শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

দুর্গাপুরে ভূমি অফিসের গাছের ডাল ভেঙে পড়ল মাথার উপর, চিকিৎসা ব্যয় নিয়ে বিপাকে 

নূর আলম দুর্গাপুর(নেত্রকোণা)প্রতিনিধি: ফারুক মিয়া (৩০)। শিশুকালে মা মারা যায় কিশোর কালে বাবা। এরপর থেকেই আশপাশের মানুষের সহযোগীতায় বেড়ে উঠা। জীবন বাঁচাতে জীবিকার যোগানে দেন চায়ের দোকান। এভাবেই চলতে থাকে কিন্তু এবার সরকারি গাছের ডাল ভেঙে মাথায় পড়ে জীবন সংকটাপন্ন তার। এখন হাসপাতালে শুয়ে কাতরাচ্ছে আর বাঁচার আকুতি। নেত্রকোণার দুর্গাপুর পৌর শহরের চক লেঙ্গুরা এলাকার […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৯:৫৪

নূর আলম দুর্গাপুর(নেত্রকোণা)প্রতিনিধি:
ফারুক মিয়া (৩০)। শিশুকালে মা মারা যায় কিশোর কালে বাবা। এরপর থেকেই আশপাশের মানুষের সহযোগীতায় বেড়ে উঠা। জীবন বাঁচাতে জীবিকার যোগানে দেন চায়ের দোকান। এভাবেই চলতে থাকে কিন্তু এবার সরকারি গাছের ডাল ভেঙে মাথায় পড়ে জীবন সংকটাপন্ন তার। এখন হাসপাতালে শুয়ে কাতরাচ্ছে আর বাঁচার আকুতি।
নেত্রকোণার দুর্গাপুর পৌর শহরের চক লেঙ্গুরা এলাকার মৃত আব্দুল গণির ছেলে ফারুক। আপনজন বলতে কেউ নাই। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে নিজ চায়ের দোকানের পাশেই ভূমি অফিসের মরা গাছের ডাল ভেঙে মাথায় পড়ে আঘাত প্রাপ্ত হয়। ওই আঘাতের পরপর প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা নিলেও দুই হাত-দুই পা এখন অচলের মতো। তার চিকিৎসার জন্য আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা প্রয়োজন বলে জানা গেছে।
জানা যায়,গতকাল মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে দুর্গাপুর পৌর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের একটি মরা গাছের ডাল ভেঙে পড়ে ফারুকের উপর। তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে তখন স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম, বুলবুল ও রাকিব তাকে ময়মনসিংহের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে গিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করান পরে জানতে পারেন মারাত্মক মাথায় আঘাত পেয়েছে ফারুক। এ-সময় চিকিৎসরা জানায় অপারেশনসহ দ্রুত চিকিৎসা করাতে আড়াই থেকে তিন লাখ টাকার প্রয়োজন পরে সেখান থেকে পূনরায় দুর্গাপুর ফিরিয়ে এনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়।
এদিকে ফারুকের চিকিৎসার জন্য আজ বুধবার সকালে টাকা সংগ্রহে নেমেছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা এরপর দুপুরের দিকে উপজেলা প্রশাসন ছুটে আসেন হাসপাতালে এবং সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম জানান,ছেলেটির আপনজন কেউ নেই। গতকাল এ দূর্ঘটনার পর থেকে আমরা প্রাথমিক চিকিৎসার সব ধরনের চেষ্টা করছি। কিন্তু তার চিকিৎসার জন্য প্রায় তিন লাখ টাকা প্রয়োজন এই মূহুর্তে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন নেত্রকোনা জেলা শাখার যুগ্ম আহবায়ক রাতুল খান রুদ্র বলেন, আজ সকালে ফারুক ভাইয়ের খারাপ অবস্থার কথা শুনে আমরা এগিয়ে এসেছি তার চিকিৎসার জন্য অনেক টাকা প্রয়োজন। আমরা টাকা সংগ্রহে কাজ করছি। কিন্তু সবার এগিয়ে আসার অনুরোধ জানাচ্ছি।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবাসিক মেডিকেল অফিসার মো. তানজিরুল ইসলাম রায়হান বলেন,মাথার উপরে গাছ পড়ার কারণে ঘাড় থেকে পা পর্যন্ত সবটুকু জায়গাই অচলের মতো অবস্থায় আছে। প্রাথমিকভাবে আমরা তাকে চিকিৎসা দিচ্ছি কিন্তু এটা অপারেশন লাগবে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নাভিদ রেজওয়ানুল কবীর বলেন, আহত ফারুকের চিকিৎসার বিষয়ে সরকারিভাবে সহযোগিতার কার্যক্রম চলমান আছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সঙ্গে সার্বক্ষণিক আমরা যোগাযোগ রাখছি এবং আজকে সন্ধ্যার মধ্যে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে আশা করছি। যেহেতু তার আপনজন বলতে কেউ নেই এবং তার চিকিৎসা ব্যয়বহুল তাই সরকারি সহযোগিতার পাশাপাশি ব্যক্তিগত সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। তিনি আরও বলেন, ইতিমধ্যে ভূমি অফিসের মরা গাছটি অপসারণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।