মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিবেদকঃ দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬ শুরু হয়েছে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে তিন মাস ব্যাপী দেশব্যাপী জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা মোতাবেক এবং ৬৭- সিরাজগঞ্জ -৬ শাহজাদপুর আসনের মাননীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডঃ এম এ মুহিত
এমপি দিকনির্দেশনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং পৌর প্রসাশক সাবরিনা শারমিন তিন মাস ব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান- ২০২৬ কর্মসূচিতে জনসচেতনতায় লিফলেট বিতরণ, কর্মসূচিতে প্রচার মাইকিং, লারভিসাইট স্প্রে,ফগিং স্প্রে , ব্যবসায়ী সহ পরিচ্ছন্ন কর্মী,সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের সাথে পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক আলোচনা ও ক্র্যাশ প্রোগ্রামের বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রদান করেন।
এরপর শাহজাদপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে দেশব্যাপী জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান, ২০২৬ বাস্তবায়ন উপলক্ষ্যে শাহজাদপুর উপজেলা পরিষদ থেকে একটি র্যালি বের হয়ে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা সেমিনার কক্ষে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবরিনা শারমিন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন শাহজাদপুর উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা বিল্লাল হোসেন, কৃষি অফিসার আব্দুল আল মামুন, বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আরিফুজ্জামান আরিফ, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ইমদাদুল হক নওশাদ, গার্লস গাইড, স্বেচ্ছাসেবক, স্বাস্থ্য বিভাগ, স্কাউট, রাজনৈতিক
নেতৃবৃন্দ, সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ, কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ, ব্যবসায়ী গণ, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সাথে ক্রাশ প্রোগ্রাম নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন। এ সময় পরিত্যক্ত বর্জ্য আবর্জনা অপসারণ, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা করন, লারভি সাইট স্প্রে, ফগিং স্প্রে কার্যক্রম সবার উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশে শুভ উদ্বোধন করেন।
এসময় বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবরিনা শারমিন বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কোনো বিকল্প নেই। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে প্রত্যেককে নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। কোথাও যেন পরিষ্কার পানিতে মশার লার্ভা জন্ম নিতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ শুধু সরকারি প্রতিষ্ঠানের একার দায়িত্ব নয়। এ কাজে জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ জনগণকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। সচেতনতা ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে ডেঙ্গুর বিস্তার অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব।ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করার আহ্বান জানান তিনি।