শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ধানের শীষে ভোট দিয়ে মানুষ কখনো প্রতারিত হয়নি: কাদের গনি চৌধুরী

বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশের উন্নয়ন হয়, মানুষ শান্তিতে বসবাস করে। ধানের শীষ বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির প্রতীক। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি মানবিক বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।

নিউজ ডেস্ক

২৪ অক্টোবর ২০২৫, ১৫:৫৪

বিএনপির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সহসম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী বলেছেন, ধানের শীষে ভোট দিয়ে বাংলাদেশের মানুষ কখনো প্রতারিত হয়নি। বিএনপি সবসময় জনগণের ভোটাধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করেছে। তিনি বলেন,

বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশের উন্নয়ন হয়, মানুষ শান্তিতে বসবাস করে। ধানের শীষ বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির প্রতীক। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি মানবিক বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলা সদর বিবিরহাট বাজারে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা লিফলেট বিতরণের আগে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

দুপুর থেকেই ফটিকছড়ি ও ভুজপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিএনপি নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে জড়ো হন। বিকেল ৩টায় ফটিকছড়ির তালিমুদ্দিন মাদরাসা মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। হাজারো জনতার উদ্দেশে কাদের গনি চৌধুরী বক্তব্য দেন। বক্তব্য শেষে তিনি বিবিরহাট বাজারে ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ করেন এবং গণমিছিল বের করেন।

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, তারেক রহমান এমন এক মানবিক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেন, যেখানে কোনো নাগরিক অধিকারবঞ্চিত হবে না। তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গণতন্ত্র বারবার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে স্বৈরশাসন, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের দুর্বলতা জনগণের প্রত্যাশাকে ব্যাহত করেছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, সুষ্ঠু নির্বাচন প্রক্রিয়ার অভাব ও স্বচ্ছতার সংকটে গণতন্ত্রের ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে। বিএনপির ৩১ দফা এই সংকটগুলো চিহ্নিত করে নতুন রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করেছে, যা শুধু সমাধান নয় বরং একটি টেকসই গণতান্ত্রিক কাঠামো গড়ে তোলার রূপরেখা।

তিনি বলেন, বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচি গণতন্ত্র, সুশাসন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সময়োপযোগী ও বাস্তবভিত্তিক নীতিমালা। এতে গণতন্ত্রের সংকট নিরসন ও ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এটি জাতির জন্য এক নতুন দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে। গণতন্ত্র, সুশাসন ও সামাজিক ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে প্রণীত এই কর্মসূচি দেশকে নতুন যুগের পথে এগিয়ে নেবে।

তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রের সংকট বাংলাদেশে নতুন নয়। দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতা, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারে রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তরে সংকট তৈরি হয়েছে। বিএনপির ৩১ দফায় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও শক্তিশালী করার জন্য জনগণের অংশগ্রহণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষা এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিতের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

বিএনপি প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের রাজনীতির বিপক্ষে, বরং জনগণের ঐক্য ও সম্প্রীতির রাজনীতিতে বিশ্বাসী উল্লেখ করে কাদের গনি বলেন,

“বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তার রাজনৈতিক দর্শন ছিল একটি স্থিতিশীল গণতন্ত্র গড়ে তোলা, যেখানে জাতীয় সংসদ জনগণের অধিকার রক্ষার মূল ভিত্তি হবে।”

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের পথ অনুসরণ করে বেগম খালেদা জিয়া সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় পদ্ধতি এবং ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেন, যা জাতীয় নির্বাচনের সুষ্ঠুতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করেছিল।

তিনি বলেন, বিএনপি বিশ্বাস করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অনুপ্রাণিত হয়ে গণতন্ত্র, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে রাষ্ট্র গঠনের স্বপ্ন দেখেছিলেন বাংলাদেশের মানুষ। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে সব মত ও পথের মানুষের সঙ্গে আলোচনা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে বৈষম্যহীন, জ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করবে। প্রতিহিংসার রাজনীতির বিপরীতে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ভিত্তিক এক সম্প্রীতির রাষ্ট্র গঠনই বিএনপির লক্ষ্য, যেখানে ধর্ম-বর্ণ, শ্রেণি, পেশা নির্বিশেষে সবাই স্নেহ ও ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে এক ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবে এগিয়ে যাবে।

লিফলেট বিতরণ শেষে গণমিছিলে অংশ নেন সাবেক চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সারোয়ার হোসেন, এম মোর্শেদ হাজারী, ওসমান তাহের সম্রাট, আহমদ গনি চৌধুরী, মোহাম্মদ ইউসুফ, কে আজম, মনচুর চৌধুরী, সৈয়দ মোর্শেদ, সেলিম খান, আমিন তালুকদার, মোহাম্মদ মানিক হোসেন, হানিফ মেম্বার, সৈয়দ মেম্বার, নুরুল আবছার চৌধুরী, আবু তাহের মেম্বার, আইয়ুব মেম্বার, নাসির চৌধুরী, আবদুল হালিম চৌধুরী, হাসান চৌধুরী, আহসানুল করিম রাজন, রসুল আমিন ও আবু বকরসহ বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৬৪

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৫২
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৬৪

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৫২