বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ, রাতভর পাহারায় বিজিবি-স্থানীয়রা

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতীয় নাগরিকদের অবৈধভাবে বাংলাদেশে পুশইন (অনুপ্রবেশ) করানোর চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি ও স্থানীয় জনতা। সীমান্তে বিজিবি ও এলাকাবাসীর যৌথ পাহারা, টর্চলাইটের আলো এবং সতর্ক অবস্থানের মুখে শেষ পর্যন্ত ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ এই পুশইন চেষ্টা চালাতে ব্যর্থ হয়। স্থানীয় ও বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, […]

সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ, রাতভর পাহারায় বিজিবি-স্থানীয়রা

সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ, রাতভর পাহারায় বিজিবি-স্থানীয়রা

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১১:৩৫

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতীয় নাগরিকদের অবৈধভাবে বাংলাদেশে পুশইন (অনুপ্রবেশ) করানোর চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি ও স্থানীয় জনতা।

সীমান্তে বিজিবি ও এলাকাবাসীর যৌথ পাহারা, টর্চলাইটের আলো এবং সতর্ক অবস্থানের মুখে শেষ পর্যন্ত ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ এই পুশইন চেষ্টা চালাতে ব্যর্থ হয়।

স্থানীয় ও বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (৮ জুন) বিকেল থেকে শুরু করে মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত উপজেলার ভুন্দুরচর, উত্তর বারবান্দা, বড়াইবাড়ি, ঝাউবাড়ি, বকবান্ধা ও খেওয়ারচর সীমান্তের আন্তর্জাতিক সীমানা ১০৬৫-১০৬৯ নম্বর মেইন পিলার সংলগ্ন নো-ম্যান্স ল্যান্ড এলাকায় এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করে।


বিএসএফ কর্তৃক পুশইনের আশঙ্কায় সোমবার বিকেল থেকেই বিজিবির পাশাপাশি শত শত স্থানীয় বাসিন্দা লাঠিসোঁটা ও টর্চলাইট নিয়ে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে শক্ত পাহারায় বসেন। সারারাত ধরে চলা এই যৌথ প্রতিরোধের মুখে বিএসএফ তাদের পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে বাধ্য হয়।


এলাকাবাসী জানান, ভারতের অভ্যন্তর থেকে কিছু লোককে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছিল বিএসএফ। বিষয়টি টের পেয়ে বিজিবি জওয়ান ও স্থানীয় জনতা একজোট হয়ে সীমান্তে অবস্থান নেন। রাতভর সতর্ক চিৎকার ও টর্চলাইটের আলো ফেলে বিএসএফের যেকোনো ধরনের অবৈধ তৎপরতা রুখে দেওয়া হয়। সকাল পর্যন্ত এই কড়া পাহারা বজায় থাকায় অনুপ্রবেশের চেষ্টা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়।

সীমান্তের একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে, ভারতের আসাম এবং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বাংলাভাষী মুসলিম ও অন্যান্য বাসিন্দাদের ‘বাংলাদেশি’ আখ্যা দিয়ে আটক করছে সে দেশের পুলিশ। আটককৃত নারী, পুরুষ ও শিশুদের প্রথমে বিভিন্ন জেলার হোল্ডিং সেন্টারগুলোতে রাখা হয় এবং পরবর্তীতে তাদের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সম্প্রতি আসামের মানকারচর থানাধীন মানকারচর, কাকড়িপাড়া এবং সুদুরটিলা বিওপি সংলগ্ন ক্যাম্প ও বাড়িগুলোতে শতশত মানুষকে এনে জড়ো করেছে বিএসএফ। সেখান থেকে সুযোগ বুঝে তাদের ৬টি পয়েন্ট সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে পুশইন করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তবে সীমান্তবর্তী এলাকাবাসী ও বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে বিএসএফের এই প্রচেষ্টা বারবার নস্যাৎ হয়ে যাচ্ছে।

বড়াইবাড়ি সীমান্তের বাসিন্দা আমজাদ হোসেন জানান, ভারতের পুশইন ঠেকাতে গত কয়েকদিন ধরে দিন-রাত বিজিবি এবং আমরা এলাকাবাসী মিলে পাহারা দিচ্ছি। যাতে একটি লোককেও তারা এপারে পুশইন করতে না পারে। যতক্ষণ বুকে বল রয়েছে, ততক্ষণ পর্যন্ত ভারতের এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে এভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলবো।

স্থানীয় ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম বলেন, বিএসএফ ক্যাম্পগুলোতে শতশত মানুষকে ধরে এনে রাখা হয়েছে বাংলাদেশে পুশইন করার জন্য। গত শনিবার থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত তারা একাধিকবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে। গত তিন দিন ধরে বিজিবি ও এলাকাবাসী মিলে লাঠিসোঁটা নিয়ে দিন-রাত সীমান্ত পাহারা দিচ্ছেন।

বড়াইবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা ও কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমিন বলেন, পুশইন ঠেকাতে আমাদের বড়াইবাড়িসহ আশপাশের গ্রামের সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিজিবিকে সহযোগিতা করছে। ভারত যাতে কোনোভাবেই কোনো লোককে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করাতে না পারে, সে জন্য সবাই সতর্ক।

তিনি আরও বলেন, সীমান্তে বাড়তি নিরাপত্তা হিসেবে স্থানীয় প্রশাসন চাইলে আনসার-ভিডিপি ও চৌকিদারদেরও টহলটিম হিসেবে যুক্ত করতে পারে। কারণ স্থানীয়রা গত কয়েকদিন ধরে একটানা পাহারা দিয়ে যাচ্ছেন।

রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলাউদ্দিন জানান, সীমান্তে পুশইনের বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে বিজিবির পাশাপাশি আনসার-ভিডিপি এবং গ্রাম পুলিশ দিয়ে যৌথ টহলের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে জামালপুর ৩৫ বিজিবির সহকারী পরিচালক মো. ইমাম হোসেন বলেন, গত কয়েকদিন ধরে রৌমারী সীমান্তে বিএসএফ ভারতীয় নাগরিকদের পুশইন করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে বিজিবি সাধারণ জনগণকে সাথে নিয়ে সীমান্তে পুশইন ঠেকাতে অত্যন্ত শক্ত অবস্থানে রয়েছে। সীমান্তে ইতোমধ্যেই বিজিবির টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিএসএফ যাতে কোনোভাবেই কোনো নাগরিককে পুশইন করতে না পারে, সে জন্য বিজিবি সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।