বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

উন্নয়নের অঙ্গীকার নিয়ে পটুয়াখালীর গলাচিপা সদর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে লড়বেন স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা

সারাদেশের ন্যায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গলাচিপা সদর ইউনিয়নে উন্নয়ন, সুশাসন ও জনসম্পৃক্ত প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি নিয়ে মাঠে নেমেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল গলাচিপা উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মো. আলী জিন্নাহ। দলীয় মনোনয়ন পেলে তিনি গলাচিপা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পটুয়াখালী সরকারি কলেজ থেকে […]

উন্নয়নের অঙ্গীকার নিয়ে পটুয়াখালীর গলাচিপা সদর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে লড়বেন স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৫ জুলাই ২০২৬, ১৮:১৫

সারাদেশের ন্যায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গলাচিপা সদর ইউনিয়নে উন্নয়ন, সুশাসন ও জনসম্পৃক্ত প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি নিয়ে মাঠে নেমেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল গলাচিপা উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মো. আলী জিন্নাহ।

দলীয় মনোনয়ন পেলে তিনি গলাচিপা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পটুয়াখালী সরকারি কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী আলী জিন্নাহ ছাত্রজীবন থেকেই পটুয়াখালী সরকারি কলেজ ও গলাচিপা উপজেলা ছাত্রদলের রাজনীতির শীর্ষ পর্যায়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।

রাজনৈতিক জীবনে নানা সময় হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হলেও তিনি জাতীয়তাবাদী আদর্শ থেকে সরে যাননি। পরবর্তীতে গলাচিপা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের দায়িত্ব গ্রহণ করে উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সংগঠনকে শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে গলাচিপা উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন বলে স্থানীয়দের দাবি।

আলী জিন্নাহ জানান, তিনি সুশাসন, সততা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, ন্যায়বিচার এবং বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গলাচিপা সদর ইউনিয়নের মানুষের সেবক হিসেবে কাজ করতে চান। তিনি দল-মত নির্বিশেষে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন।

নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি প্রতিদিন ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে সাধারণ মানুষের খোঁজ-খবর নেন। এছাড়া সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ সব সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, দলীয় সমর্থন পেয়ে নির্বাচিত হলে ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি কার্যক্রমে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে এবং একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব ইউনিয়ন পরিষদ গড়ে তোলা হবে। হিন্দু-মুসলিমসহ সব ধর্মের মানুষের মধ্যে যুগ যুগ ধরে যে সম্প্রীতির ঐতিহ্য রয়েছে, তা আরও সুদৃঢ় করতে তিনি কাজ করবেন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, গত ১৮ বছরে গলাচিপা সদর ইউনিয়নে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। বোয়ালিয়ায় অবস্থিত ইউনিয়ন পরিষদের মূল ভবনটিও বর্তমানে জরাজীর্ণ ও কার্যত পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। নির্বাচিত হলে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও আধুনিক করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

নিজের নির্বাচনী অঙ্গীকার তুলে ধরে আলী জিন্নাহ বলেন, গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন, রাস্তাঘাট সংস্কার, কৃষকদের জন্য সার, বীজ ও সেচ সুবিধা নিশ্চিত করে কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা হবে।

বেকার যুবকদের দক্ষতা উন্নয়ন, খেলাধুলার প্রসার, ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে কার্যকর করে মাতৃ ও শিশুসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, বিজিএফসহ সব ধরনের সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করা হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রকৃত উপকারভোগীদের তালিকা প্রণয়ন করে সরকারি সহায়তা তাদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে। মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে এবং কমিউনিটি পুলিশিং জোরদারের মাধ্যমে ইউনিয়নে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা হবে।

নারী উন্নয়নের বিষয়ে তিনি বলেন, নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহ ও সহায়তা দেওয়া হবে এবং সকল ধর্মের মানুষের মধ্যে সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মো. আলী জিন্নাহ বলেন, “জনগণই উন্নয়নের মূল শক্তি। আমি আপনাদের শাসক নয়, সেবক হতে চাই। একটি উন্নত, আধুনিক, স্মার্ট ও ডিজিটাল গলাচিপা সদর ইউনিয়ন গড়ে তুলতে আপনাদের দোয়া, সমর্থন, ভালোবাসা ও সহযোগিতা কামনা করছি।”

সারাদেশ

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে। হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া […]

