শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

২০১৮ সালে নির্বাচনে বিএনপি নেতার বাড়িতে হামলা করে ৪শতাধিক গাড়ি চুরির ঘটনায় মামলা

মোঃ তাজুল ইসলাম, সুবর্ণচর প্রতিনিধি; নোয়াখালীর সুবর্নচরে সাবেক এমপি ও নোয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সহ এজহার নামীয় ৮২জনসহ অজ্ঞাত ২-৩শ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে এক বিএনপি নেতা। রবিবার ( ১৬ই ফেব্রুয়ারী ) এ মামলা হয় বলে চরজব্বর থানার অফিসার ইনচার্জ সত্যতা নিশ্চিত করেন। মামলা প্রধান আসামী করা হয়েছে নোয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও নোয়াখালী-৪ আসনের সাবেক […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৬:২৩

মোঃ তাজুল ইসলাম, সুবর্ণচর প্রতিনিধি;

নোয়াখালীর সুবর্নচরে সাবেক এমপি ও নোয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সহ এজহার নামীয় ৮২জনসহ অজ্ঞাত ২-৩শ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে এক বিএনপি নেতা। রবিবার ( ১৬ই ফেব্রুয়ারী ) এ মামলা হয় বলে চরজব্বর থানার অফিসার ইনচার্জ সত্যতা নিশ্চিত করেন। মামলা প্রধান আসামী করা হয়েছে নোয়াখালী

জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও নোয়াখালী-৪ আসনের সাবেক এমপি একরামুল করিম চৌধুরী কে। ২নং আসামী করা হয়েছে নোয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ.এইচ.এম খায়রুল আনম সেলিম কে।

এছাড়াও মামলায় অন্যান্যের মধ্যে যথাক্রমে রয়েছে ২নং চরবাটা ইউপির চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম রাজিব, মোস্তফা কামাল কাজল,  মোস্তফা পারভেজ (সভাপতি, ২নং চরবাটা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ),  হানিফ চৌধুরী (সাধারন সম্পাদক, সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামীলীগ),  আলা উদ্দিন, (সাধারন সম্পাদক,  ২নং চরবাটা ‘ইউনিয়ন

আওয়ামীলীগ) তরিকুল ইসলাম (সাবেক চেয়ারম্যান, চর জব্বার ইউপি), নুর ইসলাম মানিক মেম্বার, উৎপল চন্দ্র মজুমদার, সামছুদ্দিন বাবুল (সাধারন সম্পাদক, ৪নং চর ওয়াপদা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ), বেলায়েত হোসেন,(সাবেক চেয়ারম্যান, চর আমান উল্যা ‘ইউপি),  আবদুল্লাহ আল মামুন জাবেদ (আহবায়ক, সুবর্ণচর উপজেলা ছাত্রলীগ), 

ছিদ্দিক মেম্বার, আক্তার মেম্বার, কেফায়েত উল্যা, সিরাজুল ইসলাম,  

আরো রয়েছেন বদিউল আলম (আহবায়ক, চরজব্বার ইউনিয়ন যুবলীগ), মোঃ শাহআহান (সাধারন সম্পাদক, চরজব্বর ১নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ),  আবদুল মান্নান ভূইয়া (সাংগঠানক সম্পাদক, সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামালীগ ও চেয়ারম্যান চর ওয়াপদা ইউপি),  হাসান, মোঃ মামুন, জুয়েল, মহিব উল্যা, আবুল কালাম, আবদুর রহমান বাবলু, মোঃ আলাউদ্দিন, মোঃ নুর , মোঃ আজগর, ফাসেল আকাশ,  সাইফুল্যাহ খসরু (যুগ আহবায়ক,

সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগ,চেয়ারম্যান, ৫নং চর জুবলী ইউপি)। ফজলু, ফিরোজ আলম, আখেরী মাসুদ, মহি রাশেদ, পিতাঃ মফিজুল ইসলাম, মোঃ হানিফ, পিতা, ফয়সাল, মোঃ বেলাল, মোঃ বাবুল, কামাল হোসেন, জাকের হোসেন, মোঃ মোক্তার, পলাশ, আসিক, সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, মোঃ জাকের, আবদুল মান্নান, মহি উদ্দিন।

