বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ধানের শীষে ভোট দিয়ে মানুষ কখনো প্রতারিত হয়নি: কাদের গনি চৌধুরী

বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশের উন্নয়ন হয়, মানুষ শান্তিতে বসবাস করে। ধানের শীষ বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির প্রতীক। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি মানবিক বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।

নিউজ ডেস্ক

২৪ অক্টোবর ২০২৫, ১৫:৫৪

বিএনপির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সহসম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী বলেছেন, ধানের শীষে ভোট দিয়ে বাংলাদেশের মানুষ কখনো প্রতারিত হয়নি। বিএনপি সবসময় জনগণের ভোটাধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করেছে। তিনি বলেন,

বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশের উন্নয়ন হয়, মানুষ শান্তিতে বসবাস করে। ধানের শীষ বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির প্রতীক। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি মানবিক বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলা সদর বিবিরহাট বাজারে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা লিফলেট বিতরণের আগে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

দুপুর থেকেই ফটিকছড়ি ও ভুজপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিএনপি নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে জড়ো হন। বিকেল ৩টায় ফটিকছড়ির তালিমুদ্দিন মাদরাসা মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। হাজারো জনতার উদ্দেশে কাদের গনি চৌধুরী বক্তব্য দেন। বক্তব্য শেষে তিনি বিবিরহাট বাজারে ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ করেন এবং গণমিছিল বের করেন।

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, তারেক রহমান এমন এক মানবিক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেন, যেখানে কোনো নাগরিক অধিকারবঞ্চিত হবে না। তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গণতন্ত্র বারবার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে স্বৈরশাসন, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের দুর্বলতা জনগণের প্রত্যাশাকে ব্যাহত করেছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, সুষ্ঠু নির্বাচন প্রক্রিয়ার অভাব ও স্বচ্ছতার সংকটে গণতন্ত্রের ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে। বিএনপির ৩১ দফা এই সংকটগুলো চিহ্নিত করে নতুন রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করেছে, যা শুধু সমাধান নয় বরং একটি টেকসই গণতান্ত্রিক কাঠামো গড়ে তোলার রূপরেখা।

তিনি বলেন, বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচি গণতন্ত্র, সুশাসন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সময়োপযোগী ও বাস্তবভিত্তিক নীতিমালা। এতে গণতন্ত্রের সংকট নিরসন ও ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এটি জাতির জন্য এক নতুন দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে। গণতন্ত্র, সুশাসন ও সামাজিক ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে প্রণীত এই কর্মসূচি দেশকে নতুন যুগের পথে এগিয়ে নেবে।

তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রের সংকট বাংলাদেশে নতুন নয়। দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতা, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারে রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তরে সংকট তৈরি হয়েছে। বিএনপির ৩১ দফায় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও শক্তিশালী করার জন্য জনগণের অংশগ্রহণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষা এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিতের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

বিএনপি প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের রাজনীতির বিপক্ষে, বরং জনগণের ঐক্য ও সম্প্রীতির রাজনীতিতে বিশ্বাসী উল্লেখ করে কাদের গনি বলেন,

“বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তার রাজনৈতিক দর্শন ছিল একটি স্থিতিশীল গণতন্ত্র গড়ে তোলা, যেখানে জাতীয় সংসদ জনগণের অধিকার রক্ষার মূল ভিত্তি হবে।”

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের পথ অনুসরণ করে বেগম খালেদা জিয়া সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় পদ্ধতি এবং ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেন, যা জাতীয় নির্বাচনের সুষ্ঠুতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করেছিল।

তিনি বলেন, বিএনপি বিশ্বাস করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অনুপ্রাণিত হয়ে গণতন্ত্র, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে রাষ্ট্র গঠনের স্বপ্ন দেখেছিলেন বাংলাদেশের মানুষ। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে সব মত ও পথের মানুষের সঙ্গে আলোচনা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে বৈষম্যহীন, জ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করবে। প্রতিহিংসার রাজনীতির বিপরীতে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ভিত্তিক এক সম্প্রীতির রাষ্ট্র গঠনই বিএনপির লক্ষ্য, যেখানে ধর্ম-বর্ণ, শ্রেণি, পেশা নির্বিশেষে সবাই স্নেহ ও ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে এক ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবে এগিয়ে যাবে।

লিফলেট বিতরণ শেষে গণমিছিলে অংশ নেন সাবেক চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সারোয়ার হোসেন, এম মোর্শেদ হাজারী, ওসমান তাহের সম্রাট, আহমদ গনি চৌধুরী, মোহাম্মদ ইউসুফ, কে আজম, মনচুর চৌধুরী, সৈয়দ মোর্শেদ, সেলিম খান, আমিন তালুকদার, মোহাম্মদ মানিক হোসেন, হানিফ মেম্বার, সৈয়দ মেম্বার, নুরুল আবছার চৌধুরী, আবু তাহের মেম্বার, আইয়ুব মেম্বার, নাসির চৌধুরী, আবদুল হালিম চৌধুরী, হাসান চৌধুরী, আহসানুল করিম রাজন, রসুল আমিন ও আবু বকরসহ বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৬

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৪

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৪

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৪