শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আইন-আদালত

তিন সাংবাদিককে জামায়াত আইনজীবীর হেনস্তা, কারাগারে পাঠাতে চাইলেন বিচারক

ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এলাকায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে জামায়াতপন্থী কিছু আইনজীবীর হাতে তিন সাংবাদিক হেনস্তার শিকার হয়েছেন। পরবর্তীতে ওই তিন সাংবাদিককে আদালতে তলব করে কাঠগড়ায় দাঁড় করান ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস এবং তাদের কারাগারে পাঠানোর হুমকি দেন। পরে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার শর্তে সাংবাদিকদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে কোর্ট রিপোর্টার্স ইউনিটি […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ অক্টোবর ২০২৫, ১৬:২১

ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এলাকায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে জামায়াতপন্থী কিছু আইনজীবীর হাতে তিন সাংবাদিক হেনস্তার শিকার হয়েছেন। পরবর্তীতে ওই তিন সাংবাদিককে আদালতে তলব করে কাঠগড়ায় দাঁড় করান ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস এবং তাদের কারাগারে পাঠানোর হুমকি দেন।

পরে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার শর্তে সাংবাদিকদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে কোর্ট রিপোর্টার্স ইউনিটি (সিআরইউ)। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ভিডিও ফুটেজ সূত্রে জানা যায়, বুয়েট শিক্ষার্থী ফারদিন নূর পরশের মৃত্যু মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। ওইদিন আদালতে হাজির হন ফারদিনের বান্ধবী আমাতুল্লাহ বুশরা এবং তার বাবা নুর উদ্দিন রানা। বুশরা আদালত থেকে বের হওয়ার সময় সংবাদমাধ্যমের তিন কর্মী—কালের কণ্ঠের মাসুদ রানা, একুশে টিভির আরিফুল ইসলাম ও দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের আরিফুল ইসলাম—ভিডিও ধারণ করতে যান।

এসময় জামায়াতপন্থী আইনজীবী ও আইনজীবী সমিতির সদস্য রেজাউল হক রিয়াজ এবং হাতিরঝিল থানা জামায়াতের রোকন হিসেবে পরিচিত আইনজীবী আক্তারুজ্জামান ডালিমসহ কয়েকজন ভিডিও ধারণে বাধা দেন। সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্বের কথা জানালে তাদের প্রতি আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন ওই আইনজীবীরা।

এক পর্যায়ে আইনজীবীরা সাংবাদিকদের বিচারকের সামনে নিয়ে যাওয়ার দাবি তোলে এবং জোর করে আদালতের সামনে ঘেরাও করে। অভিযোগ অনুযায়ী, আক্তারুজ্জামান ডালিম এক সাংবাদিকের মোবাইল ফোন কেড়ে নেন এবং মামলার বাদী নুর উদ্দিন রানাকেও হুমকি দেন।

এরপর ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস আদালতে তিন সাংবাদিককে ডেকে এনে কাঠগড়ায় দাঁড় করান। এসময় রেজাউল হক রিয়াজ ঘটনাস্থল থেকে সরে যান। সাংবাদিকদের পরিচয় জানার পর বিচারক বলেন, “আপনারা আদালতের পরিবেশ নষ্ট করেছেন, এখন আপনাদের কারাগারে পাঠানো হবে।

কিছুক্ষণ পর তিনি বলেন, আপনারা নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলে ছেড়ে দেওয়া হবে, নইলে জেলে যেতে হবে। পরে সাংবাদিকরা ক্ষমা চাইলে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।

মাসুদ রানা বলেন, আমরা কেবল ভিডিও নিতে গিয়েছিলাম, কিন্তু কয়েকজন আইনজীবী আমাদের বাধা দেয় এবং বিচারকের কাছে নিয়ে যায়। বিচারক আমাদের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে বলেন, সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হবে। পরে ক্ষমা চাওয়ার শর্তে ছেড়ে দেওয়া হয়।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম বলেন, “ভিডিও ধারণে বাধা দিলে একজন আইনজীবী আমার ফোন কেড়ে নেয়। আমাদের বিরুদ্ধে অযথা অভিযোগ তোলা হয় এবং জোর করে বিচারকের সামনে দাঁড় করানো হয়। আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়েই হুমকি দেওয়া হয়।”

