সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অর্থনীতি

চীন থেকে ২৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ২০টি যুদ্ধবিমান কিনছে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর আধুনিকায়ন ও জাতীয় আকাশ প্রতিরক্ষাকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে, সরকার চীনের তৈরি ২০টি জে-১০ সিই মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান কেনার উদ্যোগ নিয়েছে। এই ৪.৫ প্রজন্মের মাল্টিরোল কমব্যাট এয়ারক্রাফট কেনা, প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য খরচসহ মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২২০ কোটি ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৭,০৬০ কোটি টাকা। চুক্তিটি সরাসরি ক্রয় বা জিটুজি পদ্ধতিতে চীন সরকারের […]

চীন থেকে ২৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ২০টি যুদ্ধবিমান কিনছে বাংলাদেশ

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৭ অক্টোবর ২০২৫, ২২:২১

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর আধুনিকায়ন ও জাতীয় আকাশ প্রতিরক্ষাকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে, সরকার চীনের তৈরি ২০টি জে-১০ সিই মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান কেনার উদ্যোগ নিয়েছে। এই ৪.৫ প্রজন্মের মাল্টিরোল কমব্যাট এয়ারক্রাফট কেনা, প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য খরচসহ মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২২০ কোটি ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৭,০৬০ কোটি টাকা।

চুক্তিটি সরাসরি ক্রয় বা জিটুজি পদ্ধতিতে চীন সরকারের সঙ্গে করা হতে পারে এবং চলতি ২০২৫-২৬ ও ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এটি বাস্তবায়নের আশা করা হচ্ছে। গণমাধ্যমের হাতে আসা আনুষ্ঠানিক নথিপত্র অনুযায়ী, এই যুদ্ধবিমানের মূল্য ২০৩৫-২০৩৬ অর্থবছর পর্যন্ত ১০ বছরে পরিশোধ করতে হবে।

জে-১০ সিই জঙ্গিবিমান মূলত চীনের বিমানবাহিনীর ব্যবহৃত জে-১০সি-এর রপ্তানি সংস্করণ। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে তৈরি করা সম্ভাব্য খরচের হিসাব অনুযায়ী, প্রতিটি ফাইটার জেটের মূল্য ৬ কোটি ডলার প্রাক্কলন করা হয়েছে, এতে ২০টি বিমানের মোট মূল্য দাঁড়ায় ১২০ কোটি ডলার বা প্রায় ১৪,৭৬০ কোটি টাকা।

স্থানীয় ও বৈদেশিক প্রশিক্ষণ, যন্ত্রপাতি কেনা এবং পরিবহন খরচ বাবদ আরও ৮২ কোটি ডলার বা ১০ হাজার ৮৬ কোটি টাকা যোগ হবে। এর সঙ্গে বীমা, ভ্যাট, এজেন্সি কমিশন, পূর্ত কাজসহ অন্যান্য খরচ যোগ করলে মোট ব্যয় হবে ২২০ কোটি ডলার।

উল্লেখ্য, গত মে মাসে ভারত-পাকিস্তান সংঘাতে পাকিস্তান এই যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে ফ্রান্সের তৈরি ভারতের একাধিক রাফায়েল যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি করেছিল (যদিও তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি), যার ফলে জে-১০ সিই বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসে।

চলতি বছরের মার্চে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের চীন সফরের সময় চীনের কাছ থেকে এই বহুমাত্রিক জঙ্গিবিমান কেনার বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল এবং চীন প্রস্তাবটিতে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছিল বলে জানা যায়। এই যুদ্ধবিমান কেনার জন্য চুক্তি চূড়ান্ত করতে গত এপ্রিলে বিমানবাহিনীর প্রধানকে সভাপতি করে ১১ সদস্যের একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এই কমিটি খসড়া চুক্তিপত্র নিরীক্ষণ করবে, জিটুজি পদ্ধতিতে কেনা সমীচীন হবে কি-না তা যাচাই-বাছাই করবে এবং চীনা প্রতিনিধিদের সঙ্গে দরকষাকষির মাধ্যমে চূড়ান্ত মূল্য, পরিশোধের শর্তাবলী (টার্মস অব পেমেন্ট) ও চুক্তিপত্র চূড়ান্ত করবে। চুক্তিপত্রে যুদ্ধবিমানের সংরক্ষণ সহায়তা, প্রশিক্ষণ, খুচরা যন্ত্রাংশ ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়গুলো উল্লেখ থাকবে।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজ-এর প্রেসিডেন্ট মেজর জেনারেল এ এন এম মনিরুজ্জামান (অব.) গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমাদের বিমানবাহিনীর অনেকদিন ধরেই জঙ্গিবিমানের প্রয়োজন রয়েছে এবং তারা কেনার জন্য পরিকল্পনাও করছিল।’

তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘বর্তমানে বিশ্বে এক ধরনের ভূ-রাজনৈতিক বলয় সৃষ্টি হয়েছে। তাই কোনো দেশ থেকে কেনার আগে তার ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব বিশ্লেষণ করার প্রয়োজন আছে। বিশেষ করে, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে এখন টানাপোড়েন চলছে। এটি যেমন বিবেচনায় নিতে হবে, তেমনি আমাদের যুদ্ধবিমানের প্রয়োজন আছে, তাও বিবেচনা করতে হবে।’

চীনের বাইই অ্যারোবেটিক টিম তাদের প্রদর্শনী বহরে সর্বাধুনিক জে-১০সি মডেল অন্তর্ভুক্ত করেছে, যা বর্তমানে চীনের অন্যতম উন্নত মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান হিসেবে বিবেচিত। এই ফাইটার জেটের উন্নত পারফরম্যান্স, পাইলটদের দক্ষতা এবং ওয়াইইউ–২০ এরিয়াল ট্যাংকারের সহায়তায় আন্তর্জাতিক এয়ারশোতে দীর্ঘ দূরত্বের ফ্লাইট পরিচালনা সম্ভব হয়েছে।

বর্তমানে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর (বিএএফ) মোট ২১২টি এয়ারক্রাফট রয়েছে, যার মধ্যে ৪৪টি ফাইটার জেট। এর মধ্যে ৩৬টি চীনা নির্মিত এফ–৭ যুদ্ধবিমান। বিএএফের বহরে পুরানো মডেলের পাশাপাশি ৮টি মিগ-২৯বি এবং রাশিয়ান ইয়াক–১৩০ লাইট অ্যাটাক বিমান রয়েছে। জে-১০ সিরিজ যুক্ত হলে তা বিমান বাহিনীর আধুনিকায়নে এক গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হবে।

অর্থনীতি

প্রায় এক মাসের ভোগান্তির পর সাগরে ভাসমান দুটি এলএনজি টার্মিনাল চালু, রাত থেকেই বাড়বে গ্যাস সরবরাহ

প্রায় এক মাসের ভোগান্তির পর সাগরে ভাসমান দুটি এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) চালু হয়েছে। এতে করে মধ্যরাত নাগাদ এই কার্গো থেকে এলএনজি সরবরাহ শুরু হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। এলএনজিবাহী একটি কার্গো আজ শনিবার দুপুরের দিকে মহেশখালী সাগর উপকূলে অবস্থিত এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে পৌঁছায়। পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে জানান হয়, বিকেল ৪টা নাগাদ এলএনজি থেকে সরবরাহ ঘণ্টায় ৬৮৬ […]

প্রায় এক মাসের ভোগান্তির পর সাগরে ভাসমান দুটি এলএনজি টার্মিনাল চালু, রাত থেকেই বাড়বে গ্যাস সরবরাহ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৪ আগস্ট ২০২৬, ০১:২৩

প্রায় এক মাসের ভোগান্তির পর সাগরে ভাসমান দুটি এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) চালু হয়েছে। এতে করে মধ্যরাত নাগাদ এই কার্গো থেকে এলএনজি সরবরাহ শুরু হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

এলএনজিবাহী একটি কার্গো আজ শনিবার দুপুরের দিকে মহেশখালী সাগর উপকূলে অবস্থিত এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে পৌঁছায়।

পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে জানান হয়, বিকেল ৪টা নাগাদ এলএনজি থেকে সরবরাহ ঘণ্টায় ৬৮৬ মিলিয়ন ঘনফুটে পৌঁছেছে; দুপুর ১২টার দিকে সরবরাহ ছিল ৫৮১ মিলিয়ন ঘনফুট। বিকেলে এলএনজিসহ গ্যাসের মোট সরবরাহ দাঁড়িয়েছে ২৩০৭ মিলিয়ন ঘনফুট।

দেশে দৈনিক ৩৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা থাকলেও নিয়মিত ২৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হয়। তবে গত ২১ জুলাই সাগরে ভাসমান এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে আগুন লেগে গেলে সরবরাহ কমতে থাকে।

