বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

দুর্গাপূজায় ‘মদ খেয়ে নাচানাচি’ করলে ঘাড়ে ধরে নিয়ে যাওয়া হবে: ফেনীর পুলিশ সুপার

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কঠোর ও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন ফেনীর পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার। তিনি সাফ জানিয়েছেন, পূজা চলাকালে মদ্যপান করে কোনো ধরনের মাতলামি বা বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না; এমন কর্মকাণ্ডে জড়ালে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ঘাড়ে ধরে থানায় নিয়ে আসা হবে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে ফেনী জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন […]

দুর্গাপূজায় ‘মদ খেয়ে নাচানাচি’ করলে ঘাড়ে ধরে নিয়ে যাওয়া হবে: ফেনীর পুলিশ সুপার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৩

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কঠোর ও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন ফেনীর পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার। তিনি সাফ জানিয়েছেন, পূজা চলাকালে মদ্যপান করে কোনো ধরনের মাতলামি বা বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না; এমন কর্মকাণ্ডে জড়ালে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ঘাড়ে ধরে থানায় নিয়ে আসা হবে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে ফেনী জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভায় দেওয়া তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।

সীমান্তবর্তী অঞ্চলের মাদক সংক্রান্ত ঝুঁকি তুলে ধরে সভায় পুলিশ সুপার বলেন, ‘ফেনী সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় এখানে মদ পাওয়া তুলনামূলক সহজলভ্য। তবে পূজার পবিত্রতা বা শান্তিশৃঙ্খলা নষ্ট করে কেউ যদি মদ খেয়ে নাচানাচি বা মাতলামি করে, তবে তাকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

পুলিশ তাকে ঘাড়ে ধরে নিয়ে আসবে। আমাদের নিয়োজিত মেডিকেল টিমের কাছে নিয়ে গিয়ে পেট ওয়াশ করানো হবে এবং তাৎক্ষণিক যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, পূজামণ্ডপগুলোতে দু-একজনের এমন উচ্ছৃঙ্খল আচরণের কারণেই সার্বিক পরিবেশ নষ্ট হয় এবং অন্যরাও এমন কর্মকাণ্ডে জড়ানোর সুযোগ পায়। পুলিশ এবার এসব ঘটনা কঠোর হাতে দমন করবে।

প্রত্যুষ কুমার মজুমদার জানান, শহরকেন্দ্রিক ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ পূজামণ্ডপগুলোতে বাড়তি নজরদারির পাশাপাশি প্রতিমা তৈরির সময়েও বিশেষ সতর্কতা জারি থাকবে। চট্টগ্রাম বিভাগের মধ্যে ফেনীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে সবচেয়ে সন্তোষজনক দাবি করে তিনি বলেন, জেলায় কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে; ফলে যে দলের বা পরিচয়েরই হোক না কেন, বিশৃঙ্খলাকারীদের কোনো ছাড় নেই।

ফেনীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ আল আমিন সরকার, জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ খালেক, বিজিবি ৪ ফেনী ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসিবুল ইসলাম, ডিডিএলজি নূরুদ্দীন মুহাম্মদ শিবলী নোমান এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফাতিমা সুলতানা।

জেলা প্রশাসক জানান, মণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তায় পুলিশ, আনসার ও বিজিবির যৌথ টহলের পাশাপাশি প্রতিটি মণ্ডপে নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত থাকবে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা ও গুজব প্রতিরোধে খোলা থাকবে সার্বক্ষণিক কন্ট্রোল রুম।

এদিকে পুলিশ সুপারের এমন কঠোর বক্তব্যকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয় পূজা উদ্‌যাপন কমিটির নেতারা। ফেনী জেলা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সভাপতি সমীর কর জানান, দীর্ঘ সাত বছর সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে থাকাকালে ফেনীর মণ্ডপগুলোতে মদ খেয়ে বড় ধরনের মাতলামির কোনো নজির তার চোখে পড়েনি।

তবে সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ সুপারের এই কঠোর বার্তাকে তারা পূর্ণ সমর্থন ও স্বাগত জানাচ্ছেন। পূজার পবিত্রতাকে ঢাল বানিয়ে কেউ যাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি বা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে না পারে, সেজন্য পুলিশ প্রশাসনের এমন কঠোর পদক্ষেপ অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে তিনি মন্তব্য করেন।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ফেনী জেলার ছয়টি উপজেলায় এবার মোট ১৫৩টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যা গতবারের তুলনায় তিনটি বেশি। এর মধ্যে ফেনী সদরে ৬৫টি, ফুলগাজীতে ৩৪টি, সোনাগাজীতে ২৩টি, দাগনভূঞায় ১৯টি, পরশুরামে ৭টি এবং ছাগলনাইয়ায় ৫টি মণ্ডপে পূজা উদযাপিত হবে।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।