বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

পবা হাইওয়ে থানার উদ্যোগে কমিউনিটি পুলিশং সভা অনুষ্ঠিত

রাজশাহী ব্যুরো কমিউনিটি পুলিশিং ও ওপেন হাউস ডে, মহাসড়কে দুর্ঘটনা রোধ এবং যানজট নিরশনের জন্য সচেতনতা, দিকনির্দেশনা মূলক মতবিনিময় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।  ২৮ জানুয়ারি মঙ্গলবার রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর ইউনিয়নের শিবপুরে পবা হাইওয়ে থানা, বগুড়া রিজিয়ন এর উদ্যোগে পবা হাইওয়ে থানার প্রাঙ্গনে মোঃ শহিদ উল্লাহ্ পুলিশ সুপার (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদন্নোতি প্রাপ্ত) হাইওয়ে পুলিশ […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জানুয়ারী ২০২৫, ০৮:২৩

রাজশাহী ব্যুরো

কমিউনিটি পুলিশিং ও ওপেন হাউস ডে, মহাসড়কে দুর্ঘটনা রোধ এবং যানজট নিরশনের জন্য সচেতনতা, দিকনির্দেশনা মূলক মতবিনিময় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

২৮ জানুয়ারি মঙ্গলবার রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর ইউনিয়নের শিবপুরে পবা হাইওয়ে থানা, বগুড়া রিজিয়ন এর উদ্যোগে পবা হাইওয়ে থানার প্রাঙ্গনে মোঃ শহিদ উল্লাহ্ পুলিশ সুপার (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদন্নোতি প্রাপ্ত) হাইওয়ে পুলিশ বগুড়া রিজিয়ন এর সভাপতিত্বে পবা হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী মোজাম্মেল হক এর সঞ্চালনায় এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ আবুল কালাম আজাদ ডিআইজি (অপারেশন পশ্চিম) বাংলাদেশ পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ হেডকোয়ার্টার, উত্তরা, ঢাকা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব আলী আহমেদ হাশমী, পুলিশ সুপার, হাইওয়ে পুলিশ বগুড়া রিজয়ন। 

আরো উপস্থিত ছিলেন মতিউর রহমান, সভাপতি বানেশ্বর বনিক সমিতি, মোঃ আব্দুল আজিজ, সাবেক ইউপি সদস্য বানেশ্বর ইউনিয়ন, মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রাজশাহী সিটি কলেজ ছাত্রদল, আহসান হাবিব, শ্রমিক দল রাজশাহী জেলা শাখা, নাজমুল হুদা বাবু, জেলা সেচ্ছাসেবদল যুগ্ম আহবায়ক, মোঃ শাহজাহান সরকার, জিয়া পরিষদ, পুঠিয়া উপজেলা, জাহিদুল ইসলাম টিটু মাস্টার, যুগ্ম আহ্বায়ক, পুঠিয়া উপজেলা জিয়া পরিষদ, মাহতাব মাস্টার, স্বেচ্ছাসেবক দল পুঠিয়া উপজেলা, মোঃ শাহজামান সাবু, সদস্য পুঠিয়া উপজেলা বিএনপি, মোঃ সাইদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি, সাদেকুর রহমান, সভাপতি শিবপুর বণিক সমিতি, আব্দুস সোবহান মন্ডল ৪ নং ওয়ার্ড সভাপতি বিএনপি, জাহাঙ্গীর আলম, সহ-সভাপতি ৪নং ওয়ার্ড বিএনপি, আতাউর রহমান, সহ-সাধারণ সম্পাদক ইউনিয়ন বিএনপি, মোঃ আব্দুল গাফফার (বুলবুল), সাধারণ সম্পাদক বানেশ্বর ইউনিয়ন যুবদল, মোঃ খোরশেদ আলম, বানেশ্বর ইউনিয়ন বিএনপি, মোঃ সালাউদ্দিন বাবু, ৪নং ওয়ার্ড বিএনপি, মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, ছাত্রশিবির বানেশ্বর ইউনিয়ন, এছাড়াও পবা হাইওয়ে থানার দায়িত্বে থাকা এসআই সাজ্জাদ, সার্জেন্ট সাগর, সার্জেন্ট নবীন, এএসআই আহসান হাবীব, এএসআই মতিয়ার রহমান, নায়েক আব্দুর রাজ্জাক, নায়েক দারাজ, রুবেল, নাহিদ, লিটন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাধারণ জনগণ।

