সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

২০১৮ সালে নির্বাচনে বিএনপি নেতার বাড়িতে হামলা করে ৪শতাধিক গাড়ি চুরির ঘটনায় মামলা

মোঃ তাজুল ইসলাম, সুবর্ণচর প্রতিনিধি; নোয়াখালীর সুবর্নচরে সাবেক এমপি ও নোয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সহ এজহার নামীয় ৮২জনসহ অজ্ঞাত ২-৩শ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে এক বিএনপি নেতা। রবিবার ( ১৬ই ফেব্রুয়ারী ) এ মামলা হয় বলে চরজব্বর থানার অফিসার ইনচার্জ সত্যতা নিশ্চিত করেন। মামলা প্রধান আসামী করা হয়েছে নোয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও নোয়াখালী-৪ আসনের সাবেক […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৬:২৩

মোঃ তাজুল ইসলাম, সুবর্ণচর প্রতিনিধি;

নোয়াখালীর সুবর্নচরে সাবেক এমপি ও নোয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সহ এজহার নামীয় ৮২জনসহ অজ্ঞাত ২-৩শ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে এক বিএনপি নেতা। রবিবার ( ১৬ই ফেব্রুয়ারী ) এ মামলা হয় বলে চরজব্বর থানার অফিসার ইনচার্জ সত্যতা নিশ্চিত করেন। মামলা প্রধান আসামী করা হয়েছে নোয়াখালী

জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও নোয়াখালী-৪ আসনের সাবেক এমপি একরামুল করিম চৌধুরী কে। ২নং আসামী করা হয়েছে নোয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ.এইচ.এম খায়রুল আনম সেলিম কে।

এছাড়াও মামলায় অন্যান্যের মধ্যে যথাক্রমে রয়েছে ২নং চরবাটা ইউপির চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম রাজিব, মোস্তফা কামাল কাজল,  মোস্তফা পারভেজ (সভাপতি, ২নং চরবাটা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ),  হানিফ চৌধুরী (সাধারন সম্পাদক, সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামীলীগ),  আলা উদ্দিন, (সাধারন সম্পাদক,  ২নং চরবাটা ‘ইউনিয়ন

আওয়ামীলীগ) তরিকুল ইসলাম (সাবেক চেয়ারম্যান, চর জব্বার ইউপি), নুর ইসলাম মানিক মেম্বার, উৎপল চন্দ্র মজুমদার, সামছুদ্দিন বাবুল (সাধারন সম্পাদক, ৪নং চর ওয়াপদা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ), বেলায়েত হোসেন,(সাবেক চেয়ারম্যান, চর আমান উল্যা ‘ইউপি),  আবদুল্লাহ আল মামুন জাবেদ (আহবায়ক, সুবর্ণচর উপজেলা ছাত্রলীগ), 

ছিদ্দিক মেম্বার, আক্তার মেম্বার, কেফায়েত উল্যা, সিরাজুল ইসলাম,  

আরো রয়েছেন বদিউল আলম (আহবায়ক, চরজব্বার ইউনিয়ন যুবলীগ), মোঃ শাহআহান (সাধারন সম্পাদক, চরজব্বর ১নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ),  আবদুল মান্নান ভূইয়া (সাংগঠানক সম্পাদক, সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামালীগ ও চেয়ারম্যান চর ওয়াপদা ইউপি),  হাসান, মোঃ মামুন, জুয়েল, মহিব উল্যা, আবুল কালাম, আবদুর রহমান বাবলু, মোঃ আলাউদ্দিন, মোঃ নুর , মোঃ আজগর, ফাসেল আকাশ,  সাইফুল্যাহ খসরু (যুগ আহবায়ক,

সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগ,চেয়ারম্যান, ৫নং চর জুবলী ইউপি)। ফজলু, ফিরোজ আলম, আখেরী মাসুদ, মহি রাশেদ, পিতাঃ মফিজুল ইসলাম, মোঃ হানিফ, পিতা, ফয়সাল, মোঃ বেলাল, মোঃ বাবুল, কামাল হোসেন, জাকের হোসেন, মোঃ মোক্তার, পলাশ, আসিক, সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, মোঃ জাকের, আবদুল মান্নান, মহি উদ্দিন।

ইব্রাহিম, হানিফ, ইসমাইল, হুমায়ুন,  দুর মোহাম্মদ মাঝি,  আমাল উদ্দিন,  সাইফুল ইসলাম রুবেল, মোঃ মামুন। নুরুল আমিন প্রকাশ চুঙ্গা নুরুল আমিন, সভাপতি, ওলামালীগ সুবর্ণচর উপজেলা,  মোঃ মোতাহের, সভাপতি, ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ, মোঃ সুমন, মোঃ সোহাগ, আজাদ, আলা উদ্দিন, অন্তর, জুয়েল, হাছান, রফিক উল্যা

বাদশা, জাকের-১, জাকের-২ , রফিকুল ইসলাম ভূইয়া, মোঃ জাকের-৩ , আবদুল মন্নান, মহি উদ্দিন , জামশেদ প্রঃ জামশেদ ডাক্তার,  মোঃ জাকের, পিতা: মৃত নুরুল আমিন, আবদুল মন্নান, মহি উদ্দিন, মোজাম্মেল হোসেন, সাবেক চেয়ারম্যান, মোঃ আজাদ, আনছার আলীসহ আরও অজ্ঞাতনামা ২০০-৩০০ জন সন্ত্রাসীর কথা জানিয়েছে মামলার বাদি।

এসময় মামলার বাদি সুবর্ণচর উপজেলা কৃষক দলের সাবেক সাধারন সম্পাদক রাশেদ ইকবাল বলেন, গত ২২শে ডিসেম্বর ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাহাদের দলের মনোনিত প্রার্থী মামলার ১ম আসামীকে অবৈধ ভাবে বিজয় করার লক্ষ্যে সদর সুবর্ণচরে এক তাসের রাজত্ব কায়েম করে সন্ত্রাসী আওয়ামী বাহীনী। 

ঘটনার দিন তারা নোয়াখালী ৪ আসনের বিএনপি এর মনোনিত ধানের শীষ মার্কার প্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহান এর নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা শেষে নেতা কর্মীরা মামলার ঘটনার স্থল এডভোকেট এ.বি.এম জাকারিয়া সাহেবের বসত বাড়ীতে দুপুরের খাওয়ার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা অবস্থায় এজাহার নামীয় আসামী ও অজ্ঞাতনামা আসামীরা

একরাম এমপির নির্দেশে নেতৃত্বে ককটেল বিস্ফোরন ঘটাইয়া এলোপাতাড়ী গুলি ছুটতে ছুটতে-হাতে অস্ত্র, রামদা, হকষ্টিক, দা, চেনী ইত্যাদি নিয়া এডভোকেট এ.বি.এম জাকারিয়া সাহেবের বাড়ীতে আক্রমন করে বি.এন.পি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীকে দাওয়া-দিতে থাকে। আসামীদের এলোপাতাড়ী গুলি বর্ষন করে বাড়ীর ভিতরে থাকা নেতা কর্মীদের প্রায় চার শতাধিক বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোটর সাইকেল চুরি করিয়া লুটপাট করে নিয়ে যায়।

সারাদেশ

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে। হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া […]

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে।

হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য থেকে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান ও বাড়ি ফেরার আগের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে এসব তথ্য জানা গেছে।

হোটেলের রেজিস্টার অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে কক্সবাজারের কলাতলীতে কুটুমবাড়ি-সংলগ্ন সড়কের শেষ মাথায় অবস্থিত একটি তিনতলা আবাসিক হোটেলের ৩০২ নম্বর কক্ষে ওঠে তাজমিন ও রিয়াজ। সেখানে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’ এবং বয়স ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়। রিয়াজের ঠিকানা হিসেবে বান্দরবানের লামা এলাকার তথ্য দেওয়া হয়। তার বাবার নাম লেখা হয় মনির আহমদ।

