দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা ১৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় রাজধানীর দারুস সালাম থানা বিএনপির আহ্বায়ক এস এ সিদ্দিক সাজুকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের দুই দিন পর এই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয় দলটি। এস এ সিদ্দিক সাজু বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত এস এ খালেকের ছেলে।
বুধবার জানুয়ারি ১৪ তারিখ সন্ধ্যায় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে দারুস সালাম থানা বিএনপির আহ্বায়ক এস এ সিদ্দিক সাজুকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
ঢাকা ১৪ আসনে বিএনপির পক্ষ থেকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হয় মায়ের ডাকের সমন্বয়কারী সানজিদা ইসলাম তুলিকে। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে এস এ সিদ্দিক সাজু স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন এবং তা বৈধ ঘোষণা করা হয়। তবে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে সাজুর প্রার্থী হওয়াকে দলের ভেতরে প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দেখা হচ্ছিল।
এই পরিস্থিতিতে তাকে নির্বাচনের মাঠ থেকে সরাতে দলের পক্ষ থেকে ডেকে পাঠানো হয়। সোমবার জানুয়ারি ১২ তারিখ গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে সপরিবারে সাক্ষাৎ করেন এস এ সিদ্দিক সাজু। এরপরই তার বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ধানের শীষ ও বিএনপি জোটের প্রার্থীর বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় এ পর্যন্ত মোট ১১ জন নেতাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি।