রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

টাঙ্গাইলে পাউবো’র উপ-বিভাগীয় প্রৌকশলীর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

আব্দুল্লাহ আল মামুন পিন্টু, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড(পাউবোর) উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী রাখিল রায়হানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে টাঙ্গাইলের শহর রক্ষা বাঁধরে পাশ থেকে মাটি কেটে রাতের আঁধারে বিক্রি করছে একটি মহল। সেই মহলের সাথে আতাত করে শহর রক্ষা বাঁধ দিয়ে দেদারছে চলছে দশ চাকার গাড়ি। এতে শহর নক্ষা বাঁধটি খানাখন্দে […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৫ মে ২০২৫, ০০:২৬

আব্দুল্লাহ আল মামুন পিন্টু, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড(পাউবোর) উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী রাখিল রায়হানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে টাঙ্গাইলের শহর রক্ষা বাঁধরে পাশ থেকে মাটি কেটে রাতের আঁধারে বিক্রি করছে একটি মহল।

সেই মহলের সাথে আতাত করে শহর রক্ষা বাঁধ দিয়ে দেদারছে চলছে দশ চাকার গাড়ি। এতে শহর নক্ষা বাঁধটি খানাখন্দে পরিনত হয়েছে,হুমকি রয়েছে শহর রক্ষা বাঁধ।

সুত্র জানায়,ফ্যাসিবাদ সরকারের সময়ে টাঙ্গাইলে যোগদান করেন উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী রাখিল রায়হান। যোগদানের পর থেকেই বেপরোয়া হয়ে উঠেন তিনি।

কালিহাতী উপজেলার পৌলি শহর রক্ষা বাঁধ ঘেঁেষ মাটি কাটার ব্যাবসায়ীদের কাছ থেকে অর্থ গ্রহন, যমুনা নদীর পাড়ে বোয়ামারো এলাকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গার উপর দিয়ে দশ চাকার বালু ভর্তি ট্রাক চলাচলে বালু ব্যবসায়ীদের নিকট অর্থ গ্রহন,

মোনায়েম কোম্পানির কাজ শেষ হলেও যমুনা নদী থেকে অবৈধভাবে ড্রেইজিংকারীদের সহায়তা ও আওয়ামী দোসরদের দিয়ে বালু উত্তোলন কাজে সহায়তা। এসব করে তিনি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

জানা যায়, পৌলি গুচ্ছ গ্রামের পাশ দিয়ে সরকার কোটি-কোটি টাকা ব্যায়ে শহর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করেছেন। নিয়ম রয়েছে শহর রক্ষা বাধের একশ ফিটের মধ্যে কোন প্রকার বালু উত্তোলন ও মাটি কাটা যাবেনা। এর তত্বাবধানে রয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

সেই পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা হয়ে অবৈধভাবে মাটি কাটার ব্যবসায়ীদের যোগসাজস করে ও অর্থের বিনিময়ে মাটি কাটার বাঁধা প্রদান না করে মৌখিক অনুমোদন দেন তিনি।

অভিযোগ রয়েছে উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী মোটা টাকার বিনিময়ে মৌখিক অনুমোদন দিয়েছেন। ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে তা টপ অব দ্যা টাউনে পরিনত হয়।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়,কালিহাতী উপজেলার পৌলি গ্রামের মাটি ব্যবসায়ীরা শহর রক্ষা বাঁধ ঘেঁষে ছয়টি মাটির ঘাট করেছেন। ছয়টি ভেকু মেশিন দিয়ে বালু মাটি কাটছে। শতাধিক দশ চাকার ড্রাম ট্রাক দিয়ে শহর রক্ষা বাধের উপর দিয়ে চলাচল করছে।

শহর রক্ষা বাঁধের উপর দিয়ে বালু ভর্তি ট্রাক চলাচলের কারণে বিভিন্নস্থানে খানাখন্দ হয়ে পড়েছে।

এছাড়াও কালিহাতী উপজেলার আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই আকন্দ ভাতিজার সাথে আতাত করে মোনায়েম কোম্পানির দোহাই দিয়ে বেয়ারামারো পানি উন্নয়নের জায়গার উপর দিয়ে দশ চাকার ড্রাম ট্রাক চালাচ্ছে।

সুত্র মতে জানাযায় ওই দশ চাকার ড্রাম ট্রাকগুলো চলাচলের মৌখিক অনুমতি দেন ওই প্রকৌশলী।

স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার পৌলিতে দিনের বেলায় তোফাজ্জল ঘাট চালাতো। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ হয়ে যায় কিন্তু রাতের বেলায় বারেক কমিশনার বালু ঘাট চালিয়ে যাচ্ছে।

কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সেনাবাহিনী কয়েক দফায় ভেকু নষ্ট দেয়। পরে ভেকু মেশিন ঠিক করে পুরনায় রাতের বেলায় বারেক কমিশনারের লোকজন বালু মাটি বিক্রি করে।

পৌলি মাটি ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি জানান,আমরা উন্নয়নমুলক কাজের স্বার্থে নিজেদের জমি থেকে মাটি কেটে বিক্রি করছি।

সেখানে পানি উন্নয়ন বোর্ডে এক কর্মকর্তা টাকা দাবি করে। প্রথমে তার সাথে যোগাযোগ করি। পরবর্তীতে তিনি মোটা অংকের টাকা দাবি করলে বিষয়টি উর্ধতন ব্যক্তিদের জানালে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড(পাউবো) উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী রাখিল মুঠোফোনে বলেন,পৌলি শহর রক্ষা বাঁধের উপর দিয়ে ট্রাক চলাচল বন্ধের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি দিয়েছি।

এছাড়াও প্রশাসনের সাথে অভিযানে গিয়ে তিনবার বন্ধ করে দিয়েছি। টাকার বিনিময়ে মাটি ব্যবসায়ীদের মৌখিক অনুমোদনের বিষয়টি মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড(পাউবোর) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মতিউর রহমানের ফোনে একাধিকবার ফোন দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।