পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদ নির্মাণের জন্য বিপুল পরিমাণ অনুদান জমা পড়তে শুরু করেছে। নগদ টাকা, সোনার গহনা থেকে শুরু করে নির্মাণসামগ্রী—সব মিলিয়ে কয়েক দিনের ব্যবধানে অনুদানের পরিমাণ ৫ কোটি রুপি ছাড়িয়ে গেছে বলে জানিয়েছে মসজিদের অছি পরিষদ। এখনও গণনা সম্পূর্ণ না হওয়ায় চূড়ান্ত অঙ্ক আরও বাড়তে পারে।
গত শনিবার বাবরি মসজিদ ধ্বংসের দিনে মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে মসজিদটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বহিষ্কৃত প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। ওই অনুষ্ঠানে অনুদান সংগ্রহের জন্য ১১টি স্টিলের দানবাক্স রাখা হয়েছিল।
হাজারো মানুষ সেখানে উপস্থিত হয়ে মসজিদ নির্মাণের জন্য উদারভাবে অর্থ ও সোনা দান করেন। সেই দিন থেকেই অনুদান ধারা অব্যাহত রয়েছে—নগদ, অনলাইন ট্রান্সফার ও স্বর্ণালংকার সব মিলিয়ে একাধিক উৎস থেকে টানা দান আসছে।
মঙ্গলবার পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শুধুমাত্র নগদ অনুদানই ৪ কোটি রুপি ছাড়িয়েছে। দানবাক্সগুলোতে ৫০০ রুপির নোট থেকে খুচরো পর্যন্ত সব ধরণের মুদ্রা পাওয়া যাচ্ছে। এত বিপুল অর্থ হাতেকলমে গোনা সম্ভব না হওয়ায় বিশেষ যন্ত্র এনে দু’দিন ধরে গণনার কাজ চলছে। এখনও কয়েকটি বাক্স খোলা হয়নি, ফলে চূড়ান্ত পরিমাণ আরও বড় হবে বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের।
হুমায়ুন কবীর জানান, শুধু টাকা বা সোনা নয়, মসজিদ নির্মাণের জন্য অনেকে ইট, বালি ও পাথরও দান করছেন। তাঁর দাবি—একজন ভক্ত একাই ৮০ কোটি রুপি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। মসজিদ নির্মাণে তিন বছর সময় লাগবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গা–রেজিনগর সংযোগস্থলে জাতীয় সড়কের পাশে তিন কাঠা জমিতে মূল মসজিদটি নির্মিত হবে। পাশাপাশি ২৫ কাঠা জমিতে হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয় এবং পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। নির্মাণকাজ বন্ধ করতে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা হলেও আদালত কোনো হস্তক্ষেপ না করায় আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু হয়েছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?