আলোচনা সভায় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও সাধারণ মানুষ প্রধান অতিথি আবুল কালাম আজাদ ডিআইজি (অপারেশন পশ্চিম) বাংলাদেশ পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ হেডকোয়ার্টার, উত্তরা, ঢাকা এর উপস্থিতিতে কয়েকটি দাবি প্রেরণ করেন। দাবি গুলো হলো রাজশাহী নাটোর মহাসড়কের বানেশ্বর বাজারে হাটের ২ দিন (শনিবার ও মঙ্গলবার) যানজট দ্রুত নিরসন করা, ট্রাফিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ফোরলেন রাস্তা নির্মাণ করা, দুর্ঘটনা রোধ করা, রাস্তায় বালি ভর্তি খোলা ট্রাক জব্দ করা, স্কুল-কলেজের সামনে গাড়ির অতিরিক্ত গতি ও উচ্চশব্দে হর্ন বাজানো থেকে বিরত থাকা, দ্রুতগতির মোটরসাইকেল ও সাইলেন্সার খোলা মোটরসাইকেল আইনের আওতায় নিয়ে আসা, শিবপুর বাজারে সিসি ক্যামেরা লাগানো, স্কুল পারাপারের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পবা হাইওয়ে থানার নাম সংস্কার করে শিবপুর হাইওয়ে থানা নামকরণ করা।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি বলেন আমারা আপনাদের দাবি গুলো পূরণ করার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছি। আমরা পুলিশ বাহিনী সবসময় জনগণের সেবায় নিয়োজিত। তবে এই কাজে আপনাদের সহযোগিতা আমাদের একান্তই কাম্য। যার পরিপেক্ষিতে আজকের এই সচেতনতা মূলক কমিউনিটি পুলিশং সভা ও ওপেন হাউস ডে মতবিনিময় আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এই কমিউনিটি পুলিশং সভা ও ওপেন হাউস ডে মতবিনিময় আলোচনা সভা প্রতি ২ মাস পর পর আয়োজন করা হবে। এই আলোচনার মাধ্যমে আমি আপনাদের থেকে শুনবো আমরা আপনাদের দাবিগুলো কতটুকু পূরণ করতে পারলাম এবং কি দাবি বাদ পড়লো সেগুলো আপনাদের কাছে থেকে জানতে পারবো এবং আমরা সেগুলো পূনরায় বাস্তবিত করার চেষ্টা করবো।

তিনি আরও বলেন আমরা আপনাদের কিছু দাবি ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন করেছি আমরা আশা করি যে, আপনাদের সহযোগিতা পেলে পুরোপুরি উন্নতি করতে পারবো। পবা হাইওয়ে থানার নাম সংস্করণ এর প্রসঙ্গে তিনি বলেন এটা সড়ক ও জনপদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন আমরা তাদের কাছে নাম সংস্করণ প্রসঙ্গে একটি আবেদন পত্র পাঠিয়েছি আবেদন পত্রটি প্রক্রিয়াধীন আছে আমরা আপনাদের দাবিগুলো পূরণ করার জন্য সবসময় আপনাদের পাশে থাকবো। আপনারাও একটু সচেতনতা অবলম্বন করবেন এবং ট্রাফিক আইন গুলো মেনে চলার চেষ্টা করবেন তাহলে দেখবেন সড়ক দুর্ঘটনা অনেকটাই কমে গেছে। তিনি সিএনজি, ব্যাটারি চালিত ভ্যান ও নছিমন এর চালকদের অতিরিক্ত গতি পরিহার করতে বলেন এবং তাদেরকে সাবধানতার সহীত মহাসড়কে চলাচল করতে বলেন।

দূর্ঘটনা প্রতিরোধে অনুষ্ঠানের সভাপতি মোঃ শহিদ উল্লাহ্ পুলিশ সুপার (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদন্নোতি প্রাপ্ত) হাইওয়ে পুলিশ বগুড়া রিজিয়ন ও বিশেষ অতিথি জনাব আলী আহমেদ হাশমী, পুলিশ সুপার, হাইওয়ে পুলিশ বগুড়া রিজয়ন তারা নানান নির্দেশনা মূলক বক্তব্য রাখেন এবং দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করতে যে কাজগুলো প্রয়োজন সে সম্পর্কে আলোচনা করেন। তিনি বলেন মহাসড়কে মোটরসাইকেল নিয়ে চলাচল করার জন্য ট্রাফিক আইন জানতে হবে এবং অতিরিক্ত গতি পরিহার করতে হবে এবং অবশ্যই হেলমেট ব্যাবহার করতে হবে। অপ্রাপ্ত বয়সী ছেলেদের হাতে মোটরসাইকেল দেওয়া যাবেনা। থ্রি হুইলার গাড়ি দুর্ঘটনা মূল কারণ বলে উল্লেখ করেন। তারা সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করেন যে, আপনাদের সব দাবিগুলো পূরণের জন্য আপনাদের সাথে কাধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে যাবো এবং বানেশ্বর হাটের ২ দিন শনিবার ও মঙ্গলবার পবা হাইওয়ে থানার টিম নিয়ে দ্রুত যানজট নিরসনের জন্য কাজ করে যাবো।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি। রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, […]

