শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

গাজীপুর–৫ এ খায়রুল হাসানই ঐক্যজোটের একমাত্র ভরসা

গাজীপুর–৫ আসনে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক ময়দান এখন কার্যত উত্তাল। মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা, ভোটারদের মনোভাব এবং সর্বস্তরের জনমত বিশ্লেষণ করলে একটি বিষয় এখন প্রশ্নাতীত সত্যে পরিণত হয়েছে—এই আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ও জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মো. খায়রুল হাসান ছাড়া ১২ দলীয় ঐক্যজোটের বিজয়ের কোনো বাস্তবসম্মত পথ নেই।জনতার রায় স্পষ্ট দাঁড়িপাল্লা ছাড়া জয়ের সমীকরণই নেই।

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২১:২৫

মোঃআতেফ ভূঁইয়া, গাজীপুর সদর

গাজীপুর–৫ আসনে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক ময়দান এখন কার্যত উত্তাল। মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা, ভোটারদের মনোভাব এবং সর্বস্তরের জনমত বিশ্লেষণ করলে একটি বিষয় এখন প্রশ্নাতীত সত্যে পরিণত হয়েছে—এই আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ও জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মো. খায়রুল হাসান ছাড়া ১২ দলীয় ঐক্যজোটের বিজয়ের কোনো বাস্তবসম্মত পথ নেই।জনতার রায় স্পষ্ট দাঁড়িপাল্লা ছাড়া জয়ের সমীকরণই নেই।

কালীগঞ্জ, পূবাইল ও বাড়িয়া—এই তিন অঞ্চলে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, তা শুধু জনপ্রিয়তা নয়, বরং একটি নীরব গণভোটে রূপ নিয়েছে। গ্রামগঞ্জ, হাটবাজার, চায়ের দোকান, অটোরিকশা স্ট্যান্ড, মসজিদ প্রাঙ্গণ—সব জায়গায় উচ্চারিত হচ্ছে একটিই বাক্য—

গাজীপুরে যদি একটি আসন আসে, তা হবে গাজীপুর–৫; আর সেটি দাঁড়িপাল্লা ছাড়া সম্ভব নয়। সব পেশার ভোটার এক কণ্ঠে কৃষক আব্দুল মালেক বলেন,আমরা মাটির মানুষ। কে আমাদের দুঃখ বোঝে জানি। খায়রুল হাসান ছাড়া কাউকে চাই না।

অটোরিকশাচালক রফিকুল ইসলাম বলেন,দাঁড়িপাল্লা না থাকলে ভোট দিতে যাব না—এই সিদ্ধান্ত অনেক আগেই নিয়েছি।

ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান বলেন, চাঁদাবাজি আর দখলদারির বিরুদ্ধে যে মানুষটা সবসময় কথা বলেছে, সে খায়রুল হাসান। এই আসনের জয়ের চাবিকাঠি তার হাতেই।

শিক্ষক নাসরিন আক্তার বলেন, নারী ভোটারদের আস্থা অর্জন করা সহজ নয়। খায়রুল হাসান সেটা পেরেছেন।

মসজিদের ইমাম মাওলানা হাফেজ মোহাম্মদ কাওসার হোসেন বলেন,ত্যাগী, সৎ ও আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক খায়রুল হাসান। দাঁড়িপাল্লা মানেই বিশ্বাস। উনাকে প্রার্থী না করা হলে ঐকজোটের পরাজয় নিশ্চিত।

তরুণ ভোটার সাইফুল ইসলাম বলেন,

আমরা ভোগবাদী রাজনীতি চাই না। আমরা চাই ত্যাগের রাজনীতি,যেটা খায়রুল হাসান করেছেন।

গৃহিণী রহিমা খাতুন বলেন,ঘরে ঘরে এসে সালাম দেওয়া মানুষটাকেই আমরা এমপি হিসেবে দেখতে চাই।

ত্যাগের রাজনীতি, জনতার শক্তি

ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সম্মুখ সারিতে থাকা মো. খায়রুল হাসান হামলা-মামলা উপেক্ষা করে রাজপথে থেকেছেন বছরের পর বছর। তিন দফায় কারাবরণ, দীর্ঘ ১৫ বছর নিজ বাসায় অবস্থান করতে না পারা—এই ত্যাগ তাকে কাগুজে নেতা নয়, বরং জনতার পরীক্ষিত সৈনিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়,ভুল সিদ্ধান্ত মানেই নিশ্চিত পরাজয়।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সচেতন মহলের মতে, বিএনপির শক্ত প্রার্থী এ কে এম ফজলুল হক মিলন-এর বিপরীতে দাঁড়িপাল্লা ছাড়া অন্য কোনো প্রতীক দাঁড় করানো মানেই আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। মাঠে নিষ্ক্রিয় প্রার্থী সামনে আনলে সেটি পরিকল্পিতভাবে আসনটি হারানোর শামিল বলেই মনে করছেন ভোটাররা।

চায়ের দোকানদার জয়নাল আবেদিন সোজাসাপ্টা ভাষায় বলেন,খায়রুল হাসান বাদ মানেই এই আসন হাতছাড়া।

রাজনৈতিক বাস্তবতা এখন পরিষ্কার—

১২ দলীয় ঐক্যজোট যদি গাজীপুর–৫ আসনে জয় চায়, তবে জনতার কণ্ঠ ও দাবি উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।

দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মো. খায়রুল হাসান শুধু একজন প্রার্থী নন—তিনি এখন গাজীপুর–৫ এর জনতার রায়, জনতার প্রতীক ও জনতার আশা। ভোটারদের প্রশ্ন, জয়ের জন্য ঐকজোট করে খায়রুল হাসানকে বাদ দিয়ে পরাজয় নিশ্চিত করবে কার স্বার্থে?

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।