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে।

হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য থেকে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান ও বাড়ি ফেরার আগের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে এসব তথ্য জানা গেছে।

হোটেলের রেজিস্টার অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে কক্সবাজারের কলাতলীতে কুটুমবাড়ি-সংলগ্ন সড়কের শেষ মাথায় অবস্থিত একটি তিনতলা আবাসিক হোটেলের ৩০২ নম্বর কক্ষে ওঠে তাজমিন ও রিয়াজ। সেখানে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’ এবং বয়স ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়। রিয়াজের ঠিকানা হিসেবে বান্দরবানের লামা এলাকার তথ্য দেওয়া হয়। তার বাবার নাম লেখা হয় মনির আহমদ।

হোটেলের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এক রাত অবস্থানের পর ৭ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে তারা হোটেল ছেড়ে চলে যান। রেজিস্টারে রিয়াজের দুটি মুঠোফোন নম্বর ও একটি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরও পাওয়া গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর হোটেল ছাড়ার পর রিয়াজ তাজমিনকে কুমিল্লাগামী একটি বাসে তুলে দেন। এরপর বাড়ি ফেরার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে তাজমিন। অভিযোগ অনুযায়ী, অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন।

পরদিন ৮ অক্টোবর সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ভোরালজগপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের আইল থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় সিএনজিচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার করা হয়।

রিয়াজের এক সহকর্মীর দাবি, ঘটনার প্রায় ১৭ দিন আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরে তাজমিন কক্সবাজারে গেলে তারা একসঙ্গে সময় কাটান।

তবে রিয়াজের ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সূত্রের দাবি, প্রায় পাঁচ মাস আগে তাদের পরিচয় হয়েছিল এবং এরপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

তাজমিনের বাড়ি ছাড়ার বিষয়ে জানা যায়, গত ৪ অক্টোবর এক বান্ধবীকে হাতঘড়ি দেওয়া নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর সে বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক বান্ধবীর কাছে যায়।

সেখান থেকে মুঠোফোনে রিয়াজের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে কক্সবাজারে আসতে বলা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। যাতায়াতের খরচ হিসেবে রিয়াজ বিকাশের মাধ্যমে ৫০০ টাকা পাঠিয়েছিলেন বলেও জানা গেছে।

সহকর্মী জানান, কক্সবাজার থেকে ফেরার জন্য ‘আইকনিক এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি বাসের টিকিট কিনে তাজমিনকে তুলে দেন রিয়াজ। টিকিটের মূল্য ছিল ৯০০ টাকা।

ওই সহকর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিল্লায় পৌঁছে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠার পরও তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের মুঠোফোনে যোগাযোগ হচ্ছিল। এমনকি অটোরিকশাচালক সম্পর্কে কিছু তথ্যও রিয়াজকে জানিয়েছিল তাজমিন।

তবে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তাজমিনের মুঠোফোনের লাইভ লোকেশন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন ওই সহকর্মী।

পরদিন টেলিভিশনের সংবাদে তাজমিনের হত্যার খবর জানতে পেরে রিয়াজ হতবাক হয়ে পড়েন বলেও জানান তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রিয়াজের এক সহকর্মী আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশের পর রিয়াজ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এ সময় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সহযোগিতা চান। তাজমিনের হত্যার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

ওই সহকর্মীর তথ্য অনুযায়ী, রিয়াজ প্রায় তিন বছর ধরে কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে কাজ করছেন। ঘটনার পর তিনি কর্মস্থল থেকে ছুটিতে রয়েছেন।

এদিকে রিয়াজের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য সরাসরি জানা সম্ভব হয়নি।

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তাজমিন হত্যার ঘটনায় মুঠোফোনের কললিস্টসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার আসামি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও পরিষ্কার হবে।

তবে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান, হোটেলের রেজিস্টারে ভিন্ন নাম ও বয়স ব্যবহার এবং রিয়াজের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়গুলো তদন্তে কীভাবে বিবেচিত হচ্ছে, তা এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি  নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম […]

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি 

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ ও সেনবাগ থানা পুলিশকে ঘটনাটি জানান।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, চোরেরা অফিস কক্ষে প্রবেশের পর দুটি স্টিলের আলমিরা ও একটি ফাইল কেবিনেটের তালা ভেঙে ফেলে। এরপর সেখান থেকে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সেনবাগ থানার ওসি (তদন্ত) মো. হযরত আলী মিলন গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি এবং এ ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।