বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

উপজেলা নিবার্হী অফিসারের বদলীর আদেশ প্রত্যাহার দাবীতে মানববন্ধন

রাশিমুল হক রিমন, বরগুনা প্রতিনিধি আমতলী উপজেলা নিবার্হী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলমের বদলীর আদেশ প্রতাহারের দাবীতে মানববন্ধন করা হয়েছে। উপজেলা সর্ব দলীয় ওয়ামা—মাসায়েখ, সর্বস্তরের জনতা, ইমাম কল্যাণ ফাউন্ডেশন ও আইন্না পরিষদসহ ১৫ টি ব্যানারে মানববন্ধন করা হয়। শনিবার বেলা ১০ টায় আমতলী উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণের এ মানববন্ধনে সহস্রাধিক মানুষ অংশ নেয়। জানাগেছে, ২০২২ সালের ১১ […]

নিউজ ডেস্ক

২১ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৫:২০

রাশিমুল হক রিমন, বরগুনা প্রতিনিধি

আমতলী উপজেলা নিবার্হী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলমের বদলীর আদেশ প্রতাহারের দাবীতে মানববন্ধন করা হয়েছে। উপজেলা সর্ব দলীয় ওয়ামা—মাসায়েখ, সর্বস্তরের জনতা, ইমাম কল্যাণ ফাউন্ডেশন ও আইন্না পরিষদসহ ১৫ টি ব্যানারে মানববন্ধন করা হয়। শনিবার বেলা ১০ টায় আমতলী উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণের এ মানববন্ধনে সহস্রাধিক মানুষ অংশ নেয়।
জানাগেছে, ২০২২ সালের ১১ ডিসেম্বর আমতলী আমতলী উপজেলা নিবার্হী অফিসার হিসেবে মুহাম্মদ আশরাফুল আলম যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকে তিনি আমতলীর উন্নয়নসহ সার্বিক বিষয়ে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তার কর্ম দক্ষতায় তিনি আমতলী উপজেলার মানুষের নয়নের মনি হয়ে ওঠেছেন। নিরলসভাবে কাজ করে সরকারী সেবা মানুষের দ্বোর গোড়ায় পৌছে দিয়েছেন তিনি। গত ৫ আগষ্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর আমতলী উপজেলাকে তিনি আপন কোঠরে আগলে রেখেছেন। কিন্তু একটি কুচক্রিমহল তাদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য উপজেলা নিবার্হী অফিসারকে বদলী করান।
 গত ১৮ ডিসেম্বর উপ—সচিব আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক আদেশে আমতলী উপজেলা নিবার্হী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলমকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে কুমিল্লায় বদলী করা হয়। এ বদলীর আদেশের খবর আমতলী উপজেলায় ছড়িয়ে পরলে মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বদলী আদেশ প্রত্যাহারের দাবীতে শনিবার সকালে আমতলী উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে বিভিন্ন সংগঠনের ১৫ টি ব্যানারে মানববন্ধন করা হয়। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বরগুনা জেলা সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ ওমর ফারুক জেহাদীর সভাপতিত্বে মানবন্ধনে বক্তব্য রাখেন, আমতলী পৌরসভার সাবেক মেয়র নাজমুল আহসান নান্নু, বাসস জেলা প্রতিনিধি একেএম খায়রুল বাশার বুলবুল, আমতলী সাংবাদিক ইউনিয়ন  সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ জয়নুল আবেদীন, আমতলী প্রেসক্লাব সাবেক সভাপতি রেজাউল করিম বাদল, কেন্দ্রিয় জামে মসজিদের ইমাম মুফতি মাওলানা নুরুজ্জামান, ইমাম মাওলানা সাইদুর রহমান ফারুক, মাওলানা আমির হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ উপজেলা কমিটির সভাপতি নাজমুল আহসান সোহেল,  সাধারণ সম্পাদক গাজী মোঃ বায়েজিদ, যুব আন্দোলন সাধারণ সম্পাদক মাওলানা খালিদ সাইফুল্লাহ, সাবেক কাউন্সিলর আবুল বাশার রুমি,  সেলিম রেজা টিটু ও  ঔষধ ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সভাপতি মোঃ দেলোয়ার হোসেন খাঁন প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা আমতলী উপজেলা নিবার্হী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলমের বদলীর আদেশ দ্রুত প্রত্যাহারের দাবী জানান।
