বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজধানী

হাদির রক্তের শপথ : ‘আমরা প্রত্যেকে এখন হাদি’

আওয়ামী ফ্যাসিবাদ ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে কণ্ঠস্বর জারি রেখে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করা জুলাই বিপ্লবী শরীফ ওসমান হাদির রক্তের শপথ নিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তার মৃত্যুর খবরে ‘আমরা প্রত্যেকে এখন হাদি’ প্রত্যয়ে উত্তাল হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস। বৃহস্পতিবার রাতে হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে রাত ১০টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের […]

হাদির রক্তের শপথ : ‘আমরা প্রত্যেকে এখন হাদি’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৪:২০

আওয়ামী ফ্যাসিবাদ ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে কণ্ঠস্বর জারি রেখে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করা জুলাই বিপ্লবী শরীফ ওসমান হাদির রক্তের শপথ নিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তার মৃত্যুর খবরে ‘আমরা প্রত্যেকে এখন হাদি’ প্রত্যয়ে উত্তাল হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস।

বৃহস্পতিবার রাতে হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে রাত ১০টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা।

‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’, ‘গোলামি না আজাদি, আজাদি আজাদি’, ‘আমরা সবাই হাদি হবো, গুলির মুখে কথা ক’বো’, ‘ইনকিলাব ইনকিলাব জিন্দাবাদ’- এমন স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে ক্যাম্পাস।

প্রতিটি হল থেকে আলাদা আলাদা মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা রাজু ভাস্কর্য এলাকায় জড়ো হতে থাকেন। মিছিল ও সমাবেশে শিক্ষার্থীরা হাদির আত্মত্যাগকে জুলাই আন্দোলনের ধারাবাহিক সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন।

বিক্ষোভে অংশ নিয়ে রিয়াদুল ইসলাম নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, যুগে যুগে আবরার ফাহাদ আর ওসমান হাদিরা ফিরে আসবে। ওসমান হাদিদের হত্যা করে নিঃশেষ করা যায় না। শহীদ ওসমান হাদি যে দাবানল পুরো দেশজুড়ে ছড়িয়ে দিয়েছে, তা একদিন আগ্নেয়গিরি হয়ে ফিরে আসবে।

তিনি আরও বলেন, আজ আমাদের হাদি নেই। কিন্তু এখন থেকে আমরা সবাই হাদি। আমরা প্রত্যেকে হাদির প্রতিনিধিত্ব করব।

সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, হাদির রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে তারা ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও অভ্যন্তরীণ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আজীবন লড়াই চালিয়ে যাবেন।

হাবিবুর রহমান নামের এম শিক্ষার্থী বলেন, আমরা যতদিন বেঁচে থাকব, আমাদের প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম এই সংগ্রাম চলবে। ভারতের আগ্রাসন ও আধিপত্যবাদকে আমরা কখনোই অগ্রসর হতে দেব না।”

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, যারা হত্যার পরও সুশীলতার কথা বলে, যারা ভারতের পক্ষে অবস্থান নেয়, তাদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে। সত্যকে হাতে রেখে রাজপথেই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা হাদির রক্তের শপথ নিয়ে বলেন, শহীদ ওসমান হাদির রক্তের শপথ, আজ থেকে আমরা প্রত্যেকে ওসমান হাদি। আওয়ামী ফ্যাসিবাদ ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে রাজপথে আমাদের কন্ঠস্বর সমুন্নত থাকবে। আমরাও রাজপথে শহীদ হব।

শিক্ষার্থীরা বলেন, এই দেশকে দিল্লি বা পিন্ডির নির্দেশে নয়, ঢাকার জনগণের ইচ্ছায় চলতে হবে। এই দেশে কোনো কেন্দ্রীয় আধিপত্য, কোনো দিল্লির দাসত্ব চলবে না।

রাজধানী

আত্মহত্যার আগে ফেসবুকে আবেগঘন পোস্ট,‘তোমার অভাবেই শেষ হয়ে গেলাম’

রাজধানীর ডেমরা পুলিশ লাইন্সে সাইদুল ইসলাম (২১) নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) ভোরে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে জানিয়েছে পুলিশ। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় নয় মাস আগে বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে যোগ দেন সাইদুল। […]

আত্মহত্যার আগে ফেসবুকে আবেগঘন পোস্ট,‘তোমার অভাবেই শেষ হয়ে গেলাম’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৭ জুলাই ২০২৬, ১৭:৫৩

রাজধানীর ডেমরা পুলিশ লাইন্সে সাইদুল ইসলাম (২১) নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) ভোরে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় নয় মাস আগে বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে যোগ দেন সাইদুল। তিনি ডেমরা পুলিশ লাইন্সের একটি বহুতল ভবনের নবম তলায় থাকতেন। বৃহস্পতিবার রাতে নিজ কক্ষে গলায় ফাঁস দেন বলে অভিযোগ। পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যান।

ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে স্ত্রীকে নিয়ে কিছু পুরোনো ছবি সংযুক্ত করে একটি আবেগঘন পোস্ট করেছিলেন সাইদুল। ওই পোস্টে তিনি ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন, মানসিক কষ্ট এবং পরিবারের কাছে ক্ষমা চাওয়ার কথা উল্লেখ করেন। পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করা হয়েছে। পুলিশ মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ যদি আত্মহত্যার চিন্তা বা তীব্র মানসিক সংকটে ভুগে থাকেন, তাহলে বিশ্বস্ত পরিবারের সদস্য, বন্ধু বা একজন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করা গুরুত্বপূর্ণ। জরুরি ঝুঁকি থাকলে স্থানীয় জরুরি সেবার সহায়তা নেওয়া উচিত।

