শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজধানী

‘হালালা সেন্টারে’র ফাঁদে তথ্য ফাঁস শত শত মানুষের

ফেসবুকে ‘হালালা সেন্টার’ নামক একটি কথিত প্রতিষ্ঠানের ব্যানারে হিল্লা বিয়ের বিজ্ঞাপনে সাড়া দিয়ে শত শত মানুষের নিজেদের ব্যক্তিগত তথ্য জমা দিয়েছিলেন। বিয়ের প্রক্রিয়ার বদলে কয়েক দিনের মাথায় আবেদনকারীদের জীবনবৃত্তান্ত (সিভি), ছবি, ইমেল ও ফোন নম্বরসহ বিভিন্ন তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে ভুক্তভোগীরা চরম সামাজিকভাবে বিব্রত ও ডিজিটাল হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এই চক্রের […]

‘হালালা সেন্টারে’র ফাঁদে তথ্য ফাঁস শত শত মানুষের

‘হালালা সেন্টারে’র ফাঁদে তথ্য ফাঁস শত শত মানুষের

নিউজ ডেস্ক

১২ জুন ২০২৬, ১০:৫৮

ফেসবুকে ‘হালালা সেন্টার’ নামক একটি কথিত প্রতিষ্ঠানের ব্যানারে হিল্লা বিয়ের বিজ্ঞাপনে সাড়া দিয়ে শত শত মানুষের নিজেদের ব্যক্তিগত তথ্য জমা দিয়েছিলেন। বিয়ের প্রক্রিয়ার বদলে কয়েক দিনের মাথায় আবেদনকারীদের জীবনবৃত্তান্ত (সিভি), ছবি, ইমেল ও ফোন নম্বরসহ বিভিন্ন তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে ভুক্তভোগীরা চরম সামাজিকভাবে বিব্রত ও ডিজিটাল হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

এই চক্রের মূল হোতা ‘সানজিদা আক্তার’ নামের একটি ফেসবুক আইডির বিরুদ্ধে প্রতারণা ও ভুয়া তথ্য প্রচারের অভিযোগ এনে গত ৭ জুন রাজধানীর মিরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন আবু মুছা নামে এক ব্যক্তি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঘটনার সূত্রপাত হয় ‘সানজিদা আক্তার’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে। কিছুদিন আগে ওই আইডি থেকে হিল্লা বিয়ের (মুহাল্লিল-সংক্রান্ত) জন্য আগ্রহী পুরুষদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করে একটি পোস্ট দেওয়া হয়। বিজ্ঞাপনে হাফেজ, আলেম, শিক্ষক, ইমাম, ব্যবসায়ী ও প্রবাসীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের আগ্রহের কথা দাবি করে ইমেইলে আবেদন পাঠাতে বলা হয়।

এর কিছুদিন পর, হঠাৎ করেই ওই একই আইডি থেকে অন্তত ৮০ জন আবেদনকারীর ইমেইল ও সিভির স্ক্রিনশট প্রকাশ করে দেওয়া হয়। যেখানে ভুক্তভোগীদের নাম, পেশা, ফোন নম্বর ও ব্যক্তিগত পরিচয় দৃশ্যমান ছিল। পোস্টে দাবি করা হয়, ‘হাজার হাজার’ আবেদন থেকে ‘স্মারক হিসেবে’ এগুলো প্রকাশ করা হয়েছে। এই তথ্য ফাঁসের পর সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া শুরু হলেও ভুক্তভোগীদের জন্য এটি গুরুতর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার সংকট তৈরি করেছে।

যেসব ব্যক্তির তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, তাদের কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা যায় ভিন্ন ভিন্ন পরিস্থিতি। কেউ অভিযোগ করেছেন, তাদের সিভি বা নম্বর অনুমতি ছাড়াই এই চক্রটি ব্যবহার করেছে। কেউ সন্দেহ করছেন তাদের জিমেইল বা ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে এই তথ্য নেওয়া হয়েছে। অনেকে জানিয়েছেন, চাকরি বা অন্য কোনো প্রয়োজনে অতীতে জমা দেওয়া তথ্যভাণ্ডার থেকে তাদের ডেটা সংগ্রহ করা হয়েছে।

প্রকাশিত তথ্যের কারণে অপরিচিত নম্বর থেকে অনবরত কল ও বার্তার মুখোমুখি হওয়ায় ভুক্তভোগীরা সামাজিকভাবে চরম হেনস্থার শিকার হচ্ছেন এবং দ্রুত তথ্য অপসারণ ও দায়ীদের শনাক্তের দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে পোস্টগুলোর পেছনে থাকা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পরিচয় এখনও স্পষ্ট নয়। আইডিটির সঙ্গে কোনো বৈধ প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা যাচাই করা যায়নি। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত তথ্য কীভাবে সংগ্রহ ও প্রকাশ করা হয়েছে, সেটিও এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ফেসবুকের ‘সানজিদা আক্তার’ আইডির বিরুদ্ধে রাজধানীর মিরপুর থানায় জিডি করা আবু মুছা জানান, কয়েক দিন ধরে ওই আইডি থেকে নানা রকম ভুয়া তথ্য ও প্রতারণামূলক পোস্ট প্রচার করা হচ্ছে। আইডির ব্যবহারকারী একজন পুরুষ বলে তার ধারণা। যদিও তিনি পরিচয়টি নিশ্চিত হতে পারেননি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবু মুছা বলেন, ২০২৪ সালে প্রথমে তাবলিগের সাদপন্থি জিয়া বিন কাসেমের নামে একটি আইডি খোলা হয়। সেটি তার ছেলে পরিচালনা করছেন উল্লেখ করে পোস্টে বলা হয়, জিয়া কারাগারে আছেন। তাকে ছাড়ানোর জন্য টাকা প্রয়োজন। সন্দেহ হওয়ায় আমি জিয়ার পরিবারের খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, তার ছেলেরা ছোট। কেউ ফেসবুক আইডি খোলেনি, টাকাও চায়নি। মজার ব্যাপার হলো, পরে এক সময় সেই ভুয়া আইডিতে ক্লিক করে দেখা যায়, সেটিই এখন সানজিদা আক্তার নামে চালানো হচ্ছে। সম্প্রতি আইডি জালিয়াতির বিষয়টি সামনে আসায় আমার মনে হয়, এটি প্রতারণার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকতে পারে। এর মধ্যে তিনি ওই আইডি থেকে কথিত হালালা সেন্টারের নামে প্রচারণা শুরু করেন। পরে দেখি, হিল্লা বিয়েতে আগ্রহী প্রচুর মানুষের জীবনবৃত্তান্ত সংগ্রহ করে তিনি ফেসবুকে প্রকাশ করছেন।

এ বিষয়ে মিরপুর থানার ওসি হাফিজুর রহমান বলেন, ফেসবুক-সংক্রান্ত জিডি সাধারণত আমরা সাইবার সেলে পাঠিয়ে দিই। এই জিডির তদন্ত কোন পর্যায়ে আছে তা এখনই বলতে পারছি না।

সানজিদা আক্তার আইডির একটি পোস্টে কমেন্ট করেছেন নায়িম হাসান নামে এক ব্যক্তি। সেখানে তিনি বলেছেন, আইডিটি ২০২৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর খোলা হয়। একই দিনে এর নাম পরিবর্তন করে ‘মুফতি জিয়া বিন কাসেম’ রাখা হয়। পরে ২০২৫ সালের ১০ এপ্রিল নাম পরিবর্তন করে ‘স্বপ্নের ব্যাখ্যা– ড্রিম এক্সপ্ল্যানেশন’, একই বছরের ১০ অক্টোবর ‘মুহাদ্দিসা অপু’ এবং সর্বশেষ চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি পুনরায় ‘সানজিদা আক্তার’ নাম ব্যবহার করা হয়। আইডিতে ব্যবহৃত প্রোফাইল ছবিটি রিভার্স ইমেজ সার্চে দেখা যায়, সেটি একটি টিকটক অ্যাকাউন্ট থেকে নেওয়া। একইভাবে কভার ফটোটি দোলা মল্লিক নামের আরেকটি টিকটক অ্যাকাউন্ট থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া যায়।

এদিকে গত ৮ জুন রাতে ওই আইডি থেকে করা একটি পোস্টে বলা হয়, ‘বিনা ওয়ারেন্টে পুলিশ আমাকে গ্ৰেপ্তার করছে। বর্তমানে আমি উত্তরা থানাতে আছি। আল্লাহ সহায় হোন।’ এ ঘটনাটি যাচাই করে দ্য ডিসেন্ট জানিয়েছে, গ্রেপ্তারের দাবি সঠিক নয়। উত্তরা পূর্ব ও পশ্চিম থানায় যোগাযোগ করে এমন তথ্য মেলেনি।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।