আমতলী উপজেলা নিবার্হী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলমের বদলীর আদেশ প্রতাহারের দাবীতে মানববন্ধন করা হয়েছে। উপজেলা সর্ব দলীয় ওয়ামা—মাসায়েখ, সর্বস্তরের জনতা, ইমাম কল্যাণ ফাউন্ডেশন ও আইন্না পরিষদসহ ১৫ টি ব্যানারে মানববন্ধন করা হয়। শনিবার বেলা ১০ টায় আমতলী উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণের এ মানববন্ধনে সহস্রাধিক মানুষ অংশ নেয়।
জানাগেছে, ২০২২ সালের ১১ ডিসেম্বর আমতলী আমতলী উপজেলা নিবার্হী অফিসার হিসেবে মুহাম্মদ আশরাফুল আলম যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকে তিনি আমতলীর উন্নয়নসহ সার্বিক বিষয়ে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তার কর্ম দক্ষতায় তিনি আমতলী উপজেলার মানুষের নয়নের মনি হয়ে ওঠেছেন। নিরলসভাবে কাজ করে সরকারী সেবা মানুষের দ্বোর গোড়ায় পৌছে দিয়েছেন তিনি। গত ৫ আগষ্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর আমতলী উপজেলাকে তিনি আপন কোঠরে আগলে রেখেছেন। কিন্তু একটি কুচক্রিমহল তাদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য উপজেলা নিবার্হী অফিসারকে বদলী করান।
 গত ১৮ ডিসেম্বর উপ—সচিব আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক আদেশে আমতলী উপজেলা নিবার্হী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলমকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে কুমিল্লায় বদলী করা হয়। এ বদলীর আদেশের খবর আমতলী উপজেলায় ছড়িয়ে পরলে মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বদলী আদেশ প্রত্যাহারের দাবীতে শনিবার সকালে আমতলী উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে বিভিন্ন সংগঠনের ১৫ টি ব্যানারে মানববন্ধন করা হয়। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বরগুনা জেলা সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ ওমর ফারুক জেহাদীর সভাপতিত্বে মানবন্ধনে বক্তব্য রাখেন, আমতলী পৌরসভার সাবেক মেয়র নাজমুল আহসান নান্নু, বাসস জেলা প্রতিনিধি একেএম খায়রুল বাশার বুলবুল, আমতলী সাংবাদিক ইউনিয়ন  সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ জয়নুল আবেদীন, আমতলী প্রেসক্লাব সাবেক সভাপতি রেজাউল করিম বাদল, কেন্দ্রিয় জামে মসজিদের ইমাম মুফতি মাওলানা নুরুজ্জামান, ইমাম মাওলানা সাইদুর রহমান ফারুক, মাওলানা আমির হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ উপজেলা কমিটির সভাপতি নাজমুল আহসান সোহেল,  সাধারণ সম্পাদক গাজী মোঃ বায়েজিদ, যুব আন্দোলন সাধারণ সম্পাদক মাওলানা খালিদ সাইফুল্লাহ, সাবেক কাউন্সিলর আবুল বাশার রুমি,  সেলিম রেজা টিটু ও  ঔষধ ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সভাপতি মোঃ দেলোয়ার হোসেন খাঁন প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা আমতলী উপজেলা নিবার্হী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলমের বদলীর আদেশ দ্রুত প্রত্যাহারের দাবী জানান।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি। রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, […]

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক

২৪ মে ২০২৬, ১১:২১

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি।

রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, শনিবার ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট পেয়েছি। কিছু কাজ বাকি আছে, কাজ চলছে। আজই আদালতে দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেব।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে ২০ মে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশু রামিসাকে কৌশলে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে অপরাধ সংঘটিত করেন। ঘটনার পর তিনি প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং পরে পালিয়ে যান।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করেন। শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা যখন দ্রুত সেখানে যায়।