হোটেলের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এক রাত অবস্থানের পর ৭ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে তারা হোটেল ছেড়ে চলে যান। রেজিস্টারে রিয়াজের দুটি মুঠোফোন নম্বর ও একটি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরও পাওয়া গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর হোটেল ছাড়ার পর রিয়াজ তাজমিনকে কুমিল্লাগামী একটি বাসে তুলে দেন। এরপর বাড়ি ফেরার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে তাজমিন। অভিযোগ অনুযায়ী, অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন।

পরদিন ৮ অক্টোবর সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ভোরালজগপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের আইল থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় সিএনজিচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার করা হয়।

রিয়াজের এক সহকর্মীর দাবি, ঘটনার প্রায় ১৭ দিন আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরে তাজমিন কক্সবাজারে গেলে তারা একসঙ্গে সময় কাটান।

তবে রিয়াজের ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সূত্রের দাবি, প্রায় পাঁচ মাস আগে তাদের পরিচয় হয়েছিল এবং এরপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

তাজমিনের বাড়ি ছাড়ার বিষয়ে জানা যায়, গত ৪ অক্টোবর এক বান্ধবীকে হাতঘড়ি দেওয়া নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর সে বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক বান্ধবীর কাছে যায়।

সেখান থেকে মুঠোফোনে রিয়াজের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে কক্সবাজারে আসতে বলা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। যাতায়াতের খরচ হিসেবে রিয়াজ বিকাশের মাধ্যমে ৫০০ টাকা পাঠিয়েছিলেন বলেও জানা গেছে।

সহকর্মী জানান, কক্সবাজার থেকে ফেরার জন্য ‘আইকনিক এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি বাসের টিকিট কিনে তাজমিনকে তুলে দেন রিয়াজ। টিকিটের মূল্য ছিল ৯০০ টাকা।

ওই সহকর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিল্লায় পৌঁছে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠার পরও তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের মুঠোফোনে যোগাযোগ হচ্ছিল। এমনকি অটোরিকশাচালক সম্পর্কে কিছু তথ্যও রিয়াজকে জানিয়েছিল তাজমিন।

তবে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তাজমিনের মুঠোফোনের লাইভ লোকেশন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন ওই সহকর্মী।

পরদিন টেলিভিশনের সংবাদে তাজমিনের হত্যার খবর জানতে পেরে রিয়াজ হতবাক হয়ে পড়েন বলেও জানান তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রিয়াজের এক সহকর্মী আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশের পর রিয়াজ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এ সময় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সহযোগিতা চান। তাজমিনের হত্যার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

ওই সহকর্মীর তথ্য অনুযায়ী, রিয়াজ প্রায় তিন বছর ধরে কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে কাজ করছেন। ঘটনার পর তিনি কর্মস্থল থেকে ছুটিতে রয়েছেন।

এদিকে রিয়াজের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য সরাসরি জানা সম্ভব হয়নি।

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তাজমিন হত্যার ঘটনায় মুঠোফোনের কললিস্টসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার আসামি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও পরিষ্কার হবে।

তবে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান, হোটেলের রেজিস্টারে ভিন্ন নাম ও বয়স ব্যবহার এবং রিয়াজের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়গুলো তদন্তে কীভাবে বিবেচিত হচ্ছে, তা এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি  নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম […]

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি 

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ ও সেনবাগ থানা পুলিশকে ঘটনাটি জানান।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, চোরেরা অফিস কক্ষে প্রবেশের পর দুটি স্টিলের আলমিরা ও একটি ফাইল কেবিনেটের তালা ভেঙে ফেলে। এরপর সেখান থেকে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সেনবাগ থানার ওসি (তদন্ত) মো. হযরত আলী মিলন গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি এবং এ ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।