গত এক মাসে সামিট ও এক্সিলারেট এনার্জির দুইটি টার্মিনালে বারবার বিপত্তি দেখা দিলে দেশে একই সঙ্গে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট দেখা দেয়। এর মধ্যে বিদ্যুতের উৎপাদন কমে গিয়ে সারা দেশে সর্বোচ্চ ৩৭৬৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং দেখতে হয়েছিল।রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানির একজন কর্মকর্তা জানান, দুপুর ২টার দিকে এক্সিলারেটের এফএসআরইউর কাছে একটি এলএনজি কার্গো এসে পোঁছায়। ৭ ঘণ্টা পর আনলোড শুরু হবে।

এ দিকে গ্যাসের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে অচল হয়ে আছে সারা দেশের শিল্প কারখানা। নতুন করে গ্যাস আসার খবরে ফের উৎপাদন শুরু করার পরিকল্পনা করছেন শিল্প মালিকেরা। তবে যেসব এলাকায় গ্যাস নেই সেখানে গ্যাস পৌঁছাতে দুই থেকে তিন দিন সময় লেগে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছে বিতরণ সংস্থা তিতাস।

অর্থনীতি

ইসলামী ব্যাংককে ১৩ হাজার কোটি টাকা ধার দেওয়া হয়েছে: গভর্নর

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান জানিয়েছেন, তারল্য সংকট মোকাবিলায় ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিকে এখন পর্যন্ত ১৩ হাজার কোটি টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথমার্ধের মুদ্রানীতি ঘোষণা অনুষ্ঠানে গভর্নর এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ […]

ইসলামী ব্যাংককে ১৩ হাজার কোটি টাকা ধার দেওয়া হয়েছে: গভর্নর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১৮:৪৫

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান জানিয়েছেন, তারল্য সংকট মোকাবিলায় ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিকে এখন পর্যন্ত ১৩ হাজার কোটি টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথমার্ধের মুদ্রানীতি ঘোষণা অনুষ্ঠানে গভর্নর এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিভিন্ন ব্যাংককে মোট ১৭ হাজার কোটি টাকা তারল্য সহায়তা দেওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এ সহায়তার পরিমাণ দাঁড়ায় ৫১ হাজার কোটি টাকা। তবে বর্তমান দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম চার মাস বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো ব্যাংককে আর্থিক সহায়তা দেয়নি।

গভর্নরের ভাষ্য, পরবর্তীতে ইসলামী ব্যাংকের তারল্য সংকট গভীর হওয়ায় পরিস্থিতি বিবেচনায় ১৩ হাজার কোটি টাকা সহায়তা দেওয়া হয়। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে এবং আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

মুদ্রানীতি ঘোষণার সময় গভর্নর আরও বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং উৎপাদনমুখী খাতে ঋণপ্রবাহ নিশ্চিত করাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বর্তমান অগ্রাধিকার। একই সঙ্গে ব্যাংকিং খাতে সুশাসন ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদারে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলেও জানান তিনি।

অর্থনীতি

বিশ্বব্যাংকের পরবর্তী নির্বাহী পরিচালক আবদুর রহমান খান

বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের পরবর্তী নির্বাহী পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান। সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি হলে বিশ্বব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন তিনি। বর্তমানে বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক পদে দায়িত্ব পালন করছেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সাবেক জ্যেষ্ঠ সচিব শরীফা খান। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ইতোমধ্যে আবদুর রহমান খানের […]

বিশ্বব্যাংকের পরবর্তী নির্বাহী পরিচালক আবদুর রহমান খান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৮ জুলাই ২০২৬, ১৮:১১

বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের পরবর্তী নির্বাহী পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান। সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি হলে বিশ্বব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন তিনি।

বর্তমানে বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক পদে দায়িত্ব পালন করছেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সাবেক জ্যেষ্ঠ সচিব শরীফা খান।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ইতোমধ্যে আবদুর রহমান খানের নিয়োগ সংক্রান্ত ফাইলের অনুমোদন দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদে সদস্য দেশগুলোর প্রতিনিধিত্ব করেন। ঋণ, অনুদান, উন্নয়ন প্রকল্প, নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং বিভিন্ন আর্থিক কার্যক্রম সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশ নেন তিনি। অন্যদিকে বিকল্প নির্বাহী পরিচালক নির্বাহী পরিচালকের অনুপস্থিতিতে তার দায়িত্ব পালন করেন এবং পরিচালনা পর্ষদের কার্যক্রমে সহায়তা করেন।