটি” সামাজিক কর্মকাণ্ডের নামে শহরের ধনাঢ্য ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ডনেট এর নামে মোটা অংকের অর্থ নেওয়া হয় এবং কেউ দিতে অস্বীকার হলে তার ওপর রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগ ও সামাজিকভাবে তাকে হেনস্তা করা হয়।

এ বিষয়ে কেউ মুখ না খুললেও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক গার্মেন্টস ব্যবসায়িক জানান,ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকারকে ২৫ লক্ষ টাকা দিয়েছে তিনি।

এবং বাংলাদেশের স্বনামধন্য শিল্প প্রতিষ্ঠান বিআরবি গ্রুপের কাছ থেকে এককালীন মোটা অংকের টাকা নিলেও প্রত্যেক মাসের ১০ তারিখের মধ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণের একটি অর্থ মাসোহারা নিয়ে থাকে ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার। 

অনুসন্ধানে ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার এর বিরুদ্ধে আরো ভয়াবহ তথ্য পাওয়া যায়, জেলার বিভিন্ন চরমপন্থী সংগঠনকে নিয়ন্ত্রণ করে তিনি এবং এদেরকে দিয়ে জেলার বিভিন্ন বালু মহলে সশস্ত্র অবস্থায় হামলা চালানো হয় আধিপত্য ও ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য। যা বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে উঠে এসেছে। 

স্থানীয় বিএনপি’র নেতা কর্মীরা বলে, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপিকে কলঙ্কিত করার মিশনে নেমেছে ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার।

কারণ আমরা অতীতে দেখেছি ছাত্রলীগের এক সভাপতির বেপরোয়া কর্মকাণ্ডে সংগঠনটি বিতর্কিত হয় এবং পরবর্তীতে জানা যায় ছাত্রলীগের সভাপতি আসলে সেই ছেলেটি ছাত্র শিবির কর্মী আর এটিই ছিল তার মিশন ছাত্রলীগ’কে কলঙ্কিত করার।

অতএব আমরা ভাবতে পারি ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার একসময় ছাত্রশিবির কর্মী ছিল এবং তার পরিবার জামাত ঘরোনা রাজনীতিতে বিশ্বাসী, তাহলে কি বিএনপি কলঙ্কিত করার মিশনে নেমেছে ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার সেই ছাত্রলীগের সভাপতি শিবির কর্মীর মত।

তিনি কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি’র অন্তর্গত সকল কমিটি তে বাণিজ্য করছে এবং আওয়ামী লীগের পদ ধারী নেতাকর্মীদেরকে টাকার বিনিময়ে বিএনপিতে দায়িত্বশীল পদে বসাচ্ছে। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকারের এক নিকটবর্তী আত্মীয় বলেন, গত বছরের ৫-ই আগস্ট এর পর থেকে তার বিভিন্ন শুভাকাঙ্ক্ষী ও আত্মীয়দের ব্যাংক একাউন্টে অস্বাভাবিক লেনদেন লক্ষ করা যাচ্ছে।

এবং তার বিভিন্ন আত্মীয় ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা জামাত ও আওয়ামী লীগ ঘরোনার হলেও তাদেরকে বিএনপিতে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হচ্ছে। 

অনুসন্ধানের স্বার্থে কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন ব্যাংকে যোগাযোগ করলে জানা যায়, ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকারের নিজের একাউন্টে তেমন একটা লেনদেন না করলেও তার বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনদের একাউন্টে লেনদেনের সময় তাকে উপস্থিত থাকতে দেখা যায় এবং সে সমস্ত ব্যাংক একাউন্টে ৮ মাস যাবত অস্বাভাবিকভাবে লেনদেন শুরু হয়েছে যা আগে কখনো দেখা যায়নি। 

ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার এর বিষয়ে কুষ্টিয়ার এক প্রবীন রাজনৈতিক নেতা আলহাজ্ব নূরুল ইসলাম আনসার প্রামানিক বলেন, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার টাকার বিনিময়ে আওয়ামী লীগের পদ ধারী নেতাকর্মীদেরকে বিএনপিতে বিভিন্ন পদে বসাচ্ছে। যা রাজনীতিতে এক সময় অনেক বড় বিপদ ডেকে আনবে।

এবং বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড ও সরকারি বিভিন্ন বরাদ্দের নামে রাজনৈতিক নেতা ও বড় বড় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মোটা অংকের চাঁদা আদায় করছেন নিয়মিত। আর এতে প্রমাণ হচ্ছে আওয়ামী লীগের সময়ের স্বৈরাচার ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার এর উপর ভর করেছে। 

এ সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকারের সঙ্গে যোগাযোগে এ ব্যর্থ হলে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহবায়ক কুতুবুদ্দিন আহমেদ বলেন, তার এমন কর্মকাণ্ডে লজ্জিত আমরা এবং এ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চলমান এবং পরবর্তীতে আপনাদেরকে সকল তথ্য জানানো হবে।  

সারাদেশ

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে। হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া […]

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে।

হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য থেকে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান ও বাড়ি ফেরার আগের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে এসব তথ্য জানা গেছে।

হোটেলের রেজিস্টার অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে কক্সবাজারের কলাতলীতে কুটুমবাড়ি-সংলগ্ন সড়কের শেষ মাথায় অবস্থিত একটি তিনতলা আবাসিক হোটেলের ৩০২ নম্বর কক্ষে ওঠে তাজমিন ও রিয়াজ। সেখানে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’ এবং বয়স ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়। রিয়াজের ঠিকানা হিসেবে বান্দরবানের লামা এলাকার তথ্য দেওয়া হয়। তার বাবার নাম লেখা হয় মনির আহমদ।