রাজধানী

‘লং মার্চে পাঁচ-ছয় হাজার গাড়ি থেকে কমিয়ে এক হাজারে নিয়ে এসেছি’: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চে পাঁচ থেকে ছয় হাজার গাড়ি অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনায় তা কমিয়ে প্রায় এক হাজারে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, […]

‘লং মার্চে পাঁচ-ছয় হাজার গাড়ি থেকে কমিয়ে এক হাজারে নিয়ে এসেছি’: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:২৩

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চে পাঁচ থেকে ছয় হাজার গাড়ি অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনায় তা কমিয়ে প্রায় এক হাজারে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ এবং এর থেকে পরিত্রাণের পথ খুঁজতেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, মানুষের আহ্বানে সাড়া দেওয়ার একটি দায়িত্ব তাদের রয়েছে। সেই জায়গা থেকেই আগামী ৫ সেপ্টেম্বর লং মার্চ কর্মসূচি পালন করা হবে। সকাল ৭টায় ঢাকার শাপলা চত্বর থেকে কর্মসূচি শুরু হবে।

লং মার্চের কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি হতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে প্রথমেই পুলিশের মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) চিঠি দেওয়া হয়েছিল এবং আলোচনা হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গাড়িবহর সড়কের একটি লাইন ব্যবহার করবে। অন্য লাইনগুলোতে লং মার্চের কোনো গাড়ি থাকবে না।

তিনি আরও বলেন, কর্মসূচি ঘিরে বেশ কিছু পরিকল্পনা পরিবর্তন করা হয়েছে। তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে মানুষ এমনিতেই অস্বস্তিতে রয়েছে। দাবি আদায়ের কর্মসূচির কারণে যেন নতুন করে মানুষের ভোগান্তি না হয় এবং কোনো অ্যাম্বুলেন্স যাতে আটকে না পড়ে, সে বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

গাড়িবহরের আকার প্রসঙ্গে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, “আমাদের লক্ষ্য ছিল পাঁচ-ছয় হাজার গাড়ি যাবে। সেটাও আমরা সংকুচিত করে প্রায় এক হাজার গাড়িতে নিয়ে এসেছি।”

লং মার্চের সূচি তুলে ধরে তিনি জানান, সকাল ৭টায় শাপলা চত্বরে নেতাকর্মীরা জড়ো হবেন। সকাল ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত সেখানে উদ্বোধনী কর্মসূচি ও শীর্ষ নেতাদের বক্তব্য থাকবে। এরপর সিরিয়াল অনুযায়ী গাড়িগুলো চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করবে।

ঢাকা ছাড়ার পর প্রথম পথসভা হবে সিদ্ধিরগঞ্জের চিটাগাং রোড ট্রাক স্ট্যান্ডে। সকাল ৯টার দিকে সেখানে পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর দুপুর ১২টার দিকে কুমিল্লায় কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে অংশগ্রহণকারীদের দুপুরের খাবারের ব্যবস্থাও থাকবে।

পরবর্তী গন্তব্য ফেনীর মহিপাল। সম্ভাব্য সময় দুপুর ৩টা। সেখানে এনসিপির পাশাপাশি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, খেলাফত মজলিসসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

এরপর গাড়িবহর মিরসরাইয়ে পৌঁছাবে। সেখানে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কর্মসূচি শেষে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা করা হবে। রাত ৯টার দিকে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড ময়দানে পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে বড় ধরনের জনসমাগম হবে বলে আশা প্রকাশ করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

দেশবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, লং মার্চের পথে সাধারণ মানুষের কথা শুনতে চান তারা। স্থানীয় মানুষের সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা জেনে রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম থেকে সেগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করা হবে।

সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির সমালোচনা করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, সরকার বিভিন্ন কর্মসূচিতে প্লেন ও হেলিকপ্টার ভাড়া করে লোকজন নিয়ে হল ভর্তি করে। অন্যদিকে তারা জনগণের প্রয়োজনেই মানুষের কাছে যাচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির সদস্য সচিব ও রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, দলের মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

রাজধানী

জাহাঙ্গীর গেইটের রাস্তায় লাশ , পাশে ভাঙাচোরা বাইক

রাজধানীর জাহাঙ্গীর গেইট এলাকার রাস্তায় এক ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। ঘটনাস্থলের পাশে একটি ভাঙাচোরা মোটরসাইকেল পড়ে থাকতে দেখা যায়। এতে ওই ব্যক্তির সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রোববার রাতে জাহাঙ্গীর গেইটের সড়কে লাশটি পড়ে থাকতে দেখা যায় বলে জানা গেছে। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা […]

জাহাঙ্গীর গেইটের রাস্তায় লাশ , পাশে ভাঙাচোরা বাইক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৯ আগস্ট ২০২৬, ০০:১৬

রাজধানীর জাহাঙ্গীর গেইট এলাকার রাস্তায় এক ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। ঘটনাস্থলের পাশে একটি ভাঙাচোরা মোটরসাইকেল পড়ে থাকতে দেখা যায়। এতে ওই ব্যক্তির সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

রোববার রাতে জাহাঙ্গীর গেইটের সড়কে লাশটি পড়ে থাকতে দেখা যায় বলে জানা গেছে। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা মোটরসাইকেলটির বিভিন্ন অংশ ভাঙাচোরা অবস্থায় ছিল।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কোনো দুর্ঘটনার পর ওই ব্যক্তি রাস্তায় পড়ে থাকতে পারেন। তবে কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে এবং নিহত ব্যক্তি মোটরসাইকেলটির চালক ছিলেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঘটনার খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন বলে জানা গেছে। নিহত ব্যক্তির পরিচয় এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানার চেষ্টা চলছে।