মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ, রাতভর পাহারায় বিজিবি-স্থানীয়রা

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতীয় নাগরিকদের অবৈধভাবে বাংলাদেশে পুশইন (অনুপ্রবেশ) করানোর চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি ও স্থানীয় জনতা। সীমান্তে বিজিবি ও এলাকাবাসীর যৌথ পাহারা, টর্চলাইটের আলো এবং সতর্ক অবস্থানের মুখে শেষ পর্যন্ত ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ এই পুশইন চেষ্টা চালাতে ব্যর্থ হয়। স্থানীয় ও বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, […]

সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ, রাতভর পাহারায় বিজিবি-স্থানীয়রা

সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ, রাতভর পাহারায় বিজিবি-স্থানীয়রা

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১১:৩৫

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতীয় নাগরিকদের অবৈধভাবে বাংলাদেশে পুশইন (অনুপ্রবেশ) করানোর চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি ও স্থানীয় জনতা।

সীমান্তে বিজিবি ও এলাকাবাসীর যৌথ পাহারা, টর্চলাইটের আলো এবং সতর্ক অবস্থানের মুখে শেষ পর্যন্ত ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ এই পুশইন চেষ্টা চালাতে ব্যর্থ হয়।

স্থানীয় ও বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (৮ জুন) বিকেল থেকে শুরু করে মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত উপজেলার ভুন্দুরচর, উত্তর বারবান্দা, বড়াইবাড়ি, ঝাউবাড়ি, বকবান্ধা ও খেওয়ারচর সীমান্তের আন্তর্জাতিক সীমানা ১০৬৫-১০৬৯ নম্বর মেইন পিলার সংলগ্ন নো-ম্যান্স ল্যান্ড এলাকায় এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করে।


বিএসএফ কর্তৃক পুশইনের আশঙ্কায় সোমবার বিকেল থেকেই বিজিবির পাশাপাশি শত শত স্থানীয় বাসিন্দা লাঠিসোঁটা ও টর্চলাইট নিয়ে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে শক্ত পাহারায় বসেন। সারারাত ধরে চলা এই যৌথ প্রতিরোধের মুখে বিএসএফ তাদের পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে বাধ্য হয়।


এলাকাবাসী জানান, ভারতের অভ্যন্তর থেকে কিছু লোককে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছিল বিএসএফ। বিষয়টি টের পেয়ে বিজিবি জওয়ান ও স্থানীয় জনতা একজোট হয়ে সীমান্তে অবস্থান নেন। রাতভর সতর্ক চিৎকার ও টর্চলাইটের আলো ফেলে বিএসএফের যেকোনো ধরনের অবৈধ তৎপরতা রুখে দেওয়া হয়। সকাল পর্যন্ত এই কড়া পাহারা বজায় থাকায় অনুপ্রবেশের চেষ্টা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়।

সীমান্তের একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে, ভারতের আসাম এবং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বাংলাভাষী মুসলিম ও অন্যান্য বাসিন্দাদের ‘বাংলাদেশি’ আখ্যা দিয়ে আটক করছে সে দেশের পুলিশ। আটককৃত নারী, পুরুষ ও শিশুদের প্রথমে বিভিন্ন জেলার হোল্ডিং সেন্টারগুলোতে রাখা হয় এবং পরবর্তীতে তাদের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সম্প্রতি আসামের মানকারচর থানাধীন মানকারচর, কাকড়িপাড়া এবং সুদুরটিলা বিওপি সংলগ্ন ক্যাম্প ও বাড়িগুলোতে শতশত মানুষকে এনে জড়ো করেছে বিএসএফ। সেখান থেকে সুযোগ বুঝে তাদের ৬টি পয়েন্ট সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে পুশইন করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তবে সীমান্তবর্তী এলাকাবাসী ও বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে বিএসএফের এই প্রচেষ্টা বারবার নস্যাৎ হয়ে যাচ্ছে।

বড়াইবাড়ি সীমান্তের বাসিন্দা আমজাদ হোসেন জানান, ভারতের পুশইন ঠেকাতে গত কয়েকদিন ধরে দিন-রাত বিজিবি এবং আমরা এলাকাবাসী মিলে পাহারা দিচ্ছি। যাতে একটি লোককেও তারা এপারে পুশইন করতে না পারে। যতক্ষণ বুকে বল রয়েছে, ততক্ষণ পর্যন্ত ভারতের এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে এভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলবো।

স্থানীয় ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম বলেন, বিএসএফ ক্যাম্পগুলোতে শতশত মানুষকে ধরে এনে রাখা হয়েছে বাংলাদেশে পুশইন করার জন্য। গত শনিবার থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত তারা একাধিকবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে। গত তিন দিন ধরে বিজিবি ও এলাকাবাসী মিলে লাঠিসোঁটা নিয়ে দিন-রাত সীমান্ত পাহারা দিচ্ছেন।

বড়াইবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা ও কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমিন বলেন, পুশইন ঠেকাতে আমাদের বড়াইবাড়িসহ আশপাশের গ্রামের সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিজিবিকে সহযোগিতা করছে। ভারত যাতে কোনোভাবেই কোনো লোককে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করাতে না পারে, সে জন্য সবাই সতর্ক।

তিনি আরও বলেন, সীমান্তে বাড়তি নিরাপত্তা হিসেবে স্থানীয় প্রশাসন চাইলে আনসার-ভিডিপি ও চৌকিদারদেরও টহলটিম হিসেবে যুক্ত করতে পারে। কারণ স্থানীয়রা গত কয়েকদিন ধরে একটানা পাহারা দিয়ে যাচ্ছেন।

রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলাউদ্দিন জানান, সীমান্তে পুশইনের বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে বিজিবির পাশাপাশি আনসার-ভিডিপি এবং গ্রাম পুলিশ দিয়ে যৌথ টহলের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে জামালপুর ৩৫ বিজিবির সহকারী পরিচালক মো. ইমাম হোসেন বলেন, গত কয়েকদিন ধরে রৌমারী সীমান্তে বিএসএফ ভারতীয় নাগরিকদের পুশইন করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে বিজিবি সাধারণ জনগণকে সাথে নিয়ে সীমান্তে পুশইন ঠেকাতে অত্যন্ত শক্ত অবস্থানে রয়েছে। সীমান্তে ইতোমধ্যেই বিজিবির টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিএসএফ যাতে কোনোভাবেই কোনো নাগরিককে পুশইন করতে না পারে, সে জন্য বিজিবি সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।