সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

কৃষি ও পরিবেশের উন্নয়নে মৃত খালগুলো খনন করা হচ্ছে : এমপি বাবুল

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি  লালমনিরহাট জেলার কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে মৃত খাল পুনঃখনন ও সংস্কারের এক বিশাল কর্মযজ্ঞ। ‘অতিদরিদ্রের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি)’ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে জেলার পাঁচটি উপজেলাতেই এই কার্যক্রম এখন দৃশ্যমান। ২০২৬ সালের মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি লালমনিরহাটের […]

কৃষি ও পরিবেশের উন্নয়নে মৃত খালগুলো খনন করা হচ্ছে : এমপি বাবুল

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৪ মে ২০২৬, ২১:৩৪

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি 

লালমনিরহাট জেলার কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে মৃত খাল পুনঃখনন ও সংস্কারের এক বিশাল কর্মযজ্ঞ। ‘অতিদরিদ্রের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি)’ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে জেলার পাঁচটি উপজেলাতেই এই কার্যক্রম এখন দৃশ্যমান। ২০২৬ সালের মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি লালমনিরহাটের গ্রামীণ অর্থনীতিতে এক নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে।

৪ মে (সোমবার) পাটগ্রাম ও হাতীবান্ধা উপজেলার হোসনাবাদ (জিয়া খাল) বড়ঝার মসজিদের সামনে থেকে সরওয়ার্দী বাড়ির খুটামারা নদী পর্যন্ত খাল খনন প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করেছেন লালমনিরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান।

হোসনাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। উল্লেখ্য, ১৯৮১ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই খুটামারা খালটি খনন করেছিলেন, যা স্থানীয়দের কাছে ‘জিয়া খাল’ হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে ভরাট হয়ে যাওয়া এই খালটি এখন পুনঃখনন করা হচ্ছে।

প্রকল্পের একনজরে পরিসংখ্যান ১.৯৫ কিলোমিটার লম্বা এবং পাড়সহ ১৪.৯০ মিটার চওড়া। মোট ব্যয় প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা। ৪৩ দিনের এই প্রকল্পে ৫১৬ জন উপকারভোগী শ্রমিক হিসেবে কাজ করছেন, যাদের দৈনিক মজুরি ৫০০ টাকা।

লালমনিরহাটের প্রতিটি উপজেলায় এখন মৃত খালগুলো সচল করার কাজ চলছে। জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে চলমান প্রধান প্রকল্পগুলো হলো লালমনিরহাট সদর কুলাঘাট ইউনিয়নের বড়ুয়া খাল পুনঃখনন কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। এতে সদর উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় জলাবদ্ধতা দূর হবে। কালীগঞ্জ দলগ্রাম ইউনিয়নের বলাইয়েরপাট খাল খনন করা হচ্ছে। এর ফলে বোরো মৌসুমে সেচ খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে বলে আশা করছেন কৃষকরা। আদিতমারী এই উপজেলার রত্নাই খাল খনন প্রকল্পের প্রায় ৮৫% কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। কাজের গুণগত মান বজায় রাখতে বর্তমানে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে। হাতীবান্ধা সিঙ্গীমারীসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে মৃত খাল ও জলাশয় সংস্কারের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে, যার উদ্বোধন করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য।

অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত প্রভাবে কৃষিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে সরকার আগামী ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের যে পরিকল্পনা নিয়েছে, লালমনিরহাট জেলা তার অন্যতম সফল অংশীদার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে। এই উদ্যোগের বহুমুখী সুফলগুলো হলো কৃষি বিপ্লব মৃত খাল সচল হওয়ায় ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বাড়বে, যা বোরো চাষে সেচ খরচ কমিয়ে দেবে। বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশন সহজ হবে, ফলে ফসলি জমি তলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমবে। খালের গভীরতা বাড়ায় স্থানীয়রা সেখানে মাছ চাষ করতে পারবেন। এছাড়া খালের দুই পাড়ে ফলজ ও বনজ গাছ লাগিয়ে পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা রাখা হচ্ছে। ইজিপিপি প্রকল্পের আওতায় হাজার হাজার অতিদরিদ্র মানুষের তাৎক্ষণিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান বলেন, “আমাদের দেশ কৃষিপ্রধান। কৃষকের উন্নয়ন ও অধিক ফসল ফলানোর চিন্তা থেকেই এই খাল খনন কর্মসূচি। এটি কেবল পানি সরবরাহই নিশ্চিত করবে না, বরং এখানে মৎস্য চাষ ও বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি স্বাবলম্বী হবে।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পাটগ্রাম উপজেলার অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা দেব জন মিত্র, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব সফিকার রহমান, সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিউর রহমান সোহেল এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আতাউর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

অতীতের যেকোনো অনিয়ম রুখতে বর্তমানে প্রতিটি প্রকল্পের কাজের মান কঠোরভাবে মনিটরিং করছে স্থানীয় প্রশাসন। লালমনিরহাটের এই খাল খনন কর্মসূচি সফল হলে জেলার কয়েক লাখ কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন এবং কৃষি উৎপাদনে জেলাটি এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।