রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

পবিপ্রবিতে বিশ্ব ভেটেরিনারি দিবস-২৫ উদযাপন

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) এর এ্যানিমেল সায়েন্স অ্যান্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ভেটেরিনারি স্টুডেন্ট এসোসিয়েশনের উদ্যোগে উৎসবমুখর পরিবেশে বিশ্ব ভেটেরিনারি দিবস ২০২৫ পালিত হয়েছে ।  প্রতিবছর এপ্রিল মাসের শেষ শনিবার বিশ্বজুড়ে বিশ্ব ভেটেরিনারি দিবস পালিত হয়। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে ” Animal Health Takes A team” শুক্রবার রাত ১২.০১ মিনিটে ক্ষনগণনার মধ্য […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ এপ্রিল ২০২৫, ১০:২৮

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) এর এ্যানিমেল সায়েন্স অ্যান্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ভেটেরিনারি স্টুডেন্ট এসোসিয়েশনের উদ্যোগে উৎসবমুখর পরিবেশে বিশ্ব ভেটেরিনারি দিবস ২০২৫ পালিত হয়েছে । 

প্রতিবছর এপ্রিল মাসের শেষ শনিবার বিশ্বজুড়ে বিশ্ব ভেটেরিনারি দিবস পালিত হয়। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে ” Animal Health Takes A team”

শুক্রবার রাত ১২.০১ মিনিটে ক্ষনগণনার মধ্য দিয়ে এ অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন ভিএসএ এর সভাপতি প্রফেসর ড. খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম,  সহ সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম তন্ময়,

সাধারণ সম্পাদক অর্জুন দাস সহ ভিএসএএর সকল নেতৃত্ববৃন্দ ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।এরপরপরই ডিভিএম ডিসিপ্লিনের সকল ব্যাচের শিক্ষার্থীরা আতসবাজি উৎসবে মেতে ওঠে। 

২৭ এপ্রিল (শনিবার) সকাল ৯টায় পবিপ্রবির উপাচার্য প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম  এবং ভিএসএ এর সভাপতি প্রফেসর ড. খন্দকার জাহাঙ্গীর আলমের উপস্থিতিতে পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হয় ।

৯.১৫ ঘটিকায় এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল একাডেমিক ভবন হতে শুরু হয়ে বাবুগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে অনুষদীয় অডিটোরিয়ামের সামনে এসে শেষ হয়। র‍্যালিতে বিভিন্ন প্রাণির ছবি, পোস্টার, প্ল্যাকার্ড এক ভিন্ন মাত্রার সৃষ্টি করে।

সকাল ১০:৩০ ঘটিকায় অনুষদীয় অডিটোরিয়ামে উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. এ.কে.এম. মোস্তফা আনোয়ারের সভাপতিত্বে

ও সহসভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম তন্ময়ের সঞ্চালনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড.কাজী রফিকুল ইসলাম। 

এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো- ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস. এম.  হেমায়েত জাহান,  ট্রেজারার প্রফেসর মোঃ আবদুল লতিফ, বরিশাল  বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মামুন অর রশীদ, এএনএসভিএম অনুষদের ডিন

ও ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস এসোসিয়েশনের সভাপতি প্রফেসর ড.খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম এবং  প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক ডা: মোঃ লুতফুর রহমান। 

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন  করেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল, ঢাকা এর পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন বিভাগের সদস্য পরিচালক এবং মেম্বার ডিরেক্টর, লাইভস্টক ডিভিশন ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। তিনি এই সেক্টরের নানা দিক সম্পর্কে সম্যক ধারণা দেন। 

এসময় ভিএসএ এর সাধারণ সম্পাদক অর্জুন দাস বলেন, “আজকের এই দিনটি সত্যিই আমাদের জন্য আনন্দের।  মাননীয় ভিসি স্যার, ডিএলও স্যার সহ সকল ভেটেরিনারিয়ানদের সাথে পাওয়া আমাদের জন্যে সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক “

এছাড়াও সহ সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম তন্ময় আগামী দিনগুলোতে সকলে একসাথে কাজ করার মাধ্যমে সংগঠনকে সামনের দিকে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। 

প্রো- ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস. এম.  হেমায়েত জাহান বলেন, “আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিচিকিৎসা অনুষদ (এএনএসভিএম) এবং ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন আজকের এই অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে প্রমাণ করেছে যে তারা শুধু একাডেমিক শ্রেষ্ঠত্বে নয়,

সামাজিক দায়বদ্ধতার ক্ষেত্রেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। আমি আশা করি, আমাদের তরুণ ভেটেরিনারিয়ানরা ভবিষ্যতে ‘One Health’ ধারণাকে ধারণ করে প্রাণিস্বাস্থ্য, মানবস্বাস্থ্য এবং পরিবেশের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষায় নেতৃত্ব দেবে।” 

ভাইস চ্যান্সেলর কাজী রফিকুল ইসলাম আয়োজকদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “এ বছরের প্রতিপাদ্য—“Animal Health Takes A Team”—একটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও বাস্তবসম্মত বার্তা বহন করে।

এটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, প্রাণিস্বাস্থ্য রক্ষা শুধুমাত্র প্রানী চিকিৎসকদের একক দায়িত্ব নয়; বরং এটি গবেষক, কৃষক, প্রশাসক, শিক্ষার্থী, ও সর্বোপরি সমাজের প্রতিটি সচেতন মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল।” 

সন্ধ্যা ৭ টায় বরিশাল ক্যাম্পাস  মাঠে ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন হয় । 

অনুষ্ঠানের ২য় দিন ২৭ এপ্রিল  সকাল  ১০ টা হতে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত  ভেটেরিনারি টিচিং হসপিটালে বিনা মূল্যে বিভিন্ন প্রাণীর চিকিৎসা প্রদান এবং ওষুধ বিতরণ করা হবে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি। রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, […]

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক

২৪ মে ২০২৬, ১১:২১

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি।

রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, শনিবার ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট পেয়েছি। কিছু কাজ বাকি আছে, কাজ চলছে। আজই আদালতে দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেব।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে ২০ মে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশু রামিসাকে কৌশলে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে অপরাধ সংঘটিত করেন। ঘটনার পর তিনি প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং পরে পালিয়ে যান।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করেন। শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা যখন দ্রুত সেখানে যায়।

কিন্তু এর আগেই, সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বুধবার ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরে এ মামলায় গত বুধবার ২০ মে গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন এই ঘাতক।

জবানবন্দিতে সোহেল জানায়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। এরপর বাথরুমে নিয়ে ছোট্ট রামিসাকে ধর্ষণ করে সোহেল। এতে জ্ঞান হারায় শিশুটি। এর মধ্যে তার মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন। এসময় সোহেল তাকে গলা কেটে হত্যা করে। মরদেহ গুম করার জন্য তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। এছাড়া ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই রুমে ছিলেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সে। মাদক সেবন করে বিকৃত যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়া এই আসামি আদালতকে জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে পূর্ব কোন শত্রুতা ছিল না।