বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

ফ্লোটিলাকর্মীদের প্রতি আচরণই প্রমাণ করে, ইসরায়েল শাস্তির ঊর্ধ্বে: মার্কিন সাংবাদিক

“গাজার জন্য মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে যাত্রা করা ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’-এর কর্মীদের সঙ্গে ইসরায়েলের যে আচরণ, তা প্রমাণ করে যে তেল আবিব সম্পূর্ণভাবে শাস্তির ঊর্ধ্বে অবস্থান করছে।” এই এক বাক্যই কেবল ইসরায়েলের কৌশল ও আন্তর্জাতিক নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেনি, বিশ্ব ব্যাপী মানবাধিকার ক্ষেত্রেও এক বিতর্ককেন্দ্র সৃষ্টি করেছে।

নিউজ ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৫, ০০:৫৭

যুক্তরাষ্ট্রের সাংবাদিক ও প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা অ্যাবি মার্টিনের কঠোর সমালোচনার পর গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা ও গাজা সংকট নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নতুন করে বিতর্ক তীব্র হলো। পার্স টুডে সংবাদে এবং তুর্কি সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর সঙ্গে সাক্ষাৎকারে তিনি সরাসরি বলেছেন,

“গাজার জন্য মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে যাত্রা করা ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’-এর কর্মীদের সঙ্গে ইসরায়েলের যে আচরণ, তা প্রমাণ করে যে তেল আবিব সম্পূর্ণভাবে শাস্তির ঊর্ধ্বে অবস্থান করছে।” এই এক বাক্যই কেবল ইসরায়েলের কৌশল ও আন্তর্জাতিক নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেনি, বিশ্ব ব্যাপী মানবাধিকার ক্ষেত্রেও এক বিতর্ককেন্দ্র সৃষ্টি করেছে।

অ্যাবি মার্টিন বিশেষ করে পশ্চিমা দেশগুলোর নীরবতা ও তাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থকে লক্ষ্য করে আক্রমণাত্মক ভাষায় বলেন, “পরিচিত ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে অপমানজনক আচরণ, তাঁদের ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দিয়ে উপহাস করা এবং মৌলিক মানবাধিকার অস্বীকার করা—এসবই এমন এক সমাজের প্রতিচ্ছবি, যা ক্ষমতা ও গণহত্যার নেশায় অসুস্থ হয়ে পড়েছে।” তারنانী অভিযোগগুলো কেবল জোরালো ব্যক্তিগত বক্তব্য নয়; মার্টিন এখানে আন্তর্জাতিক প্রচলিত কূটনীতি ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি এক ঘোর প্রতিধ্বনি তুলে ধরেছেন।

আরও বিস্ফোরক বক্তব্যে তিনি গাজার ওপর নৃশংসতার ছবি চিত্রিত করে বলেন,

“সেখানে যে বর্বরতা চলছে, তা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যার বর্ণনা দিতে ভাষা যথেষ্ট নয়। গত দুই বছরে গাজায় যা ঘটেছে, তা ইতিহাসের বইয়ে পড়া বা ছবিতে দেখা যে কোনো ঘটনার সীমা ছাড়িয়ে গেছে।”

এই সমালোচনার সঙ্গে মার্টিনের আপত্তি যে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো প্রায়ই সাম্রাজ্যবাদের হাতিয়ারে পরিণত হচ্ছে, তা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো ও তাদের নীতিনির্ধারকদের জন্য এক চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। তিনি বলেন, “যেসব আন্তর্জাতিক সংস্থা দাবি করে যে, তারা গণহত্যার মতো বিপর্যয় ঠেকাতে চায়—বাস্তবে তারা সাম্রাজ্যবাদের হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে এবং নিজেদের মানবতা হারিয়ে ফেলেছে।”

অ্যাবি মার্টিন আরও বলেন, গাজায় যে গণহত্যা ও গণহত্যার চিহ্ন রয়েছে তার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্তদের বিচারের দাবি তুলে তিনি বলেন,

“২০০ জনেরও বেশি সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী, তাদের অনেকেই পরিবার-পরিজনসহ, সুপরিকল্পনা হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। নিউ ইয়র্ক টাইমসের সম্পাদকীয় বোর্ডকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জো বাইডেনের সঙ্গে হেগ আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে বিচারের মুখোমুখি করা উচিত, কারণ তারাও এই গণহত্যার সহযোগী।”

এই তীব্র বিবৃতি আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও সাংবাদিক স্বাধীনতার ওপর যে আলোচনাকে ঝাঁকুনি দিয়েছে, তা নিম্নতলার নয়।

মার্টিনের অভিযোগের যে প্রেক্ষিতটা সবচেয়ে উদ্বেগজনক তা হলো তাঁর বক্তব্য যে পশ্চিমা গণমাধ্যম একাধারে কর্পোরেট ফান্ডিং ও রাজনৈতিক চাপের ফলশ্রুতিতে নিরপেক্ষতা হারিয়েছে। তিনি বলেন, “পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো ব্যাংক, তেল কোম্পানি ও অস্ত্র শিল্পের টাকায় পরিচালিত হয়। যে সাংবাদিকরা ইহুদিবাদের পক্ষে কথা বলেন না কিংবা ফিলিস্তিন নিয়ে নিজেদের মতামত গোপন করেন না—তাদের চাকরি হারাতে হয়।” এই অভিযোগটি মিডিয়া স্বচ্ছতা ও স্বাধীনতার বিবেচনায় গর্জে ওঠা প্রশ্ন তোলে।

