বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

গবির আইন শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলন: নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি

সানজিদা খানম,গবি প্রতিনিধি সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে (গবি) চলমান পরিস্থিতি ও আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে আইন বিভাগ শিক্ষার্থী কল্যাণ পরিষদ ও বিভাগটির শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় গণ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (গবিসাস) কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্বে অবহেলা, আইন বিভাগের যৌক্তিক আন্দোলনকে […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৮:৫২

সানজিদা খানম,গবি প্রতিনিধি

সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে (গবি) চলমান পরিস্থিতি ও আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে আইন বিভাগ শিক্ষার্থী কল্যাণ পরিষদ ও বিভাগটির শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় গণ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (গবিসাস) কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্বে অবহেলা, আইন বিভাগের যৌক্তিক আন্দোলনকে বাধাগ্রস্ত করতে কুচক্রমহলের তৎপরতা, তদন্ত সাপেক্ষে যৌন হয়রানি

ও ব্ল্যাকমেইলের ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে আইন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানসহ অন্যান্য শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের সুষ্ঠু বিচারের দাবি করেন। এছাড়া র‍্যাগিং, যৌন নিপিড়ন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে যৌন নিপিড়ন বিরোধী সেল ও কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থী কল্যাণ পরিষদের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) তাওহীদ আহমদ সালেহীন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে দায়িত্বশীল শিক্ষক, কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্বে অবহেলা। দায়িত্বশীলদের পেশাদারিত্বে অবহেলার ফলেই ক্যাম্পাসে র‍্যাগিং,

ধর্ষণসহ নানা অপরাধমূলক কাজ মাথাচাড়া দিয়ে উঠে। যেসব যৌক্তিক দাবির প্রেক্ষিতে আইন বিভাগের শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছে সকল বিষয়ের সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তদের শাস্তি প্রদান করে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী যৌন নিপীড়ন বিরোধী সেলে প্রতিষ্ঠানের বাইরে দুজন থাকবে যারা লিঙ্গ, মানবাধিক নিয়ে কাজ করবে। অথচ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন নিপীড়ন বিরোধী সেলের অফিস কোথায়,

কমিটির প্রধান ছাড়া বাকী সদস্যরা কারা এখনো জানায়নি। চলমান প্রতিকূলতা কাটাতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

কল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) আসাদুর রহমান বিজয় বলেন, ‘লিমন স্যার শুধু ধর্ষণের সহায়তাকারীই নয় বিভাগের একাধিক নারী শিক্ষার্থী তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ দিয়েছে। ক্লাসে পড়ানোর পরিবর্তে অধিকাংশ সময়ই শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে হস্তক্ষেপ করেন এছাড়া তিনি স্বজন প্রীতি করেন।

ক্ষমতাসীনদের সাথে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখেন এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে মিশে যেতেন এবং দূর্বলতা জেনে শিক্ষার্থীদের জিম্মি করতেন। তার শিক্ষক হওয়ার শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই। পা এর সমস্যার জন্য দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে সকল শিক্ষার্থীদের জীবন নষ্ট করতে পারে না। আইন বিভগের শিক্ষার্থীরা উনাকে চায় না। তাকে পেশাদারিত্বের পদ থেকে অব্যাহতির দাবি জানাই।’

আইন বিভাগের শিক্ষার্থী জাকারিয়া ইসলাম বলেন, ‘লিমন হোসেন শিক্ষক হওয়ার যোগ্যতা রাখেনা। ধর্ষণকারীকে রক্ষা করা, যৌন হয়রানিসহ নানা অভিযোগ তার বিরুদ্ধে। তার বিষয়ের পরীক্ষার খাতা অন্য শিক্ষার্থী দিয়ে দেখাতো। আমরা এমন অযোগ্য শিক্ষক চাইনা। শিক্ষার্থীরা সত্য কথা বললে তাদের মাইর খেতে হয়, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা কোথায়?

এত অভিযোগ ছাড়াও ছাত্রীদের যৌন হয়রানীর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে তাও কেনো তাকে বিভাগে রাখা হয়েছে। আমার মনে হয় প্রশাসনও তার কাছে জিম্মি তাই সময়ক্ষেপণ করে তাকে ফিরিয়ে আনতে চাচ্ছে। তবে আমরাও বলছি আমাদের দাবি অব্যাহত থাকবে, আমাদের আন্দোলন চলবে।

এ সময় সংবাদ সম্মেলনে আইন বিভাগ শিক্ষার্থী কল্যাণ পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।