ইব্রাহিম, হানিফ, ইসমাইল, হুমায়ুন,  দুর মোহাম্মদ মাঝি,  আমাল উদ্দিন,  সাইফুল ইসলাম রুবেল, মোঃ মামুন। নুরুল আমিন প্রকাশ চুঙ্গা নুরুল আমিন, সভাপতি, ওলামালীগ সুবর্ণচর উপজেলা,  মোঃ মোতাহের, সভাপতি, ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ, মোঃ সুমন, মোঃ সোহাগ, আজাদ, আলা উদ্দিন, অন্তর, জুয়েল, হাছান, রফিক উল্যা

বাদশা, জাকের-১, জাকের-২ , রফিকুল ইসলাম ভূইয়া, মোঃ জাকের-৩ , আবদুল মন্নান, মহি উদ্দিন , জামশেদ প্রঃ জামশেদ ডাক্তার,  মোঃ জাকের, পিতা: মৃত নুরুল আমিন, আবদুল মন্নান, মহি উদ্দিন, মোজাম্মেল হোসেন, সাবেক চেয়ারম্যান, মোঃ আজাদ, আনছার আলীসহ আরও অজ্ঞাতনামা ২০০-৩০০ জন সন্ত্রাসীর কথা জানিয়েছে মামলার বাদি।

এসময় মামলার বাদি সুবর্ণচর উপজেলা কৃষক দলের সাবেক সাধারন সম্পাদক রাশেদ ইকবাল বলেন, গত ২২শে ডিসেম্বর ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাহাদের দলের মনোনিত প্রার্থী মামলার ১ম আসামীকে অবৈধ ভাবে বিজয় করার লক্ষ্যে সদর সুবর্ণচরে এক তাসের রাজত্ব কায়েম করে সন্ত্রাসী আওয়ামী বাহীনী। 

ঘটনার দিন তারা নোয়াখালী ৪ আসনের বিএনপি এর মনোনিত ধানের শীষ মার্কার প্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহান এর নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা শেষে নেতা কর্মীরা মামলার ঘটনার স্থল এডভোকেট এ.বি.এম জাকারিয়া সাহেবের বসত বাড়ীতে দুপুরের খাওয়ার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা অবস্থায় এজাহার নামীয় আসামী ও অজ্ঞাতনামা আসামীরা

একরাম এমপির নির্দেশে নেতৃত্বে ককটেল বিস্ফোরন ঘটাইয়া এলোপাতাড়ী গুলি ছুটতে ছুটতে-হাতে অস্ত্র, রামদা, হকষ্টিক, দা, চেনী ইত্যাদি নিয়া এডভোকেট এ.বি.এম জাকারিয়া সাহেবের বাড়ীতে আক্রমন করে বি.এন.পি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীকে দাওয়া-দিতে থাকে। আসামীদের এলোপাতাড়ী গুলি বর্ষন করে বাড়ীর ভিতরে থাকা নেতা কর্মীদের প্রায় চার শতাধিক বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোটর সাইকেল চুরি করিয়া লুটপাট করে নিয়ে যায়।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি। রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, […]

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক

২৪ মে ২০২৬, ১১:২১

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি।

রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, শনিবার ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট পেয়েছি। কিছু কাজ বাকি আছে, কাজ চলছে। আজই আদালতে দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেব।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে ২০ মে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশু রামিসাকে কৌশলে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে অপরাধ সংঘটিত করেন। ঘটনার পর তিনি প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং পরে পালিয়ে যান।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করেন। শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা যখন দ্রুত সেখানে যায়।

কিন্তু এর আগেই, সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বুধবার ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরে এ মামলায় গত বুধবার ২০ মে গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন এই ঘাতক।

জবানবন্দিতে সোহেল জানায়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। এরপর বাথরুমে নিয়ে ছোট্ট রামিসাকে ধর্ষণ করে সোহেল। এতে জ্ঞান হারায় শিশুটি। এর মধ্যে তার মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন। এসময় সোহেল তাকে গলা কেটে হত্যা করে। মরদেহ গুম করার জন্য তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। এছাড়া ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই রুমে ছিলেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সে। মাদক সেবন করে বিকৃত যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়া এই আসামি আদালতকে জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে পূর্ব কোন শত্রুতা ছিল না।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।