দূরপ্রসারী সতর্কতাও দিয়েছেন মার্টিন:

“যদি কেউ মনে করে এই পরিস্থিতি শুধু গাজা পর্যন্ত সীমিত থাকবে, তবে তারা ভুল করছে। গাজা এখন এমন এক পরীক্ষাগার, যার মাধ্যমে বিশ্বের বাকি অংশের উপরও নতুন ‘নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা’ চাপিয়ে দেওয়া হবে।”

এই কথা কেবল স্থানীয় সংকট নয়—এটি একটি বিশ্বব্যাপী কৌশলগত ও নৈতিক সংকট হিসেবে উপস্থাপন করেছেন তিনি।

শেষাংশে মার্টিন পশ্চিমা সমাজ তথা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদের বিরুদ্ধে নেওয়া কঠোর নিষেধাজ্ঞার উদাহরণ স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলছেন, স্বীকৃত ইতিহাস যেমন দেখায় নিষেধাজ্ঞা কার্যকর এক আন্দোলন, ঠিক তেমনি এখনই ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অস্ত্র, বাণিজ্য, সংস্কৃতি ও একাডেমিক বয়কট আরোপের মাধ্যমে চাপ গঠন করা উচিত। তাঁর ভাষায়,

“যেভাবে বিশ্ব একসময় দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী শাসনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল, ঠিক সেভাবেই এখন ইসরাইলি দমননীতির বিরুদ্ধেও চাপ তৈরি করতে হবে।”

অ্যাবি মার্টিনের এই বক্তব্যগুলো কেবল তীব্র ব্যাখ্যা নয়; তারা আন্তর্জাতিক নীতিনির্ধারক, মানবাধিকার সংস্থা, মিডিয়া এবং সাধারণ জনমতের কাছে এক জোরালো আহ্বান। গাজা ও ফ্লোটিলা ইস্যুতে তার বক্তব্য যে তেল আবিবকে ‘শাস্তির ঊর্ধ্বে’ অবস্থানকারী হিসেবে চিত্রিত করছে, তা আন্তর্জাতিক ন্যায়-নীতি ও সামরিক নীতির ওপর এক নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অনেকে বলছে, এসব দাবি তদন্ত ও বিচার দাবি করে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের যথার্থ ও তৎপর প্রতিক্রিয়ার ওপরই ভবিষ্যৎ মানবাধিকার রক্ষার নির্ণয় নির্ভর করবে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১১৬

আন্তর্জাতিক

তিন দেশের নাগরিকদের প্রবেশ ও ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, উগান্ডা এবং দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সৌদি আরব। একই সঙ্গে এই তিন দেশ থেকে আসা যেকোনো ভ্রমণকারীর জন্য ভিসা ইস্যু এবং সৌদিতে প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র সরাসরি ওই তিন দেশ থেকে […]

তিন দেশের নাগরিকদের প্রবেশ ও ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

তিন দেশের নাগরিকদের প্রবেশ ও ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

ডেস্ক রিপোর্ট

২৭ জুন ২০২৬, ১০:০৯

ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, উগান্ডা এবং দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সৌদি আরব। একই সঙ্গে এই তিন দেশ থেকে আসা যেকোনো ভ্রমণকারীর জন্য ভিসা ইস্যু এবং সৌদিতে প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র সরাসরি ওই তিন দেশ থেকে আসা যাত্রীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য নয়, বরং তৃতীয় কোনো দেশ হয়ে যারা সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টা করছেন, তাদের ক্ষেত্রেও কার্যকর হবে। সৌদিতে প্রবেশের আগের ২১ দিনের মধ্যে যদি কোনো ব্যক্তি এই তিন দেশের যেকোনো একটিতে অবস্থান করে থাকেন, তবে তিনিও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বেন। এছাড়া সৌদি নাগরিকদেরও ওই তিন দেশে ভ্রমণ না করার নির্দেশনা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সৌদি আরবের জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ‘ওয়াকায়া’ জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং সংক্রামক ব্যাধির আন্তঃসীমান্ত বিস্তার রোধে এই জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইবোলা সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে সৌদি আরবের প্রবেশপথগুলোতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা (স্ক্রিনিং), রোগ নজরদারি এবং দ্রুত সাড়াদান প্রক্রিয়া আরও জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া আক্রান্ত দেশগুলোর প্রতিবেশী রাষ্ট্র—যেমন রুয়ান্ডা, বুরুন্ডি, তানজানিয়া ও কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ব্রাজাভিল) থেকে আগত যাত্রীদের ক্ষেত্রেও বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে, সৌদি আরবের জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি বর্তমানে সম্পূর্ণ স্থিতিশীল। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা চালুর পর থেকে দেশটিতে এখন পর্যন্ত ইবোলার কোনো নিশ্চিত বা সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়নি। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মহামারি পরিস্থিতির ওপর সৌদি কর্তৃপক্ষ সার্বক্ষণিক নজর রাখছে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ প্রস্তুত রয়েছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১১৬

আন্তর্জাতিক

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে। ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের […]

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১০:৪৫

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে।

ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে ভারতের অংশের সমস্ত পানি সম্পূর্ণ ব্যবহারের ঘোষণার পরই ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে এই তীব্র প্রতিক্রিয়া এল।

ইসলামাবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মুসাদিক মালিক সরাসরি অভিযোগ করেন যে প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী সিন্ধু নদের পানির কলটি নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং তিনি পাকিস্তানে এক ফোঁটা পানিও আসতে দিতে চান না।

পাকিস্তানি এই মন্ত্রী বলেন যে তাদের দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষের জীবিকা কৃষির ওপর নির্ভরশীল। ফলে অন্য কেউ এসে তাদের দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, অর্ধেক কর্মসংস্থান এবং ২৫ শতাংশ অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করবে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন যে পানির অধিকার খর্ব করা হলে তার চড়া মূল্য দিতে হবে এবং তারা যেকোনো মূল্যে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করবেন।

মুসাদিক মালিক আরও যুক্তি দেন যে আন্তর্জাতিক প্রথা অনুযায়ী চুক্তি না থাকলেও নদীর উপরিভাগে থাকা দেশগুলো নিচের দেশের পানি প্রবাহ বন্ধ করতে পারে না।

অথচ দুই দেশের মধ্যে ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত একটি সুনির্দিষ্ট চুক্তি রয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য নিম্ন অববাহিকার শিশুদের পানির অধিকার রয়েছে কি না এবং আন্তর্জাতিকভাবে কোনটা প্রকৃত ন্যায়বিচার, তা নির্ধারণের জন্য তারা এই বিষয়টি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরবেন।

একই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার দাবি করেন যে সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তিটি আইনগতভাবে এখনও বহাল রয়েছে এবং কোনো দেশ এককভাবে এটি বাতিল বা সংশোধন করতে পারে না।

তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরের বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করে বলেন যে সিন্ধু নদের পানি পাকিস্তানের জন্য জীবনরেখা এবং এটি তাদের জন্য একটি লাল রেখা বা ‘রেড লাইন’।

অন্য দিকে ভারতের অবস্থান অত্যন্ত সুদৃঢ় ও স্পষ্ট। গত বছর জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে একটি ভয়াবহ আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসী হামলায় ২৫ জন পর্যটকসহ মোট ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পর নয়া দিল্লি এই ঐতিহাসিক পানিবণ্টন চুক্তিটি সাময়িকভাবে স্থগিত বা মুলতবি ঘোষণা করে।

ভারতের পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে পাকিস্তান যতক্ষণ না তাদের মাটিতে লালিত রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার সন্ত্রাসী পরিকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস করার দৃশ্যমান প্রমাণ দেবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই পানি চুক্তি স্থগিতই থাকবে।

সূত্র: এনডিটিভি

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১১৬

আন্তর্জাতিক

ওমান উপকূলে ড্রোন হামলায় ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ!

ওমান উপকূলের কাছে ভারতীয় পতাকাবাহী একটি জাহাজ ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পরে ওমান কর্তৃপক্ষ জাহাজটির নাবিকদের উদ্ধার করে নিরাপদে সরিয়ে নেয়। জানা গেছে, ড্রোন হামলার পর সাগরে পুরোপুরি ডুবে যায় ওই জাহাজটি। ‘এমএসভি হাজি আলি’ (Haji Ali) নামের কার্গো শিপের উপর এই হামলার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি। প্রাথমিক […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ মে ২০২৬, ১৮:০৪

ওমান উপকূলের কাছে ভারতীয় পতাকাবাহী একটি জাহাজ ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পরে ওমান কর্তৃপক্ষ জাহাজটির নাবিকদের উদ্ধার করে নিরাপদে সরিয়ে নেয়।

জানা গেছে, ড্রোন হামলার পর সাগরে পুরোপুরি ডুবে যায় ওই জাহাজটি। ‘এমএসভি হাজি আলি’ (Haji Ali) নামের কার্গো শিপের উপর এই হামলার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি।

প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, সন্দেহভাজন ড্রোন হামলার জেরেই জাহাজটি ডুবে গিয়েছে। তবে জাহাজে থাকা ১৪ জন ভারতীয় নাবিককেই নিরাপদে উদ্ধার করেছে ওমান কোস্টগার্ড।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র হামলাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেন এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ওমান কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, জাহাজের সব ক্রু সদস্য নিরাপদ আছেন।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এক বিবৃতিতে ভারত বলেছে, বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা এবং নিরীহ বেসামরিক নাবিকদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলা থেকে বিরত থাকতে হবে।

পাশাপাশি নৌ চলাচল ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের স্বাধীনতায় বাধা সৃষ্টি না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১১৬