চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) অনুষ্ঠিত চাকসু ভোটে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের সহসভাপতি (ভিপি) প্রার্থী সাজ্জাদ হোসেন ভোটগ্রহণ শেষে বলেছেন—শিক্ষার্থীরা যে রায় দেবেন, আমরা তা সম্মান করবো; জয়-পরাজয় যেটিই হোক অতীতে যেভাবে শিক্ষার্থীদের পাশে ছিলাম সেভাবেই থাকবো।
কিন্তু যে প্রক্রিয়ায় ভোট নেওয়া হচ্ছে তা দুঃখজনক এবং খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। মোঃ রবিউল আলম, চট্টগ্রাম থেকে জানান—সাজ্জাদ বলেন, ভোট শেষে আঙুলে দাগ দেয়া হলেও তা উঠে যাচ্ছে; এতে একজন একাধিকবার ভোট দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে, আমরা এ বিষয়ে স্পষ্ট জবাব চাই।
আজ সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলা চবির কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু), হল ও হোস্টেল সংসদ নির্বাচনে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি অনুষদ ভবনে মোট ১৫টি ভোটকেন্দ্র এবং ৬১টি ভোটকক্ষ নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রতিটি কক্ষে সর্বোচ্চ ৫০০ ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগে সক্ষম—নির্বাচন কমিশন সূত্রে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এ বছরের নির্বাচনে চাকসুর ২৬ টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ৪১৫ জন প্রার্থী; হল ও হোস্টেল সংসদের ২৪ পদে লড়ছেন ৪৯৩ জন। মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭,৫১৬ জন।
৩৬ বছর পর পুনরায় আয়োজিত এ নির্বাচনকে ঘিরে ক্যাম্পাসজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে; পাশাপাশি প্রশাসন ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
তবে সাজ্জাদের অভিমত অনুযায়ী, আঙুলে দাগের বিষয়ে যেই অনিয়ম দেখা যাচ্ছে তা দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত—এছাড়া একাধিক বৃত্ত পূরণ করলে ভোট বাতিল হবে বলে কমিশন ইতোমধ্যে জানিয়েছে।
শিক্ষার্থীদের আশা—নির্বাচন স্বচ্ছ ও ন্যায্যভাবে সম্পন্ন হবে; সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রতিকার করবেন, যাতে আগামী দিনগুলোতে ছাত্র রাজনীতিতে আস্থা বজায় থাকে।