কিন্তু এর আগেই, সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বুধবার ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরে এ মামলায় গত বুধবার ২০ মে গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন এই ঘাতক।

জবানবন্দিতে সোহেল জানায়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। এরপর বাথরুমে নিয়ে ছোট্ট রামিসাকে ধর্ষণ করে সোহেল। এতে জ্ঞান হারায় শিশুটি। এর মধ্যে তার মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন। এসময় সোহেল তাকে গলা কেটে হত্যা করে। মরদেহ গুম করার জন্য তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। এছাড়া ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই রুমে ছিলেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সে। মাদক সেবন করে বিকৃত যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়া এই আসামি আদালতকে জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে পূর্ব কোন শত্রুতা ছিল না।

সারাদেশ

ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় শিশু লামিসাকে, মরদেহ লুকাতেই মাথা বিচ্ছিন্ন

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায় সাত বছর বয়সী শিশু লামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। মরদেহ গুম করতে ঘাড় থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং শরীরের অন্য অংশও টুকরো করার চেষ্টা চালানো হয় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা (৩০) ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে (২৬) মাত্র ৭ ঘণ্টার […]

ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় শিশু লামিসাকে, মরদেহ লুকাতেই মাথা বিচ্ছিন্ন

ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় শিশু লামিসাকে, মরদেহ লুকাতেই মাথা বিচ্ছিন্ন

নিউজ ডেস্ক

২০ মে ২০২৬, ১০:১০

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায় সাত বছর বয়সী শিশু লামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। মরদেহ গুম করতে ঘাড় থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং শরীরের অন্য অংশও টুকরো করার চেষ্টা চালানো হয়

এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা (৩০) ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে (২৬) মাত্র ৭ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে পল্লবী থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) এস এন নজরুল ইসলাম ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য লামিসাকে খুঁজতে থাকেন তার মা। এক পর্যায়ে বাসার দরজার সামনে শিশুটির একটি জুতা পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। সন্দেহ থেকে পাশের ফ্ল্যাটের দরজায় ধাক্কা দিতে থাকেন, কিন্তু দরজা ভেতর থেকে আটকানো ছিল। মায়ের চিৎকারে এলাকাবাসী এসে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে শিশু লামিসার মরদেহ দেখতে পায়। এ সময় মূল আসামি সোহেল রানা জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়।

এস এন নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সম্ভবত বাথরুমে শিশুটির সঙ্গে মূল আসামির অবৈধ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। আলামত সংগ্রহ করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) পাঠানো হয়েছে। শিশুটির সঙ্গে আসামির কোনো যৌন ক্রিয়া হয়েছে কি না তা পরবর্তীতে বিস্তারিত জানা যাবে।’

মরদেহ টুকরো করার পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘পরবর্তীতে মরদেহ লুকানোর জন্যই সম্ভবত মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়। হাত কেটে টুকরো করার চেষ্টাও করা হয়। কিন্তু শিশুটির মা দরজায় ধাক্কাধাক্কি শুরু করলে মূল আসামি জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান। পুরো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারেননি তিনি।’

প্রাথমিক তদন্তের বরাত দিয়ে এস এন নজরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমাদের ধারণা, ধর্ষণের কারণে শিশুটির রক্তপাত শুরু হলে তাকে হত্যা করে মরদেহ গুম করার পরিকল্পনা করেন অভিযুক্ত ব্যক্তি।’

গ্রেপ্তার সোহেল রানার চরিত্র সম্পর্কে পুলিশ জানায়, তার বিরুদ্ধে নাটোরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা রয়েছে। তার স্ত্রীর বক্তব্য উদ্ধৃত করে ডিএমপির এই কর্মকর্তা বলেন, ‘তিনি সম্ভবত বিকৃত যৌনরুচিসম্পন্ন একটা লোক। তিনি তার স্ত্রীকেও বিভিন্নভাবে টর্চার করেছেন।’

ঘটনার পর প্রধান আসামি সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের প্তুল্লা থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মিরপুর ১১ নম্বরের মিল্লাত ক্যাম্প সংলগ্ন বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। খবর পেয়ে পল্লবী থানা পুলিশ, সিআইডি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন।