বুধবার, ২০ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

পার্থের বার্ষিক আয় ৪১ লাখ, সম্পদ ২ কোটির বেশি, তার স্ত্রী রয়েছে ১৬০ ভরি স্বর্ণ

বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) প্রার্থী ও দলটির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-১ আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন। ইতোমধ্যে তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রিটার্নিং অফিসারের কাছে হলফনামা দাখিল করেছেন এবং তার হলফনামা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। আন্দালিব রহমান পার্থের নামে ১০টি মামলা রয়েছে । ২০১২ সাল থেকে ২০২৪ সাল […]

নিউজ ডেস্ক

০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭:৩৩

বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) প্রার্থী ও দলটির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-১ আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন। ইতোমধ্যে তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রিটার্নিং অফিসারের কাছে হলফনামা দাখিল করেছেন এবং তার হলফনামা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

আন্দালিব রহমান পার্থের নামে ১০টি মামলা রয়েছে । ২০১২ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত মামলাগুলো দায়ের করা হয়েছে। এরমধ্যে আটটি মামলা থেকে তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন এবং দুটি মামলা হাইকোর্টে স্থগিত রয়েছে। সবগুলো মামলাই আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দায়ের করা।

নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখা যায় ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ তার বর্তমান পেশা হিসেবে আইনপেশা, অধ্যক্ষ, রাজনীতিবিদ ও ব্যবসা দেখিয়েছেন। তার স্ত্রী পেশায় একজন গৃহিণী। পার্থ দম্পতির ১৬০ ভরি স্বর্ণ রয়েছে। এরমধ্যে আন্দালিব রহমান পার্থের ১০০ ভরি এবং স্ত্রী শেখ সায়রা শারমিনের ৬০ ভরি স্বর্ণ রয়েছে।

হলফনামায় আন্দালিব রহমান পার্থ বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ৪১ লাখ ৪১ হাজার ৪৫২ টাকা। এর মধ্যে ব্যবসা থেকে আয় সাত লাখ ৫২ হাজার ১০৭ টাকা এবং আইন পেশা ও শিক্ষকতা থেকে আয় ৩৩ লাখ ৮৯ হাজার ৩৪৫ টাকা। তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ দুই কোটি ২২ লাখ ৩৩ হাজার ১২০ টাকা।

তাঁর স্ত্রী শেখ সায়রা শারমিনের নামে রয়েছে ১০ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। এর আগে স্ত্রীর নামে কোনো সম্পদ দেখাননি তিনি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রিটার্নিং অফিসারের কাছে দাখিল করা হলফনামা বিশ্লেষণ করে এই তথ্য পাওয়া যায়।

হলফনামায় আন্দালিব রহমান পার্থ উল্লেখ করেছেন, তাঁর অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নগদ অর্থ রয়েছে ৭৬ লাখ ৪৯ হাজার ৮৯ টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমাকৃত অর্থ ৭১ লাখ ১৩ হাজার ৫৪৮ টাকা, বন্ড, ঋণপত্র স্টক একচেঞ্জে তালিকাভুক্ত ও তালিকাভুক্ত নয় এমন কোম্পানির শেয়ার রয়েছে ১৭ লাখ ৪৬ হাজার টাকার।

আন্দালিব রহমান পার্থর মোটরযান রয়েছে ৫৫ লাখ টাকা মূল্যের। ব্যাংকে থাকা টাকার মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকে নিজ নামে রয়েছে আট লাখ ৫৪ হাজার ৮৫৬ টাকা, তাঁর পরিচালিত ব্রিটিশ স্কুল অব ‘ল’ নামে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকে এক লাখ ৫৮ হাজার ১৯২ টাকা, আন্দালিব রহমান ফার্ম অ্যান্ড ফিশারিজ নামে ব্র্যাক ব্যাংকে ৩৭ লাখ ৫০০ টাকা, নিজ নামে ব্র্যাক ব্যাংকের দুটি অ্যাকাউন্টে ২৫ লাখ টাকা।

দুটি আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্যে একটি এন.পি.বি. রিভলবার ও একটি ২২ বোর রাইফেল রয়েছে।

তাঁর অস্থাবর সম্পদ অর্জনকালীন মূল্য দেখিয়েছেন দুই কোটি ২২ লাখ ৩৩ হাজার ১২ টাকা। তাঁর স্থাবর সম্পদের মধ্যে কোনো কৃষিজমি নেই। অকৃষি জমির মধ্যে নিজ নামে ৪.৪৩ শতাংশ, যৌথ মালিকানায় ১৩.২৯ শতাংশ। যৌথ মালিকানায় ঢাকায় তিনতলা একটি দালান ও তিনতলা একটি বাড়ি রয়েছে।

সর্বশেষ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্নে আয় দেখিয়েছেন ৪১ লাখ ৪১ হাজার ৪৫২ টাকা ও রিটার্নে দেখানো সম্পদের পরিমাণ দুই কোটি ২৩ লাখ ৪১ হাজার ৫০ টাকা।

আয়কর দিয়েছেন আট লাখ সাত হাজার ৪৩৬ টাকা। তাঁর বড় মেয়ে মাহাম সানজিদা রহমানের নামে ব্যাংকে রয়েছে এক লাখ ৩৬ হাজার ১৯৩ টাকা।

২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-১ আসনের চারদলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেছেন আন্দালিব রহমান পার্থ। সে সময় হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেছেন ব্যবসা থেকে তাঁর বার্ষিক আয় পাঁচ লাখ ৮৩ হাজার ৩৫০ টাকা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৯৭

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৯৭
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৭৭

রাজনীতি

বিএনপি থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতির পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। আজ (সোমবার) বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকার, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ মার্চ ২০২৬, ২০:১৮

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতির পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। আজ (সোমবার) বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার কারণে আপনি বগুড়া জেলাধীন শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। নির্দেশক্রমে আপনার পদত্যাগপত্র গৃহীত হলো।

একই সঙ্গে শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি জনাব এস এম তাজুল ইসলামকে শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করেছে দল।

দলীয় সূত্র বলছে, বর্তমানে তিনি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োজিত থাকায় রাষ্ট্রীয় কাজে পূর্ণ মনোযোগ দিতেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৯৭