বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

নাটোরে অবৈধ সেচ পাম্প স্থাপন বৈধতার শর্তে বিএডিসির বিরুদ্ধে ঘুষের মামলা

নাটোর জেলা প্রতিনিধি, মনিরুল ইসলাম ডাবলু  সরকারি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই সেচ কমিটির অনুমতি ছাড়াই গভীর নলকূপ স্থাপনের অভিযোগ পাওয়া গেছে রাসেদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, অবৈধ সেচ পাম্প স্থাপনের বৈধতা পেতে আদালতে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) নাটোর রিজিয়নের নির্বাহী প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেন এবং বড়াইগ্রাম জোনের সহকারি প্রকৌশলী জিয়াউর রহমানের […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ০৩:৪৩

নাটোর জেলা প্রতিনিধি, মনিরুল ইসলাম ডাবলু 

সরকারি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই সেচ কমিটির অনুমতি ছাড়াই গভীর নলকূপ স্থাপনের অভিযোগ পাওয়া গেছে রাসেদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, অবৈধ সেচ পাম্প স্থাপনের বৈধতা পেতে আদালতে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) নাটোর রিজিয়নের নির্বাহী প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেন এবং বড়াইগ্রাম জোনের সহকারি প্রকৌশলী জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন রাসেদুল ইসলাম। মামলায় রাসেদুল ইসলামের দাবি,

প্রায় সাড়ে তিন লক্ষাধিক টাকা লেনদেনের পরেও পাম্প স্থাপনের ছাড়পত্র না পেয়েই মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে মামলার বিবাদী ও সংশ্লিষ্টদের দাবি, ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি সঠিক নয়, বরং অবৈধভাবে বসানো সেচ পাম্পের ছাড়পত্র পেতেই উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মানহানিকর মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই বিষয়ে পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী।

এদিকে অবৈধভাবে সেচ স্থাপন করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন সেচ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস। রাসেদুল ইসলাম নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার শ্রীরামপুর এলাকার রওশন আলীর ছেলে। তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২৪ সালে বড়াইগ্রাম উপজেলার শ্রীরামপুর পেট্রোল পাম্প এলাকায় ১ কিউসেক সেচ পাম্প স্থাপনের জন্য সেচ কমিটির কাছে আবেদন করেন রওশন আলী।

আবেদনের প্রেক্ষিতে বিএডিসির প্রতিনিধিরা সরেজমিন পরিদর্শণ করেন। কিন্তু সেচ পাম্প স্থাপনের নীতিমালার সাথে রওশনের আবেদনের বিষয়টি সাংঘর্ষিক ও ছাড়পত্র প্রদানসাপেক্ষ না হওয়ায় সেচ কমিটি পাম্প স্থাপনের ছাড়পত্র দেয়নি। পরে এক প্রকার জোর করেই নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করেই রাসেদুল ইসলাম ও তার দুলাভাই মাহবুর গভীর নলকূপ স্থাপন করে।

অথচ ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১৮ এর ৫ এর (১) ধারায় বলা হয়েছে, উপজেলা পরিষদ কর্তৃক প্রদত্ত লাইসেন্স ব্যতীত কৃষি কাজের জন্য কোন স্থানে কোন নলকূপ স্থাপন করা যাইবে না। এছাড়া, কোন ব্যক্তি এই আইনের কোন বিধান লঙ্ঘন করিলে অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ৩০(ত্রিশ) দিন বিনাশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত হবেন।

অথচ রাসেদুল সেচ কমিটির ছাড়পত্র ছাড়াই পাম্প স্থাপন করেছেন। এছাড়াও তিনি অবৈধভাবে ছাড়পত্র পেতে নির্বাহী প্রকৌশলী ও সহকারি প্রকৌশলীকে ৩ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা দিয়েও ছাড়পত্র না পাওয়ার অভিযোগ এনে গত ২৮ জানুয়ারি আদালতে মামলা দায়ের করেন।

এদিকে মামলার বিবাদীরা বলছেন ভিন্ন কথা। বিএডিসির প্রকৌশলীরা জানান, অবৈধভাবে বসানো সেচ পাম্পের ছাড়পত্র পেতেই উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মিথ্যা, হয়রানিমূলক ও মানহানিকর মামলা করা হয়েছে। একমাত্র উপজেলা সেচ কমিটি সেচ বসানোর ছাড়পত্র দিতে পারে। যে কমিটির সভাপতি হলেন ইউএনও। 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঢাকা-বনপাড়া মহাসড়কের পাশে শ্রীরামপুর পেট্রোল পাম্প এলাকায় ছাড়পত্র ছাড়াই গভীর নলকূপ স্থাপন করে সেচ দিচ্ছেন রাসেদুল ও তার দুলাভাই মাহবুর। এছাড়া মামলায় উল্লেখিত নির্বাহী প্রকৌশলীকে ঘুষ দিয়ে মাড়িয়া মৌজায় জেএল-৫৫ এর ৩০৬৫ নং দাগে

সাজজারুল ইসলাম শুভ ম্যানেজার করে অবৈধভাবে বিএডিসির নলকূপ স্থাপনের কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এছাড়া কবে, কখন, কোন কর্মকর্তাকে কত টাকা দিয়েছেন এমন প্রশ্নের কোন সদুত্তর দিতে পারেননি মামলার বাদী রাসেদুল ও তার দুলাভাই মাহবুব।

এমন কি নির্বাহী প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেনকে চেনেন না বলেও স্বীকার করেন তারা। শ্রীরামপুর গ্রামের অপর কৃষক শামীম জানান, আমি দুই বছর আগে সেচ পাম্পের অনুমতি নিয়ে নলকূপ স্থাপন করে সেচ দিয়ে আসছি।

কিন্তু রাসেদুল সেচ কমিটি থেকে অনুমতি না নিয়ে নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে গায়ের জোরে একটি গভীর নলকূপ স্থাপন করেছে। এছাড়া আমার আউটলেট বন্ধ করে দিয়ে আমাকে নানা হুমকি দেওয়া দিচ্ছে।

বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) এর অধীনে শ্রীরামপুর এলাকার সেচ পরিচালক শহিদুল ইসলাম জানান, সেচের ছাড়পত্র পেতে নির্বাহী প্রকৌশলীকে ঘুষ দেওয়ার বিষয়টি বিশ^াসযোগ্য নয়। বরং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেই মনে হচ্ছে।

মামলার বাদী রাসেদুল ইসলাম জানান, সেচ পাম্প বসানোর ছাড়পত্র পেতেই মামলা করা হয়েছে। ছাড়পত্র পেলে আর কোন সমস্যা নেই। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে ঘুষ লেনদেনের বিষয়ে কোন সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি। 

বিএডিসি বড়াইগ্রাম জোনের সহকারী প্রকৌশলী জিয়াউর রহমান জানান, ঘুষ নিয়ে একক ভাবে কাউকে সেচ ছাড়পত্র দেয়ার কোন সুযোগ নেই। কয়েকটি সরকারি অফিসের প্রতিনিধি কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত ৯ সদস্য বিশিষ্ট সেচ কমিটির সভাপতি হলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

এখানে এককভাবে কাউকে ক্ষমতা দেওয়া হয় নাই। বিএডিসি কি করে আবেদনকারীকে ছারপত্র দিবে? টাকা লেনদেন করেও ছাড়পত্র না পেয়ে মামলার বিষয়টি উদ্দেশ্য প্রণেদিত এবং মানহানিকর। 

বিএডিসি নাটোর রিজিয়নের নির্বাহী প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেন জানান, উপজেলা সেচ কমিটির সাথে জেলা পর্যায়ের দপ্তরের কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। বিএডিসি নির্বাহী প্রকৌশলী ও সহকারি প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরর বিষয়টি উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও মানহানিকর।

রাসেদুল সেচ পাম্পের জন্য সেচ কমিটির কাছে আবেদন করে। কিন্তু নিয়ম অনুসারে নির্দিষ্ট দুরুত্ব না মেনে সেচ পাম্প বসানোর কারণে সেচ কমিটি ছাড়পত্র দেয়নি। সেই পাম্পের বৈধতা নেওয়ার জন্য বিএডিসির বিরুদ্ধে এই ধরনের মিথ্যা, মানহানিকর এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর বিষয়ে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।

বড়াইগ্রাম উপজেলা সেচ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস জানান, রাসেদুল ইসলাম নামে ওই ব্যক্তি সেচ কমিটির ছাড়পত্র ছাড়াই অবৈধভাবে গভীর নলকূপ স্থাপন করেছে। তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।