সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

‎কুবিতে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি শিক্ষকের নেই পিএইচডি ডিগ্রি

‎রাফি হোসেন কুবি প্রতিনিধি : ‎বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার অন্যতম কেন্দ্র কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাঠামোতে উচ্চতর ডিগ্রিধারী শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ২৭৩ জন শিক্ষকের মধ্যে ১৮৯ জনেরই পিএইচডি ডিগ্রি নেই। মাত্র ৮৪ জন শিক্ষক পিএইচডি ডিগ্রিধারী রয়েছে, যা মোট শিক্ষকের ৩০ দশমিক ৭৭ শতাংশ।  ‎বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, […]

‎কুবিতে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি শিক্ষকের নেই পিএইচডি ডিগ্রি

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২১ ডিসেম্বর ২০২৫, ২১:৩৬

‎রাফি হোসেন কুবি প্রতিনিধি :

‎বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার অন্যতম কেন্দ্র কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাঠামোতে উচ্চতর ডিগ্রিধারী শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ২৭৩ জন শিক্ষকের মধ্যে ১৮৯ জনেরই পিএইচডি ডিগ্রি নেই। মাত্র ৮৪ জন শিক্ষক পিএইচডি ডিগ্রিধারী রয়েছে, যা মোট শিক্ষকের ৩০ দশমিক ৭৭ শতাংশ। 

‎বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, আইন বিভাগ এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে বর্তমানে কোনো পিএইচডি ডিগ্রিধারী শিক্ষক নেই।

‎সর্বোচ্চ সংখ্যক পিএইচডি ডিগ্রিধারী শিক্ষক রয়েছেন গণিত বিভাগে, যেখানে মোট ১০ জন শিক্ষক পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন। এরপর বাংলা বিভাগে ৯ জন, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে ৮ জন এবং অর্থনীতি, লোক প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা শিক্ষা ও রসায়ন বিভাগে ৭ জন করে শিক্ষক পিএইচডি ডিগ্রিধারী।

‎এছাড়াও মার্কেটিং ও হিসাববিজ্ঞান ও তথ্যব্যবস্থা বিভাগে ৫ জন করে জন, ইংরেজি ও আইসিটি বিভাগে ৪ জন করে এবং পরিসংখ্যান বিভাগে ৩ জন পিএইচডি ডিগ্রিধারী শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন।

‎অন্যদিকে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে,  ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং, ফার্মেসি এবং সিইএসি বিভাগে রয়েছেন মাত্র ২ জন করে পিএইচডি ডিগ্রিধারী শিক্ষক।

‎ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক এম এম শরিফুল করিম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অবশ্যই পিএইচডি ডিগ্রী থাকতে হবে। তবে, আমাদের দেশের প্রেক্ষাপট একটু ভিন্ন। একজন শিক্ষার্থী মাস্টার্স ডিগ্রী করে যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হয় তখন তার বসয় হয়ে যায় ৩০ এর কাছাকাছি এবং তখন তার মধ্যে পারিবারিক দায়বদ্ধতা চলে আসে, যার কারণে তারা পিএইচডি করতে যায় না।

এছাড়াও আমাদের দেশে পিএইচডি না করেও অধ্যাপক হওয়া যায়, একারণেও অনেকে পিএইচডি করতে যায় না। এখন যদি বলা হয় পিএইচডি ছাড়া শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে না তাহলে আগে পিএইচডির স্কোপ তৈরি করতে হবে।

বিদেশে দেখা যায় গড়পড়তা সকলেই মাস্টার্স ডিগ্রী করে না, বরং যারা শিক্ষক হতে চায় তারাই মাস্টার্স ডিগ্রী করে৷ আর আমাদের দেশে সকলেই মাস্টার্স ডিগ্রী করে। সর্বোপরি আগে আমাদের সিস্টেমটা পরিবর্তন করতে হবে। ‘

‎মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বলেন , ‘প্রত্যেক বিভাগে যদি অন্তত ৫০ শতাংশ শিক্ষক পিএইচডি ডিগ্রিধারী হন বা পিএইচডি অধ্যয়নরত থাকেন, তাহলে সেই বিভাগের ভাবমূর্তি ও শিক্ষার মান নিঃসন্দেহে উন্নত হয়।