আইনজীবী আক্তারুজ্জামান ডালিম বলেন, বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝির কারণে ঘটেছিল, পরে বিচারক ডেকে মীমাংসা করেন। রেজাউল হক রিয়াজ জানান, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত ছিল, এ বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই।

ঢাকা কোর্ট রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি লিটন মাহমুদ বলেন, সাংবাদিকদের ওপর এমন আচরণ দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। তারা শুধুমাত্র পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলেন, আদালতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার মতো কোনো আচরণ করেননি।

তিনি আরও বলেন, বিচারক হাসিব উল্লাহ পিয়াসের অতিউৎসাহী মনোভাব অগ্রহণযোগ্য। আমরা তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা ও অপসারণের দাবি জানাচ্ছি। এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতির কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হবে

আইন-আদালত

ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজ

ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ২৪ প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একটি আবেদনের পর বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

নিউজ ডেস্ক

০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:৫৬

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিতে এস আলম গ্রুপের নামে থাকা ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজ করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

ইসলামী ইকোনমিক রিসার্চ ব্যুরোর করা আবেদনের পর বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) আদেশটির লিখিত অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী শিশির মনির।

আদালতে করা রিট আবেদনে বলা হয়, প্রচলিত আইন অনুযায়ী একই গ্রুপ বা একটি পরিবারের সদস্যরা কোনো ব্যাংকের ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার ধারণ করতে পারেন না। কিন্তু এস আলমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ২৪টি কোম্পানি প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ারহোল্ডার হিসেবে ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে যুক্ত হয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতে সম্মিলিতভাবে ব্যাংকটির ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

এর আগে গত বছর এস আলম-সংশ্লিষ্ট ২৪ প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ারহোল্ডার, কয়েকজন পরিচালক ও ব্যক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।

একই আদেশে সংশ্লিষ্ট শেয়ারহোল্ডার পরিচালকদের বিদেশযাত্রায়ও বিধিনিষেধ দেওয়া হয়েছিল। আদালতের অনুমতি ছাড়া তাদের দেশত্যাগ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

আইন-আদালত

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডন ৫ দিনের রিমান্ডে

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডনের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডনের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট […]

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডন ৫ দিনের রিমান্ডে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৭ আগস্ট ২০২৬, ১৫:৩০

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডনের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডনের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

সিআইডির দাবি, ডনকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনায় করা হত্যা মামলার প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

একই সঙ্গে মামলায় জড়িত অন্য সহযোগীদের অবস্থান শনাক্ত এবং তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়েও তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

আইন-আদালত

শেখ হাসিনাসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আপিলের সুযোগ শেষ: চিফ প্রসিকিউটর

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, শেখ হাসিনাসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত যেসব আসামি রায়ের ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করেননি, তাদের আপিলের আর সুযোগ নেই। গুম ও মানবাধিকার আইন নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আজ সোমবার দুপুর ১২টায় তিনি এ কথা বলেন। চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আইন অনুযায়ী রায়ের ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। নির্ধারিত […]

শেখ হাসিনাসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আপিলের সুযোগ শেষ: চিফ প্রসিকিউটর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩:২০

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, শেখ হাসিনাসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত যেসব আসামি রায়ের ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করেননি, তাদের আপিলের আর সুযোগ নেই।

গুম ও মানবাধিকার আইন নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আজ সোমবার দুপুর ১২টায় তিনি এ কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আইন অনুযায়ী রায়ের ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যারা আপিল করেননি, তারা পরবর্তীতে আর আপিলের সুযোগ পাবেন না।

এদিকে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের কোনো অসঙ্গতি হবে না বলেও জানান মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, গুমের সব অভিযোগ ও রিপোর্ট যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।