সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মুন্সীগঞ্জে শুষ্ক মৌসুমে ভাঙছে পদ্মা, আতঙ্কে নদী তীরের মানুষ

আক্কাছ আলী, (মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি): মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি ও  লৌহজংয়ে বর্তমান শুষ্ক মৌসুমে পদ্মা তীরবর্তী এলাকায় নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। নদীর ঢেউ আর প্রবল স্রোতের কারণে ভাঙনের মুখে পড়েছে পদ্মা নদীর তীর ঘেঁষা উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নের নদীর তীরবর্তী এলাকার মানুষের কৃষি জমি ও বসতবাড়ি। টঙ্গীবাড়ি  উপজেলার ভাঙন কবলিত এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে দিঘীরপাড় সরিষাবন ৩০০/৪০০ মিটারের […]

নিউজ ডেস্ক

০৯ ডিসেম্বর ২০২৪, ১১:৪৫

আক্কাছ আলী, (মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি):

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি ও  লৌহজংয়ে বর্তমান শুষ্ক মৌসুমে পদ্মা তীরবর্তী এলাকায় নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। নদীর ঢেউ আর প্রবল স্রোতের কারণে ভাঙনের মুখে পড়েছে পদ্মা নদীর তীর ঘেঁষা উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নের নদীর তীরবর্তী এলাকার মানুষের কৃষি জমি ও বসতবাড়ি।
টঙ্গীবাড়ি  উপজেলার ভাঙন কবলিত এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে দিঘীরপাড় সরিষাবন ৩০০/৪০০ মিটারের মধ্যে কোন জিও ব্যাগ ফালানো হয়নি। ও লৌহজং উপজেল  হলদিয়া, কনকসার,লৌহজং-তেউটিয়া, বেজগাঁও, গাঁওদিয়া, কলমা ইউনিয়নগুলোর নদী তীরবর্তী গ্রামের কৃষি জমি ও বসতভিটা নদীতে ভাঙছে।
এসব  ভাঙনের শিকার মানুষগুলো স্থানীয় প্রশাসনের কাছে গিয়ে ভাঙ্গনের বিষয়ে জানালে কিছু বালু ভর্তি জিও ব্যাগ নদীতে ফেলা হচ্ছে । ভাঙ্গন কবলিত বেশ কিছু এলাকায় স্থায়ী বাধেঁর জন্য বরাদ্ধ হলেও বাধ নির্মাণের ধীরগতির কারনে ভাঙন চলছে।  স্থায়ী বেড়িবাঁধ দ্রুত নির্মাণের দাবি করেছেন এলাকাবাসী।
স্থাণীয়ভাবে জানা গেছে বিগত দুই যুগের অধিক সময় ধরে ভাঙ্গনে টঙ্গীবাড়ী ও লৌহজংয়ে বিলীন হচ্ছে কৃষি জমি ও বসতভিটা। ছোট হচ্ছে উপজেলার মানচিত্র। ভাঙনকবলিত এলাকার বেশ কিছু অংশে স্থায়ী বাধ নির্মাণ কাজ চললেও বাধ তৈরির ধীরগতি চলায় ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। নির্মাণাধীন বাঁধের কাজের মেয়াদ গত সেপ্টেম্বর মাসে শেষ হলেও এখনো দৃশ্যমান হয়নি বাধ।
এবছর বর্ষায় নদীভাঙ্গনে দিঘীরপাড় বাজার এবং সরিষাবন গ্রাম ছিল হুমকির মুখে।
দুই উপজেলা নদীর তীরবর্তী ইউনিয়নের বিভিন্ন  গ্রামে কমবেশি ভাঙন হচ্ছে। দিনে -রাতে পাড় ঘেঁষে  অনিয়মতান্ত্রিকভাবে বালু বহনকারী বাল্কহেড চলাচল করায় উত্তাল ঢেউয়ের কারণে এসব এলাকায় ভাঙন প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
গাঁওদিয়া ইউনিয়ন এর মো. আইনউজ্জদিন জানান, “বর্ষার পানি এই মুহূর্তে নেমে গেছে। তবে পানির গতিবেগ আমার বাড়ির পাশে এসে আঘাত আনায় মাটি ভেঙ্গে যাচ্ছে। আমার বাড়ির পাশের অনেক অংশ কৃষি জমি এবং বসতবাড়ির অংশ ভেঙে গেছে গত কয়েক দিনে। বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করেছি তারা আশ্বস্ত করেছেন যে জিও ব্যাগ ফেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।”
এলাকাবাসী আরো জানান,এর আগে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন থেকে বাড়িঘর রক্ষার চেষ্টা করে উপজেলা প্রশাসন। কিন্তু ভাঙন রোধ করা যাচ্ছে না।এখন বর্ষা মৌসুম নেই এখন বেড়িবাঁধ এর কাজ করার উত্তম সময় তবে দ্রুতগতিতে করতে হবে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড এর তথ্য অনুসারে  ৩২ কোটি টাকার সাড়ে ৪ কিলোমিটার এলাকায় ২৫০ কেজি ওজনের প্রায় ৮ লাখ বালুর বস্তা ফেলা হচ্ছে। এরপর বালু ও সিমেন্ট মিশ্রিত আরোও ২ লাখ বস্তা ফেলা হবে পদ্মা সেতুর বাম তীরে।

 

মুন্সীগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. জহিরুল ইসলাম জানান, আপৎকালীন এ সময়ে আমরা জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙ্গণ প্রতিরোধের চেষ্টা করছি।

এদিকে লৌহজংয়ের খড়িয়া থেকে টঙ্গীবাড়ির দিঘীরপাড় পর্যন্ত ৯.১০ কিলোমিটারের দীর্ঘ এলাকায় পদ্মা ভাঙন রোধে সরকার প্রায় ৪শ’ ৪৬ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ শুরু করেছে গত বছরের এপ্রিল থেকে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হওয়ার কথা ছিল । এই কাজ ধীর গতিতে এগুচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

স্থানীয়দের দাবি পদ্মা তীর ঘেঁষে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ। স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হলে একদিকে টঙ্গীবাড়ী ও  লৌহজংয়ের মানচিত্র ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা পাবে অন্যদিকে পর্যটকদের আনাগোনা বেড়ে যাবে।এতে করে খেটে খাওয়া মানুষের আয়ের উৎস হিসেবে এই বেড়িবাঁধ কাজে লাগবে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,দিঘীরপাড় বাজার রক্ষায় এখন আমাদের মূল লক্ষ।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।