রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

উন্নয়নের অঙ্গীকার নিয়ে পটুয়াখালীর গলাচিপা সদর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে লড়বেন স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা

সারাদেশের ন্যায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গলাচিপা সদর ইউনিয়নে উন্নয়ন, সুশাসন ও জনসম্পৃক্ত প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি নিয়ে মাঠে নেমেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল গলাচিপা উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মো. আলী জিন্নাহ। দলীয় মনোনয়ন পেলে তিনি গলাচিপা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পটুয়াখালী সরকারি কলেজ থেকে […]

উন্নয়নের অঙ্গীকার নিয়ে পটুয়াখালীর গলাচিপা সদর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে লড়বেন স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৫ জুলাই ২০২৬, ১৮:১৫

সারাদেশের ন্যায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গলাচিপা সদর ইউনিয়নে উন্নয়ন, সুশাসন ও জনসম্পৃক্ত প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি নিয়ে মাঠে নেমেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল গলাচিপা উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মো. আলী জিন্নাহ।

দলীয় মনোনয়ন পেলে তিনি গলাচিপা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পটুয়াখালী সরকারি কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী আলী জিন্নাহ ছাত্রজীবন থেকেই পটুয়াখালী সরকারি কলেজ ও গলাচিপা উপজেলা ছাত্রদলের রাজনীতির শীর্ষ পর্যায়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।

রাজনৈতিক জীবনে নানা সময় হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হলেও তিনি জাতীয়তাবাদী আদর্শ থেকে সরে যাননি। পরবর্তীতে গলাচিপা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের দায়িত্ব গ্রহণ করে উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সংগঠনকে শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে গলাচিপা উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন বলে স্থানীয়দের দাবি।

আলী জিন্নাহ জানান, তিনি সুশাসন, সততা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, ন্যায়বিচার এবং বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গলাচিপা সদর ইউনিয়নের মানুষের সেবক হিসেবে কাজ করতে চান। তিনি দল-মত নির্বিশেষে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন।

নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি প্রতিদিন ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে সাধারণ মানুষের খোঁজ-খবর নেন। এছাড়া সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ সব সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, দলীয় সমর্থন পেয়ে নির্বাচিত হলে ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি কার্যক্রমে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে এবং একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব ইউনিয়ন পরিষদ গড়ে তোলা হবে। হিন্দু-মুসলিমসহ সব ধর্মের মানুষের মধ্যে যুগ যুগ ধরে যে সম্প্রীতির ঐতিহ্য রয়েছে, তা আরও সুদৃঢ় করতে তিনি কাজ করবেন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, গত ১৮ বছরে গলাচিপা সদর ইউনিয়নে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। বোয়ালিয়ায় অবস্থিত ইউনিয়ন পরিষদের মূল ভবনটিও বর্তমানে জরাজীর্ণ ও কার্যত পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। নির্বাচিত হলে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও আধুনিক করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

নিজের নির্বাচনী অঙ্গীকার তুলে ধরে আলী জিন্নাহ বলেন, গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন, রাস্তাঘাট সংস্কার, কৃষকদের জন্য সার, বীজ ও সেচ সুবিধা নিশ্চিত করে কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা হবে।

বেকার যুবকদের দক্ষতা উন্নয়ন, খেলাধুলার প্রসার, ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে কার্যকর করে মাতৃ ও শিশুসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, বিজিএফসহ সব ধরনের সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করা হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রকৃত উপকারভোগীদের তালিকা প্রণয়ন করে সরকারি সহায়তা তাদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে। মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে এবং কমিউনিটি পুলিশিং জোরদারের মাধ্যমে ইউনিয়নে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা হবে।

নারী উন্নয়নের বিষয়ে তিনি বলেন, নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহ ও সহায়তা দেওয়া হবে এবং সকল ধর্মের মানুষের মধ্যে সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মো. আলী জিন্নাহ বলেন, “জনগণই উন্নয়নের মূল শক্তি। আমি আপনাদের শাসক নয়, সেবক হতে চাই। একটি উন্নত, আধুনিক, স্মার্ট ও ডিজিটাল গলাচিপা সদর ইউনিয়ন গড়ে তুলতে আপনাদের দোয়া, সমর্থন, ভালোবাসা ও সহযোগিতা কামনা করছি।”

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। […]

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১২ জুন ২০২৬, ১০:২৮

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। কয়েকদিন আগেও এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল।

ঘটনার দিন রাফি একা মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় পথে কালু, পারভেজ ও তাদের কয়েকজন সহযোগী আড্ডা দিচ্ছিল। রাফিকে একা দেখে তারা তাকে থামানোর চেষ্টা করে। প্রথমে কালু তাকে আটকাতে ব্যর্থ হলে সামনে অবস্থান নেওয়া পারভেজ একটি বড় ইটের টুকরো দিয়ে রাফির মাথায় আঘাত করে। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন।

পরে অভিযুক্তরা আহত রাফিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর র‌্যাব-৪-এর আভিযানিক দল জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে বৃহস্পতিবার কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।