বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

‎কুবিতে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি শিক্ষকের নেই পিএইচডি ডিগ্রি

‎রাফি হোসেন কুবি প্রতিনিধি : ‎বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার অন্যতম কেন্দ্র কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাঠামোতে উচ্চতর ডিগ্রিধারী শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ২৭৩ জন শিক্ষকের মধ্যে ১৮৯ জনেরই পিএইচডি ডিগ্রি নেই। মাত্র ৮৪ জন শিক্ষক পিএইচডি ডিগ্রিধারী রয়েছে, যা মোট শিক্ষকের ৩০ দশমিক ৭৭ শতাংশ।  ‎বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, […]

‎কুবিতে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি শিক্ষকের নেই পিএইচডি ডিগ্রি

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২১ ডিসেম্বর ২০২৫, ২১:৩৬

‎রাফি হোসেন কুবি প্রতিনিধি :

‎বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার অন্যতম কেন্দ্র কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাঠামোতে উচ্চতর ডিগ্রিধারী শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ২৭৩ জন শিক্ষকের মধ্যে ১৮৯ জনেরই পিএইচডি ডিগ্রি নেই। মাত্র ৮৪ জন শিক্ষক পিএইচডি ডিগ্রিধারী রয়েছে, যা মোট শিক্ষকের ৩০ দশমিক ৭৭ শতাংশ। 

‎বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, আইন বিভাগ এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে বর্তমানে কোনো পিএইচডি ডিগ্রিধারী শিক্ষক নেই।

‎সর্বোচ্চ সংখ্যক পিএইচডি ডিগ্রিধারী শিক্ষক রয়েছেন গণিত বিভাগে, যেখানে মোট ১০ জন শিক্ষক পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন। এরপর বাংলা বিভাগে ৯ জন, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে ৮ জন এবং অর্থনীতি, লোক প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা শিক্ষা ও রসায়ন বিভাগে ৭ জন করে শিক্ষক পিএইচডি ডিগ্রিধারী।

‎এছাড়াও মার্কেটিং ও হিসাববিজ্ঞান ও তথ্যব্যবস্থা বিভাগে ৫ জন করে জন, ইংরেজি ও আইসিটি বিভাগে ৪ জন করে এবং পরিসংখ্যান বিভাগে ৩ জন পিএইচডি ডিগ্রিধারী শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন।

‎অন্যদিকে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে,  ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং, ফার্মেসি এবং সিইএসি বিভাগে রয়েছেন মাত্র ২ জন করে পিএইচডি ডিগ্রিধারী শিক্ষক।

‎ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক এম এম শরিফুল করিম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অবশ্যই পিএইচডি ডিগ্রী থাকতে হবে। তবে, আমাদের দেশের প্রেক্ষাপট একটু ভিন্ন। একজন শিক্ষার্থী মাস্টার্স ডিগ্রী করে যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হয় তখন তার বসয় হয়ে যায় ৩০ এর কাছাকাছি এবং তখন তার মধ্যে পারিবারিক দায়বদ্ধতা চলে আসে, যার কারণে তারা পিএইচডি করতে যায় না।

এছাড়াও আমাদের দেশে পিএইচডি না করেও অধ্যাপক হওয়া যায়, একারণেও অনেকে পিএইচডি করতে যায় না। এখন যদি বলা হয় পিএইচডি ছাড়া শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে না তাহলে আগে পিএইচডির স্কোপ তৈরি করতে হবে।

বিদেশে দেখা যায় গড়পড়তা সকলেই মাস্টার্স ডিগ্রী করে না, বরং যারা শিক্ষক হতে চায় তারাই মাস্টার্স ডিগ্রী করে৷ আর আমাদের দেশে সকলেই মাস্টার্স ডিগ্রী করে। সর্বোপরি আগে আমাদের সিস্টেমটা পরিবর্তন করতে হবে। ‘

‎মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বলেন , ‘প্রত্যেক বিভাগে যদি অন্তত ৫০ শতাংশ শিক্ষক পিএইচডি ডিগ্রিধারী হন বা পিএইচডি অধ্যয়নরত থাকেন, তাহলে সেই বিভাগের ভাবমূর্তি ও শিক্ষার মান নিঃসন্দেহে উন্নত হয়।

আমাদের শিক্ষকদের বিদেশে বা বাইরে গিয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করা উচিত। একটি প্রত্যাশিত সংখ্যক শিক্ষক যদি পিএইচডি না করেন, তাহলে তা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগের ভাবমূর্তির জন্য ইতিবাচক নয়। তবে আমি মনে করি, আদর্শভাবে প্রত্যেক শিক্ষকেরই পিএইচডি ডিগ্রি থাকা উচিত।

পিএইচডি ডিগ্রিধারী শিক্ষকের সংখ্যা কম হলে বিভাগের একাডেমিক মান ও সনদের মূল্য তেমনভাবে বৃদ্ধি পায় না।’

‎তিনি আরও বলেন, ‘বাস্তবতার দিক থেকেও কিছু আর্থ-সামাজিক বিষয় রয়েছে। অনেক শিক্ষকের পরিবার পরিচালনার দায়িত্ব থাকে, পাশাপাশি নিয়মিত ক্লাস, পরীক্ষা ও বিভিন্ন কাজ করে পিএইচডি করার সুযোগ পান না। তবুও শিক্ষকদের উচিত সুযোগ সৃষ্টি করে বাইরে গিয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের চেষ্টা করা।

আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় সকল অধ্যাপকের পিএইচডি ডিগ্রি রয়েছে, অনেকে বর্তমানে পিএইচডি অধ্যয়নে বাইরে আছেন। তবে যারা প্রভাষক পদে রয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে পিএইচডি করার সুযোগ  থাকে না।’

‎ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ও গবেষণা ইনিস্টিউটের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, ‘পিএইচডি একটি গবেষণাভিত্তিক প্রক্রিয়া। নির্দিষ্ট কোনো সমস্যাকে কেন্দ্র করে গবেষণার পদ্ধতি অনুসরণ করে একটি ফলাফল নির্ণয় করা হয়, যা নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করে এবং সংশ্লিষ্ট জ্ঞানশাখায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

একজন শিক্ষক পিএইচডি সম্পন্ন করলে তিনি যেকোনো বিষয়কে পদ্ধতিগত ও বিজ্ঞানসম্মতভাবে চিন্তা ও বিশ্লেষণ করে তার ফলাফল উপস্থাপন করতে সক্ষম হন। ফলে অনুমাননির্ভর বক্তব্যের পরিবর্তে যুক্তিনির্ভর ও প্রমাণভিত্তিক বিশ্লেষণের পার্থক্য তৈরি হয়। এটি চিন্তার গভীরতা ও দায়িত্ববোধ বৃদ্ধি করে, এমন বহু গুণাবলি পিএইচডি গবেষণার মাধ্যমে অর্জিত হয়।’

‎তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষকরা পিএইচডি ও গবেষণায় যুক্ত হলে তাদের বিষয়ভিত্তিক বিশেষ জ্ঞান আরও গভীর ও সমৃদ্ধ হয়। গবেষণার গুরুত্ব শুধু উচ্চশিক্ষায় নয়, বরং শিক্ষার সকল পর্যায়েই দেওয়া উচিত।

তাতে নতুন জ্ঞানের উৎকর্ষ সাধন হয় এবং জ্ঞান সৃষ্টির ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের পথে পরিচালনা করা সহজ হয়। যেসব প্রতিষ্ঠানে এই বিষয়ের চর্চা কম, সেসব জায়গার কর্তৃপক্ষের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।’

‎উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, ‘শিক্ষকদের অবশই পিএইচডি ডিগ্রী থাকা উচিত। তবে, আমাদের যেসব শিক্ষক প্রভাষক পদে আছেন, তাঁদের প্রথম দুই বছর প্রবেশনারি পিরিয়ড হিসেবে গণ্য হয়। এ সময়কালে তাঁরা পিএইচডি করার ছুটি পান না। এছাড়া যারা সহকারী অধ্যাপক আছেন তাদের একটি বড় অংশ এখন পিএইচডি ডিগ্রিতে ভর্তি আছেন। আর যারা অধ্যাপক আছেন তাদের প্রায় সকলেরই পিএইডি আছে।’

‎

‎

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।