আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়েও ৪টি বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচনের মতোই ফলাফল হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান।
শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নাটোরের বড়াইগ্রামের বনপাড়ায় আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “একটি রাজনৈতিক দল ভাবছে, এখন আর জনগণের ভোটের প্রয়োজন নেই।
কিন্তু সেই জামানা শেষ হয়ে গেছে।” তিনি আরও দাবি করেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাম্প্রতিক নির্বাচনে যেসব দল ফুল প্যানেল জয়ের স্বপ্ন দেখেছিল, তারা হেরে গেছে। একই দৃশ্য আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে দেখা যাবে।
রফিকুল ইসলাম খান বলেন, “বাংলাদেশে আর আওয়ামী লীগ স্টাইলে কোনো নির্বাচন হবে না। জনগণ এবার ভোটের মাধ্যমে তার জবাব দেবে।” তিনি সরকারের উদ্দেশে বলেন, “আপনারা সংবিধানের মৌলিক পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি তৈরির কথা বলেছেন, গণহত্যার বিচার করার অঙ্গীকার করেছেন—কিন্তু তার কিছুই বাস্তবায়ন করেননি। এখন জাতির সামনে স্পষ্ট করে বলুন, এই অঙ্গীকারগুলোর কোনটি আপনি রাখবেন।”
তিনি দাবি করেন, আসন্ন সংসদ নির্বাচনে সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে সবাই সমানভাবে ভোটে অংশ নিতে পারে। সেই সঙ্গে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি প্রতিষ্ঠা, পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন, ৭১ ও পরবর্তী সময়ের গণহত্যার বিচার, এবং সরকারের ভেতরে-বাইরে থাকা ফ্যাসিস্ট শক্তিকে গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখি করার আহ্বান জানান।
বড়াইগ্রাম উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আয়োজিত এই সমাবেশে স্থানীয় নেতারাও বক্তব্য রাখেন এবং গণতান্ত্রিক ও ন্যায্য নির্বাচনের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।