শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সাদামাটির নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ভরা দুর্গাপুর

নূর আলম, দুর্গাপুর(নেত্রকোণা) প্রতিনিধি – নৈসর্গিক সাদামাটির পাহাড়ের সৌন্দর্যকে ঘিরে নেত্রকোণায় রয়েছে পর্যটনের অপার সম্ভাবনা। সাদামাটি ভৌগলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) হিসেবে স্বীকৃত পাওয়ায় এর কদর বেড়েছে সর্বত্র। এই স্বীকৃতি এ অঞ্চলকে দিয়েছে ভিন্ন মাত্রা। বিজয়পুরের সাদামাটি খনিজ প্রকল্প এলাকায় গোলাপী,কালো,খয়েরি, বেগুনী,নীল সহ আরও কয়েক রঙের মাটির স্তর রয়েছে। দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে দিনদিন স্থানটির গুরুত্ব বাড়ছে। […]

নিউজ ডেস্ক

০১ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৬:০০

নূর আলম, দুর্গাপুর(নেত্রকোণা) প্রতিনিধি –
নৈসর্গিক সাদামাটির পাহাড়ের সৌন্দর্যকে ঘিরে নেত্রকোণায় রয়েছে পর্যটনের অপার সম্ভাবনা। সাদামাটি ভৌগলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) হিসেবে স্বীকৃত পাওয়ায় এর কদর বেড়েছে সর্বত্র। এই স্বীকৃতি এ অঞ্চলকে দিয়েছে ভিন্ন মাত্রা। বিজয়পুরের সাদামাটি খনিজ প্রকল্প এলাকায় গোলাপী,কালো,খয়েরি, বেগুনী,নীল সহ আরও কয়েক রঙের মাটির স্তর রয়েছে।
দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে দিনদিন স্থানটির গুরুত্ব বাড়ছে। এছাড়া অর্থনৈতিকভাবেও সম্ভাবনা দেখাচ্ছে সাদামাটি। এই সাদা মাটি চিনামাটি হিসেবেও পরিচিত।
ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমান্তঘেঁষা নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলা। দুই সীমানায় পাহাড়,মাঝখান দিয়ে বয়ে চলেছে সোমেশ্বরী নদী। গত কয়েক বছরে এই অঞ্চলে এসেছে আমূল পরিবর্তন। ইন্টারনেট আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচিতি ঘটছে সবার কাছে। প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে লাখো পর্যটক ভিড় করেন আশপাশের বিভিন্ন স্পটে। তবে সবার আকর্ষণ সাদা মাটির পাহাড়। অক্টোবর থেকে মার্চের শেষ পর্যন্ত পর্যটকদের আনাগোনা থেকে সবচেয়ে বেশি। তাদের ঘিরে স্থানীয় অনেকের রোজগার।
স্থানীয়দের মতে,আগের চেয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হওয়ায় সহজেই মানুষ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে ছুটে যেতে পারছেন সীমান্তের কাছে। এখানে আসতে প্রায় প্রতিটি সড়ক এখন পাকা। সম্ভাবনাময় এই পর্যটনকে কেন্দ্র করে পর্যটন শিল্পের জন্য অবকাঠামোসহ পর্যটকদের থাকা-খাওয়ার সুব্যবস্থা করলে এ অঞ্চলের মানুষের কর্মসংস্থান বাড়বে। এছাড়া এলাকায় অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি পর্যটন খাত থেকে বছরে অন্তত শত কোটি টাকার রাজস্ব আয়ও।
আরজ আলী (৬৫)। ঘুরতে আসা ওই পর্যটকদের গান শুনিয়ে মাতিয়ে তোলাই হচ্ছে তার পেশা। সারাদিনই সাদা মাটির পাহাড়ে বিচরণ তার। সে পর্যটকদের গান শুনিয়ে থাকে তার গানে মুগ্ধ হয়ে ১০-২০ টাকা করে বকশিস দেন। দিন শেষে যা পান তা দিয়েই চলে আরজ আলী বাউলের সংসার।
স্থানীয় ইজিবাইক চালক লিকত আলী (৩২)। পর্যটক ঘিরেই তার রোজগার। তবে শীত মৌসুম এলেই বাড়ে রোজগার। তিনি বলেন,আমি পর্যটকদের বিভিন্ন স্পষ্টে ঘুরাই। আমার রোজগার তাদের থেকেই। সারা বছরের মধ্যে  এই শীতকালেই বেশি আসেন। বাকি সময়টা অল্প সংখ্যক মানুষ আসেন তখন কিন্তু ইনকাম একদমই কম থাকে। আমার মতো অনেকেই অটো চালিয়ে সংসার চালান।
সাদা মাটির পাহাড়ে বেড়াতে আসা পর্যটকদের ছবি তুলে দেয় ফটোগ্রাফার দিদারুল ইসলাম (২৫)। গত দুই বছর ধরে এইখানে রয়েছেন। তিনি বলেন,এখানে ঘুরতে আসা পর্যটকদের ছবি তুলে দেয় আমি তারাও এখানকার সৌন্দর্যের সাথে নিজের ক্যামেরাবন্দি করে বাসায় নিয়ে যেতে পেরে অনেক আনন্দিত হয়।  শীতকালেই পর্যটকদের সিজন বলা যায় তখন আমাদের রোজগার বাড়ে।
কেবল আরজ আলী,ফটোগ্রাফার দিদারুল ইসলাম,ইজিবাইক চালক লিকত আলী নন কয়েক হাজার মানুষের রোজগার সেখানকার পর্যটক ঘিরেই। সম্ভাবনাময় এই উপজেলা ঘিরে স্থানীয় অর্থনীতির খাতের বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা সম্ভব বলে মনে করছেন স্থানীয় ও পর্যটকরা। শুধু প্রয়োজন পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন।
স্থানীয় বাসিন্দা প্রবীর পালোয়ান বলেন,এখানে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বিদ্যমান। আমাদের এলাকায় অনেক মানুষ ঘুরতে আসেন কিন্তু তারা একটু কষ্ট পড়েন যেমন টয়লেট ব্যবস্থা,ক্লান্ত হয়ে গেলে কোনোরকম বিশ্রাম নেয়ার ব্যবস্থা নাই। বিভিন্ন সময় তারা আমাদের বাড়িতে আসলে আমরাও সহযোগিতার কমতি রাখি না।
যশোর থেকে ঘুরতে আসা হাসিবুল হক বলেন,এখানে পর্যটনের মতো এতো সুন্দর সুন্দর উপাদান আছে, যা রাঙ্গামাটি কিংবা সিলেটের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। আমি কেবল মোবাইলে দেখেছি এই প্রথম আমি এসেছি কিন্তু এখানকার কিছু সমস্যা রয়েছে সেটা হলো পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা ও নিরাপত্তা নেই। একটি পর্যটন এলাকায় যা যা থাকা দরকার তার অনেক কিছুই নেই। যদি এগুলোর সু-ব্যবস্থা করা যায় তাহলে এ এলাকাও পর্যটনে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে সন্দেহ নেই।
অপর পর্যটক জামিউল হাসান পরিবার নিয়ে এসেছেন তিনি বলেন,সত্যিই চমৎকার জায়গা এই দুর্গাপুরে রয়েছে। যেকেউ আসলে বলতে পারবে না যে কোনো দিকে ভালো লাগেনি সব কিছুই মনোমুগ্ধকর। কিন্তু আমরা কিছু কষ্ট পোহাতে হয় যেমন দূর থেকে পরিবার নিয়ে এসে প্রয়োজনে টয়লেট,বিশ্রাম নেওয়ার জন্য স্থাপনাসহ নানা কারনে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। তাই আমাদের দাবী এইসব বিষয়গুলো প্রশাসন সঠিক উদ্যোগ নেওয়ার।
পর্যটকের কথা চিন্তা করে কাজ করা হচ্ছে বলে জানায় উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. নাভিদ রেজওয়ান কবীর বলেন, এই উপজেলায় পর্যটনের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। আমি সদ্য যোগদান করেছি। আমি পর্যটন খাতের বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে অবহিত হয়েছি। পর্যটকদের যে সমস্যায় পড়তে হয় তা লাঘব করার জন্য কাজ করছি। আশা করছি যে পর্যটকদের আমরা একটি সুন্দর পরিবেশ প্রদান করতে পারবো।
২০২১ সালের ১৭ জুন জিআই পণ্য সনদ পায় এ দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুরের পর্যটন স্পষ্ট সাদা মাটি। সাদামাটির পাহাড় ছাড়াও পাহাড়ি কন্যা নামে খ্যাত সোমেশ্বরী নদী,বিজয়পুর জিরো পয়েন্ট,কমলা বাগান,রানীখং মিশন,কমরেড মণি সিংহ স্মৃতি জাদুঘর,সুসঙ্গ রাজবাড়ি, কমরেড মণি সিংহের বসত ভিটা,ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কালচারাল একাডেমি,ভবানীপুর বটতলা,রাশি মনি স্মৃতিসৌধ,পাহাড়ি নৃ-গোষ্ঠির পাহাড়,ফান্দা ভ্যালিসহ রয়েছে ছোট-বড় অসংখ্য পর্যটন স্পট।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।