হোটেলের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এক রাত অবস্থানের পর ৭ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে তারা হোটেল ছেড়ে চলে যান। রেজিস্টারে রিয়াজের দুটি মুঠোফোন নম্বর ও একটি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরও পাওয়া গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর হোটেল ছাড়ার পর রিয়াজ তাজমিনকে কুমিল্লাগামী একটি বাসে তুলে দেন। এরপর বাড়ি ফেরার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে তাজমিন। অভিযোগ অনুযায়ী, অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন।

পরদিন ৮ অক্টোবর সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ভোরালজগপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের আইল থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় সিএনজিচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার করা হয়।

রিয়াজের এক সহকর্মীর দাবি, ঘটনার প্রায় ১৭ দিন আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরে তাজমিন কক্সবাজারে গেলে তারা একসঙ্গে সময় কাটান।

তবে রিয়াজের ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সূত্রের দাবি, প্রায় পাঁচ মাস আগে তাদের পরিচয় হয়েছিল এবং এরপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

তাজমিনের বাড়ি ছাড়ার বিষয়ে জানা যায়, গত ৪ অক্টোবর এক বান্ধবীকে হাতঘড়ি দেওয়া নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর সে বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক বান্ধবীর কাছে যায়।

সেখান থেকে মুঠোফোনে রিয়াজের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে কক্সবাজারে আসতে বলা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। যাতায়াতের খরচ হিসেবে রিয়াজ বিকাশের মাধ্যমে ৫০০ টাকা পাঠিয়েছিলেন বলেও জানা গেছে।

সহকর্মী জানান, কক্সবাজার থেকে ফেরার জন্য ‘আইকনিক এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি বাসের টিকিট কিনে তাজমিনকে তুলে দেন রিয়াজ। টিকিটের মূল্য ছিল ৯০০ টাকা।

ওই সহকর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিল্লায় পৌঁছে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠার পরও তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের মুঠোফোনে যোগাযোগ হচ্ছিল। এমনকি অটোরিকশাচালক সম্পর্কে কিছু তথ্যও রিয়াজকে জানিয়েছিল তাজমিন।

তবে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তাজমিনের মুঠোফোনের লাইভ লোকেশন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন ওই সহকর্মী।

পরদিন টেলিভিশনের সংবাদে তাজমিনের হত্যার খবর জানতে পেরে রিয়াজ হতবাক হয়ে পড়েন বলেও জানান তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রিয়াজের এক সহকর্মী আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশের পর রিয়াজ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এ সময় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সহযোগিতা চান। তাজমিনের হত্যার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

ওই সহকর্মীর তথ্য অনুযায়ী, রিয়াজ প্রায় তিন বছর ধরে কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে কাজ করছেন। ঘটনার পর তিনি কর্মস্থল থেকে ছুটিতে রয়েছেন।

এদিকে রিয়াজের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য সরাসরি জানা সম্ভব হয়নি।

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তাজমিন হত্যার ঘটনায় মুঠোফোনের কললিস্টসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার আসামি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও পরিষ্কার হবে।

তবে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান, হোটেলের রেজিস্টারে ভিন্ন নাম ও বয়স ব্যবহার এবং রিয়াজের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়গুলো তদন্তে কীভাবে বিবেচিত হচ্ছে, তা এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।

সারাদেশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি  নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম […]

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি 

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ ও সেনবাগ থানা পুলিশকে ঘটনাটি জানান।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, চোরেরা অফিস কক্ষে প্রবেশের পর দুটি স্টিলের আলমিরা ও একটি ফাইল কেবিনেটের তালা ভেঙে ফেলে। এরপর সেখান থেকে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সেনবাগ থানার ওসি (তদন্ত) মো. হযরত আলী মিলন গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি এবং এ ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।

সারাদেশ

মধুপুরে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকের কলা ও আনারস বাগানের বেহাল অবস্থা

মধুপুর উপজেলার জয়নাগাছা, সোলাকুড়ীসহ আশপাশের এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভেঙে গেছে অসংখ্য কলাগাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফসলের বাগান। কৃষকদের ভাষ্য, বছরের পর বছর পরিশ্রম আর বিনিয়োগের পর ফলন পাওয়ার সময় এমন ঝড় তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক […]

মধুপুরে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকের কলা ও আনারস বাগানের বেহাল অবস্থা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২১

মধুপুর উপজেলার জয়নাগাছা, সোলাকুড়ীসহ আশপাশের এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভেঙে গেছে অসংখ্য কলাগাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফসলের বাগান।

কৃষকদের ভাষ্য, বছরের পর বছর পরিশ্রম আর বিনিয়োগের পর ফলন পাওয়ার সময় এমন ঝড় তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক পুঁজি তিনি আনারস ও কলাবাগানে ব্যয় করেছেন। আকস্মিক এই ঝড়ে তার সব আশা-আকাঙ্ক্ষা যেন মুহূর্তেই শেষ হয়ে গেছে।

কৃষকদের কাছে কলাগাছের মাজা ভেঙে যাওয়া শুধু একটি গাছের ক্ষতি নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে তাদের পরিবারের স্বপ্ন ও জীবিকার হিসাব। আকস্মিক এই ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের এখন ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষা।