বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

উখিয়ায় পরপর তিন ছেলেকে হ/ত্যা, বিচার না পাওয়ায় হতাশ পরিবার

দৈনিক সকাল কক্সবাজার: ‎বৃদ্ধার নাম গোলজার বেগম (৬৬)। এক যুগ আগে তাঁর স্বামী ছিদ্দিক আহমদের মৃত্যু হয়। তিনি ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ছিলেন। স্বামীর মৃত্যুর পর চার ছেলে তিন মেয়ে নিয়ে বৃদ্ধার নতুন জীবন শুরু। কিন্তু ভোটের রাজনীতি তাঁর সংসার তছনছ করে দিল। ১০ বছরের মাথায় গোলজার হারিয়ে ফেলেন তিন সন্তানকে। ‎১১ ডিসেম্বর দুপুরে […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৭:৫৪

দৈনিক সকাল কক্সবাজার:

‎বৃদ্ধার নাম গোলজার বেগম (৬৬)। এক যুগ আগে তাঁর স্বামী ছিদ্দিক আহমদের মৃত্যু হয়। তিনি ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ছিলেন। স্বামীর মৃত্যুর পর চার ছেলে তিন মেয়ে নিয়ে বৃদ্ধার নতুন জীবন শুরু। কিন্তু ভোটের রাজনীতি তাঁর সংসার তছনছ করে দিল। ১০ বছরের মাথায় গোলজার হারিয়ে ফেলেন তিন সন্তানকে।

‎১১ ডিসেম্বর দুপুরে ছিদ্দিক মেম্বারের ওই বাড়িতে গিয়ে দেখা গেল নারীকণ্ঠের বিলাপের সুর। দুই কানি জমির ওপর টিনশেডের পুরোনো ভিটেবাড়ি। সাত মাস আগে ঘরের একটি অংশ ভেঙে পাকা ছাদ নির্মাণ করেন তাঁর ছেলে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কামাল হোসাইন (৪২)। ১৫ দিন পর মাকে নিয়ে নতুন পাকা বাড়িতে ওঠার কথা ছিল। কিন্তু এর আগেই দুর্বৃত্তরা কামাল হোসাইনকে হত্যা করে লাশ গুম করে। ভিটাতে দুই শতাধিক সুপারি ও কয়েকটি নারকেলগাছ। শীতের ঠান্ডা পরিবেশ ও উত্তরের হাওয়ায় নারীকণ্ঠের বিলাপ ভেসে বেড়ায়, মানুষের মনে দাগ কাটে। কিন্তু বৃদ্ধার মনের অশান্তি দূর করার কিংবা বিলাপ থামানোর কেউ নেই।

‎‘বাড়িতে কেউ আছেন’ বলে ডাক দিতেই ছুটে আসেন গোলজার বেগম। সঙ্গে নিহত কামালের স্ত্রী ও দুই নাতি। বাড়িতে নারী-শিশু ছাড়া কোনো পুরুষ নেই। পরিচয় পাওয়ার পর গোলজার বেগম ভেতর থেকে নিহত তিন ছেলের বাঁধাই করা তিনটি ছবি নিয়ে এলেন। বললেন, ‘চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা একে একে আমার এই তিন ছেলেকে হত্যা করেছে। খুনিরা সবাই এলাকায় ঘোরাফেরা করছে। তাদের বিচার হয় না।’

‎পরপর খুন তিন ছেলে

‎নিহত তিনজনের বাবা ছিদ্দিক আহমদ এলাকায় নির্বাচিত ইউপি সদস্য ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর দুবার ইউপি সদস্য হন তাঁর ছেলে কামাল হোসাইন। মূলত নির্বাচন নিয়ে বিরোধের জের ধরেই কামালসহ ছিদ্দিকের তিন ছেলে হত্যার শিকার হন।

‎গত ৮ জুলাই দুপুরে জালিয়াপালং ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য কামাল হোসাইনের মরদেহ মনখালী গ্রামের একটি খাল থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহত কামালের ছোট ভাই সাহাব উদ্দিন বাদী হয়ে ১১ জুলাই উখিয়া থানায় আটজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচ-ছয়জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। মামলার আসামিরা হলেন মনখালী গ্রামের আবদুর রহিম, তোফাইল আহমদ, জুহুর আহমদ চৌধুরী, শরিফুল হক সাগর, জহির আহমদ, নুরুল বশর, মোহাম্মদ রিদুয়ান ও শরিফুল ইসলাম নাহিদ। হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ ও আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে এলাকায় কয়েক দফা মানববন্ধন-প্রতিবাদ সমাবেশ করেন স্থানীয় লোকজন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো আসামি ধরা পড়েনি।

‎এর আগে ২০১৯ সালের ২৭ জুলাই ছিদ্দিকের বড় ছেলে জসিম উদ্দিনকে হত্যা করে মেরিন ড্রাইভের পূর্ব পাশে সাগরপাড়ে ফেলে রাখে। এ ঘটনায়ও সাহাবউদ্দিন বাদী অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। পুলিশ কয়েকজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। মামলাটি বর্তমানে পুলিশের অপরাধ দমন বিভাগ (সিআইডি) চট্টগ্রামে তদন্তাধীন। জসিম হত্যার তিন বছর আগে ২০১৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ছিদ্দিক আহমদের মেজ ছেলে জিয়া উদ্দিন সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। তবে পরিবারের দাবি, তাঁকেও হত্যা করা হয়েছে। ওই ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি।

‎ছিদ্দিক আহমদের বড় ছেলে জসিম উদ্দিনের হত্যার ঘটনায় মামলা করার পর থেকে আসামিরা তাঁর অপর দুই ছেলে সাহাবউদ্দিন ও ইউপি সদস্য কামালকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল। সাহাব উদ্দিন বলেন, ২০২৪ সালে আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটলে অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি হয়। তখন আসামিরা বেপরোয়া হয়ে ওঠে। গত ৮ জুলাই কামাল হোসাইনকে হত্যা করে লাশ খালে ফেলে রাখে তারা

‎কামাল হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও উখিয়া থানার এসআই দুর্জয় সরকার প্রথম আলোকে বলেন, ১১ জুলাই থেকে অন্তত ২০ দিন তিনি মামলার তদন্তকাজ পরিচালনা করেন। ওই সময়ে তিনি কামাল হত্যার নেপথ্যে কোনো সূত্র খুঁজে পাননি। কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করাও সম্ভব হয়নি। বর্তমানে মামলার তদন্ত করছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

‎এ প্রসঙ্গে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক ইমন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, তিন মাসে তদন্তের অনেক অগ্রগতি হয়েছে। তবে এখনো ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে আসেনি। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে এলে অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হবে। ইমন চৌধুরী বলেন, মামলার আসামিরা সবাই হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নিয়েছেন। সে জন্য গ্রেপ্তার করা যাচ্ছে না।

‎নিহত তিনজনের বাবা ছিদ্দিক আহমদ এলাকায় নির্বাচিত ইউপি সদস্য ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর দুবার ইউপি সদস্য হন তাঁর ছেলে কামাল হোসাইন। মূলত নির্বাচন নিয়ে বিরোধের জের ধরেই কামালসহ ছিদ্দিকের তিন ছেলে হত্যার শিকার হন।

‎খুনের পেছনে কারা

‎স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ইউপি নির্বাচনকে ঘিরেই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। বাদী ও আসামিরা পরস্পরের নিকটাত্মীয়। নিহত কামালের ভাগনে আকিল রানা বলেন, ২০১৭-১৮ সালে ৯ নম্বর ওয়ার্ডে সদস্য পদে লড়েন সুলতান আহমদ ও কামাল হোসাইন। সুলতান নিহত কামালের চাচাতো ভাই। তখন আরেক চাচাতো ভাই জহুর আহমদ সুলতানের পক্ষে নির্বাচন করেন। সেই থেকে কামালের পরিবারের সঙ্গে জহুর আহমদ ও সুলতানের পরিবারের বিরোধ শুরু।

‎নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মনখালী গ্রামের কয়েকজন ব্যক্তি জানান, ২০২১ সালে কামাল হোসাইন ইউপি সদস্য পদে প্রার্থী হন। তখন অসুস্থতার কারণে সুলতান প্রার্থী হতে পারেননি। কিন্তু সুলতান ও জহুর আহমদের পরিবার কামালের বিরোধিতা করে মোহাম্মদ মুসার পক্ষে মাঠে নামে। বিপুল ভোটে মেম্বার নির্বাচিত হন কামাল হোসাইন। এরপর দুই পক্ষের বিরোধ চরম পর্যায়ে যায়। শুরু হয় খুনের রাজনীতি।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।