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক

২৪ মে ২০২৬, ১১:২১

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি।

রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, শনিবার ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট পেয়েছি। কিছু কাজ বাকি আছে, কাজ চলছে। আজই আদালতে দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেব।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে ২০ মে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশু রামিসাকে কৌশলে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে অপরাধ সংঘটিত করেন। ঘটনার পর তিনি প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং পরে পালিয়ে যান।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করেন। শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা যখন দ্রুত সেখানে যায়।

কিন্তু এর আগেই, সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বুধবার ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরে এ মামলায় গত বুধবার ২০ মে গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন এই ঘাতক।

জবানবন্দিতে সোহেল জানায়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। এরপর বাথরুমে নিয়ে ছোট্ট রামিসাকে ধর্ষণ করে সোহেল। এতে জ্ঞান হারায় শিশুটি। এর মধ্যে তার মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন। এসময় সোহেল তাকে গলা কেটে হত্যা করে। মরদেহ গুম করার জন্য তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। এছাড়া ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই রুমে ছিলেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সে। মাদক সেবন করে বিকৃত যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়া এই আসামি আদালতকে জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে পূর্ব কোন শত্রুতা ছিল না।

সারাদেশ

ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় শিশু লামিসাকে, মরদেহ লুকাতেই মাথা বিচ্ছিন্ন

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায় সাত বছর বয়সী শিশু লামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। মরদেহ গুম করতে ঘাড় থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং শরীরের অন্য অংশও টুকরো করার চেষ্টা চালানো হয় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা (৩০) ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে (২৬) মাত্র ৭ ঘণ্টার […]

ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় শিশু লামিসাকে, মরদেহ লুকাতেই মাথা বিচ্ছিন্ন

ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় শিশু লামিসাকে, মরদেহ লুকাতেই মাথা বিচ্ছিন্ন

নিউজ ডেস্ক

২০ মে ২০২৬, ১০:১০

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায় সাত বছর বয়সী শিশু লামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। মরদেহ গুম করতে ঘাড় থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং শরীরের অন্য অংশও টুকরো করার চেষ্টা চালানো হয়

এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা (৩০) ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে (২৬) মাত্র ৭ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে পল্লবী থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) এস এন নজরুল ইসলাম ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য লামিসাকে খুঁজতে থাকেন তার মা। এক পর্যায়ে বাসার দরজার সামনে শিশুটির একটি জুতা পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। সন্দেহ থেকে পাশের ফ্ল্যাটের দরজায় ধাক্কা দিতে থাকেন, কিন্তু দরজা ভেতর থেকে আটকানো ছিল। মায়ের চিৎকারে এলাকাবাসী এসে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে শিশু লামিসার মরদেহ দেখতে পায়। এ সময় মূল আসামি সোহেল রানা জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়।

এস এন নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সম্ভবত বাথরুমে শিশুটির সঙ্গে মূল আসামির অবৈধ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। আলামত সংগ্রহ করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) পাঠানো হয়েছে। শিশুটির সঙ্গে আসামির কোনো যৌন ক্রিয়া হয়েছে কি না তা পরবর্তীতে বিস্তারিত জানা যাবে।’

মরদেহ টুকরো করার পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘পরবর্তীতে মরদেহ লুকানোর জন্যই সম্ভবত মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়। হাত কেটে টুকরো করার চেষ্টাও করা হয়। কিন্তু শিশুটির মা দরজায় ধাক্কাধাক্কি শুরু করলে মূল আসামি জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান। পুরো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারেননি তিনি।’

প্রাথমিক তদন্তের বরাত দিয়ে এস এন নজরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমাদের ধারণা, ধর্ষণের কারণে শিশুটির রক্তপাত শুরু হলে তাকে হত্যা করে মরদেহ গুম করার পরিকল্পনা করেন অভিযুক্ত ব্যক্তি।’

গ্রেপ্তার সোহেল রানার চরিত্র সম্পর্কে পুলিশ জানায়, তার বিরুদ্ধে নাটোরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা রয়েছে। তার স্ত্রীর বক্তব্য উদ্ধৃত করে ডিএমপির এই কর্মকর্তা বলেন, ‘তিনি সম্ভবত বিকৃত যৌনরুচিসম্পন্ন একটা লোক। তিনি তার স্ত্রীকেও বিভিন্নভাবে টর্চার করেছেন।’

ঘটনার পর প্রধান আসামি সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের প্তুল্লা থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মিরপুর ১১ নম্বরের মিল্লাত ক্যাম্প সংলগ্ন বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। খবর পেয়ে পল্লবী থানা পুলিশ, সিআইডি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন।