মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজধানী

হাদির রক্তের শপথ : ‘আমরা প্রত্যেকে এখন হাদি’

আওয়ামী ফ্যাসিবাদ ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে কণ্ঠস্বর জারি রেখে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করা জুলাই বিপ্লবী শরীফ ওসমান হাদির রক্তের শপথ নিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তার মৃত্যুর খবরে ‘আমরা প্রত্যেকে এখন হাদি’ প্রত্যয়ে উত্তাল হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস। বৃহস্পতিবার রাতে হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে রাত ১০টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের […]

হাদির রক্তের শপথ : ‘আমরা প্রত্যেকে এখন হাদি’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৪:২০

আওয়ামী ফ্যাসিবাদ ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে কণ্ঠস্বর জারি রেখে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করা জুলাই বিপ্লবী শরীফ ওসমান হাদির রক্তের শপথ নিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তার মৃত্যুর খবরে ‘আমরা প্রত্যেকে এখন হাদি’ প্রত্যয়ে উত্তাল হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস।

বৃহস্পতিবার রাতে হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে রাত ১০টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা।

‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’, ‘গোলামি না আজাদি, আজাদি আজাদি’, ‘আমরা সবাই হাদি হবো, গুলির মুখে কথা ক’বো’, ‘ইনকিলাব ইনকিলাব জিন্দাবাদ’- এমন স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে ক্যাম্পাস।

প্রতিটি হল থেকে আলাদা আলাদা মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা রাজু ভাস্কর্য এলাকায় জড়ো হতে থাকেন। মিছিল ও সমাবেশে শিক্ষার্থীরা হাদির আত্মত্যাগকে জুলাই আন্দোলনের ধারাবাহিক সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন।

বিক্ষোভে অংশ নিয়ে রিয়াদুল ইসলাম নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, যুগে যুগে আবরার ফাহাদ আর ওসমান হাদিরা ফিরে আসবে। ওসমান হাদিদের হত্যা করে নিঃশেষ করা যায় না। শহীদ ওসমান হাদি যে দাবানল পুরো দেশজুড়ে ছড়িয়ে দিয়েছে, তা একদিন আগ্নেয়গিরি হয়ে ফিরে আসবে।

তিনি আরও বলেন, আজ আমাদের হাদি নেই। কিন্তু এখন থেকে আমরা সবাই হাদি। আমরা প্রত্যেকে হাদির প্রতিনিধিত্ব করব।

সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, হাদির রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে তারা ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও অভ্যন্তরীণ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আজীবন লড়াই চালিয়ে যাবেন।

হাবিবুর রহমান নামের এম শিক্ষার্থী বলেন, আমরা যতদিন বেঁচে থাকব, আমাদের প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম এই সংগ্রাম চলবে। ভারতের আগ্রাসন ও আধিপত্যবাদকে আমরা কখনোই অগ্রসর হতে দেব না।”

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, যারা হত্যার পরও সুশীলতার কথা বলে, যারা ভারতের পক্ষে অবস্থান নেয়, তাদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে। সত্যকে হাতে রেখে রাজপথেই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা হাদির রক্তের শপথ নিয়ে বলেন, শহীদ ওসমান হাদির রক্তের শপথ, আজ থেকে আমরা প্রত্যেকে ওসমান হাদি। আওয়ামী ফ্যাসিবাদ ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে রাজপথে আমাদের কন্ঠস্বর সমুন্নত থাকবে। আমরাও রাজপথে শহীদ হব।

শিক্ষার্থীরা বলেন, এই দেশকে দিল্লি বা পিন্ডির নির্দেশে নয়, ঢাকার জনগণের ইচ্ছায় চলতে হবে। এই দেশে কোনো কেন্দ্রীয় আধিপত্য, কোনো দিল্লির দাসত্ব চলবে না।

রাজধানী

আত্মহত্যার আগে ফেসবুকে আবেগঘন পোস্ট,‘তোমার অভাবেই শেষ হয়ে গেলাম’

রাজধানীর ডেমরা পুলিশ লাইন্সে সাইদুল ইসলাম (২১) নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) ভোরে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে জানিয়েছে পুলিশ। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় নয় মাস আগে বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে যোগ দেন সাইদুল। […]

আত্মহত্যার আগে ফেসবুকে আবেগঘন পোস্ট,‘তোমার অভাবেই শেষ হয়ে গেলাম’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৭ জুলাই ২০২৬, ১৭:৫৩

রাজধানীর ডেমরা পুলিশ লাইন্সে সাইদুল ইসলাম (২১) নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) ভোরে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় নয় মাস আগে বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে যোগ দেন সাইদুল। তিনি ডেমরা পুলিশ লাইন্সের একটি বহুতল ভবনের নবম তলায় থাকতেন। বৃহস্পতিবার রাতে নিজ কক্ষে গলায় ফাঁস দেন বলে অভিযোগ। পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যান।

ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে স্ত্রীকে নিয়ে কিছু পুরোনো ছবি সংযুক্ত করে একটি আবেগঘন পোস্ট করেছিলেন সাইদুল। ওই পোস্টে তিনি ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন, মানসিক কষ্ট এবং পরিবারের কাছে ক্ষমা চাওয়ার কথা উল্লেখ করেন। পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করা হয়েছে। পুলিশ মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ যদি আত্মহত্যার চিন্তা বা তীব্র মানসিক সংকটে ভুগে থাকেন, তাহলে বিশ্বস্ত পরিবারের সদস্য, বন্ধু বা একজন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করা গুরুত্বপূর্ণ। জরুরি ঝুঁকি থাকলে স্থানীয় জরুরি সেবার সহায়তা নেওয়া উচিত।

রাজধানী

পল্লবীতে ৭ বছরের শিশুকে গলা কেটে হত্যা: অভিযুক্ত সোহেল ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে (৩৪) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোস্তাক সরকার জানান, আসামিকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত জানানো হবে। এর আগে আজ বেলা সাড়ে ১১টার […]

নিউজ ডেস্ক

১৯ মে ২০২৬, ২২:৪৬

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে (৩৪) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোস্তাক সরকার জানান, আসামিকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

এর আগে আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মিরপুর–১১ নম্বরের সেকশনের বি ব্লকের সাত নম্বর সড়কের ৩৯ নম্বর বাড়ির তিনতলার একটি ফ্ল্যাট থেকে রামিসার খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। শিশুটিকে হত্যার পর তার মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়। বিচ্ছিন্ন মাথা শৌচাগারে পাওয়া যায়। শিশুটির শরীরের মূল অংশটি পাওয়া যায় খাটের নিচ থেকে।

পুলিশ জানায়, সোহেল রানা ওই কক্ষে দুই মাস আগে স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস শুরু করেন। ঘটনার পর তিনি শৌচাগারের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। তবে ওই বাসা থেকে তাঁর স্ত্রীকে তখনই আটক করা হয়।

পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, শিশুটির নিখোঁজের এক ঘণ্টার মধ্যেই পাশের ফ্ল্যাট থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়। শিশুটিকে হত্যা করা হয় আজ সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১১টার মধ্যে। ৯৯৯ নম্বরে সংবাদ পেয়ে বেলা ১১টার পর শিশুটির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ ও পরিবার জানায়, রামিসা আক্তার স্থানীয় একটি স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ত। তাঁর বাবার নাম আবদুল হান্নান মোল্লা। তিনি একটি রিকুটিং এজেন্সিতে চাকরি করেন। মায়ের নাম পারভীন আক্তার। তাঁদের দুই মেয়ের মধ্যে রামিসা ছোট। বড় মেয়ে রাইসা আক্তার স্থানীয় একটি স্কুলের নবম শ্রেণিতে পড়ে।

পরিবারটি প্রায় ১৭ বছর ধরে পল্লবীর মিরপুর–১১ নম্বরের সেকশনের বি ব্লকের সাত নম্বর সড়কের ৩৯ নম্বর বাড়ির তিনতলার উত্তর
পাশের ফ্ল্যাটে বসবাস করছে। শিশুটির লাশ পাওয়া যায় পাশের ফ্ল্যাটের একটি কক্ষ থেকে।

রাজধানী

জাহাঙ্গীর গেইটের রাস্তায় লাশ , পাশে ভাঙাচোরা বাইক

রাজধানীর জাহাঙ্গীর গেইট এলাকার রাস্তায় এক ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। ঘটনাস্থলের পাশে একটি ভাঙাচোরা মোটরসাইকেল পড়ে থাকতে দেখা যায়। এতে ওই ব্যক্তির সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রোববার রাতে জাহাঙ্গীর গেইটের সড়কে লাশটি পড়ে থাকতে দেখা যায় বলে জানা গেছে। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা […]

জাহাঙ্গীর গেইটের রাস্তায় লাশ , পাশে ভাঙাচোরা বাইক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৯ আগস্ট ২০২৬, ০০:১৬

রাজধানীর জাহাঙ্গীর গেইট এলাকার রাস্তায় এক ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। ঘটনাস্থলের পাশে একটি ভাঙাচোরা মোটরসাইকেল পড়ে থাকতে দেখা যায়। এতে ওই ব্যক্তির সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

রোববার রাতে জাহাঙ্গীর গেইটের সড়কে লাশটি পড়ে থাকতে দেখা যায় বলে জানা গেছে। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা মোটরসাইকেলটির বিভিন্ন অংশ ভাঙাচোরা অবস্থায় ছিল।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কোনো দুর্ঘটনার পর ওই ব্যক্তি রাস্তায় পড়ে থাকতে পারেন। তবে কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে এবং নিহত ব্যক্তি মোটরসাইকেলটির চালক ছিলেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঘটনার খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন বলে জানা গেছে। নিহত ব্যক্তির পরিচয় এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানার চেষ্টা চলছে।