মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

বিদেশে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা ফাঁদ, সৌদি আরব প্রবাসী আটক

নেত্রকোনা প্রতিনিধি : নেত্রকোনার মদন থানার পুলিশ খসরু পারভেজ ভূঁইয়া (৩৮) নামের সৌদি প্রবাসী যুবককে আটক করেছে। সোমবার রাতে পাশের জেলা কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার থানেশ্বর এলাকার সালিশে বৈঠক থেকে তাকে আটক করা হয়। এর মধ্যে তিনি অনেকের কাছ থেকেই লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। খসরু গ্রেফতারের খবর শুনে প্রতারণার স্বীকার হুমায়ুন কবির, সোবেল, জুয়েল, মোজাম্মেল, […]

বিদেশে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা ফাঁদ, সৌদি আরব প্রবাসী আটক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৭ জুন ২০২৬, ০০:০৮

নেত্রকোনা প্রতিনিধি :

নেত্রকোনার মদন থানার পুলিশ খসরু পারভেজ ভূঁইয়া (৩৮) নামের সৌদি প্রবাসী যুবককে আটক করেছে। সোমবার রাতে পাশের জেলা কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার থানেশ্বর এলাকার সালিশে বৈঠক থেকে তাকে আটক করা হয়।

এর মধ্যে তিনি অনেকের কাছ থেকেই লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। খসরু গ্রেফতারের খবর শুনে প্রতারণার স্বীকার হুমায়ুন কবির, সোবেল, জুয়েল, মোজাম্মেল, শরিফুজ্জামান শুভ সহ কয়েকজন থানায় ভিড় করেন। তবে জনশক্তি রপ্তানির তার কোন সংশ্লিষ্ট দফতরের লাইসেন্স নেই।

এর আগে গত বছর ২২ জানুয়ারি সৌদি আরবে বেশি বেতনের কাজ দেওয়ার কথা বলে সৌদি আরব নিয়ে যান। কাঙ্খিত কাজ না দিয়ে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে পাসপোর্ট সহ সব কাগজপত্র নিয়ে জিম্মি করে। এরপর তার কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায় করে দেশে ফেরত পাঠান।

অভিযুক্ত খসরু পারভেজ ভুঁইয়া কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা উপজেলার থানেশ্বর গ্রামে আনডর আলীর ছেলে। 

ভুক্তভোগী মোহন মিয়া মদন পৌর শহরের মদন বাজার এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে।

মামলার এজহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, খুসরু পারভেজ ভূঁইয়া ১০-১২ বছর আগে পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা ফেরাতে সৌদি আরব পাড়ি জমান। এর মধ্যে তিনি তার বড় ভাই জাকির হোসেন ভূঁইয়ার সহযোগিতায় সৌদি আরবে লাইসেন্সবিহীন অবৈধভাবে জনশক্তি রপ্তানির কাজ শুরু করেন। সৌদি আরবে নিয়ে তিনি প্রতারণার ফাঁদ আকেন।

যাদেরকে তিনি সৌদি নিয়ে যান তাদের পাসপোর্ট সহ সব কাগজপত্র জিম্মি করে অতিরিক্ত টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে তাদেরকে সৌদি আরবে পুলিশের হাতে ধরিয়ে দিবেন বলে ভয় দেখাতেন। অনেকেই বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছেন। যিনি টাকা দিতে অস্বীকার কিংবা প্রতিবাদ করেছেন তাদের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায় করতেন খসরু।

প্রতারণা ফাঁদে পরা ব্যক্তিদের মধ্যে মোহন মিয়াও একজন। তিনি বেশি বেতনে চাকরি দেওয়ার কথা বলে খসরু পারভেজ ভূঁইয়া মোহন কে সৌদি আরব যাওয়ার প্রস্তাব দেন। সে সুবাদে চুক্তি অনুযায়ী মোহন মিয়া সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা পরিশোধ করে সৌদি আরব যান গত বছর ২২ জানুয়ারি।

সৌদি আরব যাওয়ার পর সৌদি আরব যাওয়ার পর খসরো তার ভাড়া করা একটি বাড়িতে নিয়ে উঠান। চুক্তি অনুযায়ী মোহন মিয়া কে কাজ দেওয়া হয়নি এর মধ্যে মোহন মিয়ার কাছ থেকে পাসপোর্ট সহ সমস্ত কাগজপত্র নিয়ে যান খসরু।

মোহন কাঙ্ক্ষিত কাজ না পেলে চুক্তি অনুযায়ী আকামার কথা বলেন। এক পর্যায়ে খসরু তাকে জিম্মি করেন। পরে তার পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করলে সাড়ে ১১ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে মোহন দেশে ফিরেন।

অতিরিক্ত জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, এর সিআর নেত্রকোনা মোকদ্দমা নং-০৫/২৬, স্মারক নং-৪২৮ মোতাবেক চলতি বছর ৯জুন বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন, ২০১৩ এর ৩১/৩২/৩৩/৩৫/৩৬ ধারায় মোহন বাদী হয়ে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। 

ভুক্তভোগী মোহন মিয়া বলেন, পরিবারে আর্থিক সচ্ছলতার জন্য খসরুর ফাঁদে পড়ে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলাম। সৌদি আরব যাওয়ার পর পাসপোর্ট সহ সমস্ত কাগজপত্র নিয়ে যায় খসরু। কিন্তু সে আমার কাঙ্ক্ষিত কাজ না দিয়ে উল্টো জিম্মি করে মুক্তিপণ সাড়ে এগারো লাখ টাকা নিয়ে দেশে ফেরত পাঠায়। 

ইটনা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব রিয়াদ বলেন, খসরু পারভেজ ভূঁইয়া কয়েকদিন আগে সৌদি আরব থেকে বাড়ি আসেন। এর আগে তিনি সৌদি আরব অনেক লোক নিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে অনেক রকমের অভিযোগও শুনেছি। রবিনকে সৌদি আরব নেন খসরু।

নেওয়ার পর চুক্তি অনুযায়ী তাকে সৌদি আরবে একটি লাইসেন্স করে দেওয়ার কথা ছিল। এটি করে না দিয়ে খসরু গড়িমসি শুরু করেন। পরে আরও অতিরিক্ত টাকা দিয়ে রবিন সেখানে লাইসেন্স করে নেন। এই টাকা ফেরত এর জন্য মঙ্গলবার রাতে একটি সালিশি বৈঠক আমরা এলাকাবাসী বসি।

এ সময় নেত্রকোনার মদন থানায় মামলা থাকায় পুলিশ এসে তাকে গ্রেফতার করেন।

মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: সালাউদ্দীন করিম জানান, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসন আইন ২০১৩ অনুযায়ী খসরু পারভেজ ভূঁইয়া নামে এক সৌদি প্রবাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্য আসামিদেরকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।