আমাদের শিক্ষকদের বিদেশে বা বাইরে গিয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করা উচিত। একটি প্রত্যাশিত সংখ্যক শিক্ষক যদি পিএইচডি না করেন, তাহলে তা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগের ভাবমূর্তির জন্য ইতিবাচক নয়। তবে আমি মনে করি, আদর্শভাবে প্রত্যেক শিক্ষকেরই পিএইচডি ডিগ্রি থাকা উচিত।

পিএইচডি ডিগ্রিধারী শিক্ষকের সংখ্যা কম হলে বিভাগের একাডেমিক মান ও সনদের মূল্য তেমনভাবে বৃদ্ধি পায় না।’

‎তিনি আরও বলেন, ‘বাস্তবতার দিক থেকেও কিছু আর্থ-সামাজিক বিষয় রয়েছে। অনেক শিক্ষকের পরিবার পরিচালনার দায়িত্ব থাকে, পাশাপাশি নিয়মিত ক্লাস, পরীক্ষা ও বিভিন্ন কাজ করে পিএইচডি করার সুযোগ পান না। তবুও শিক্ষকদের উচিত সুযোগ সৃষ্টি করে বাইরে গিয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের চেষ্টা করা।

আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় সকল অধ্যাপকের পিএইচডি ডিগ্রি রয়েছে, অনেকে বর্তমানে পিএইচডি অধ্যয়নে বাইরে আছেন। তবে যারা প্রভাষক পদে রয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে পিএইচডি করার সুযোগ  থাকে না।’

‎ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ও গবেষণা ইনিস্টিউটের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, ‘পিএইচডি একটি গবেষণাভিত্তিক প্রক্রিয়া। নির্দিষ্ট কোনো সমস্যাকে কেন্দ্র করে গবেষণার পদ্ধতি অনুসরণ করে একটি ফলাফল নির্ণয় করা হয়, যা নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করে এবং সংশ্লিষ্ট জ্ঞানশাখায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

একজন শিক্ষক পিএইচডি সম্পন্ন করলে তিনি যেকোনো বিষয়কে পদ্ধতিগত ও বিজ্ঞানসম্মতভাবে চিন্তা ও বিশ্লেষণ করে তার ফলাফল উপস্থাপন করতে সক্ষম হন। ফলে অনুমাননির্ভর বক্তব্যের পরিবর্তে যুক্তিনির্ভর ও প্রমাণভিত্তিক বিশ্লেষণের পার্থক্য তৈরি হয়। এটি চিন্তার গভীরতা ও দায়িত্ববোধ বৃদ্ধি করে, এমন বহু গুণাবলি পিএইচডি গবেষণার মাধ্যমে অর্জিত হয়।’

‎তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষকরা পিএইচডি ও গবেষণায় যুক্ত হলে তাদের বিষয়ভিত্তিক বিশেষ জ্ঞান আরও গভীর ও সমৃদ্ধ হয়। গবেষণার গুরুত্ব শুধু উচ্চশিক্ষায় নয়, বরং শিক্ষার সকল পর্যায়েই দেওয়া উচিত।

তাতে নতুন জ্ঞানের উৎকর্ষ সাধন হয় এবং জ্ঞান সৃষ্টির ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের পথে পরিচালনা করা সহজ হয়। যেসব প্রতিষ্ঠানে এই বিষয়ের চর্চা কম, সেসব জায়গার কর্তৃপক্ষের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।’

‎উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, ‘শিক্ষকদের অবশই পিএইচডি ডিগ্রী থাকা উচিত। তবে, আমাদের যেসব শিক্ষক প্রভাষক পদে আছেন, তাঁদের প্রথম দুই বছর প্রবেশনারি পিরিয়ড হিসেবে গণ্য হয়। এ সময়কালে তাঁরা পিএইচডি করার ছুটি পান না। এছাড়া যারা সহকারী অধ্যাপক আছেন তাদের একটি বড় অংশ এখন পিএইচডি ডিগ্রিতে ভর্তি আছেন। আর যারা অধ্যাপক আছেন তাদের প্রায় সকলেরই পিএইডি আছে।’

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।