মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সমন্বয়ক পরিচয় দেওয়া ৩ জন থানায় ছিলেন ‘জামাই আদরে’

রাজধানীর উত্তরায় গার্মেন্টস ব্যবসায়ীর বাসায় ঢুকে গ্রেপ্তারের ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি করা সমন্বয়ক পরিচয়ধারী তিনজন থানায়ও ছিলেন ‘জামাই আদরে।’ তাদের গ্রেপ্তারের পর শুরুতে রাজধানীর বিমানবন্দর থানায় নেওয়া হয়। হাজতখানায় না নিয়ে বসানো হয় এক পুলিশ কর্মকর্তার কক্ষে। সেখানে বসেই সিগারেট টানতে থাকেন দুজন, মোবাইল ফোনে নানা জায়গায় কথা বলেন। পুলিশ তাদের ডিম, পরোটা, ডালভাজি ও চা […]

সমন্বয়ক পরিচয় দেওয়া ৩ জন থানায় ছিলেন ‘জামাই আদরে’

সমন্বয়ক পরিচয় দেওয়া ৩ জন থানায় ছিলেন ‘জামাই আদরে’

নিউজ ডেস্ক

১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৯:৫৭

রাজধানীর উত্তরায় গার্মেন্টস ব্যবসায়ীর বাসায় ঢুকে গ্রেপ্তারের ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি করা সমন্বয়ক পরিচয়ধারী তিনজন থানায়ও ছিলেন ‘জামাই আদরে।’ তাদের গ্রেপ্তারের পর শুরুতে রাজধানীর বিমানবন্দর থানায় নেওয়া হয়। হাজতখানায় না নিয়ে বসানো হয় এক পুলিশ কর্মকর্তার কক্ষে। সেখানে বসেই সিগারেট টানতে থাকেন দুজন, মোবাইল ফোনে নানা জায়গায় কথা বলেন। পুলিশ তাদের ডিম, পরোটা, ডালভাজি ও চা দিয়ে আপ্যায়নের ব্যবস্থা করে। সম্প্রতি থানার সেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি আলোচনায় আসে।

গত বুধবার রাতে এএইচএম নোমান রেজা, তানজিল হোসেন, ফারিয়া আক্তার তমাসহ কয়েকজন সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেনের বাসায় যান। তারা ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা রয়েছে বলে তাকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। পরে তাদের সাড়ে ৫ লাখ টাকা দিয়ে রেহাই পান ওই ব্যবসায়ী। বাকি টাকার জন্য হুমকি দিলে ঘটনার পরদিন উত্তরা-পশ্চিম থানায় চাঁদাবাজির মামলা হয়। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ওই তিনজনকে চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার দেখায়

পুলিশ। পরে পুলিশ ৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা উদ্ধার করে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গ্রেপ্তার তিন জনের মধ্যে নোমান রেজা বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিমানবন্দর থানা শাখার সদস্য সচিব, তানজিল যুগ্ম সদস্য সচিব আর ফারিয়া আক্তার তমা গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, যাকে তমা ফারিয়া নামে চেনেন সবাই।

গত বছর বিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়া উত্তরার একাধিক লোকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকে পুঁজি করে চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্ম করে আসা তমা ফারিয়া ওই আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন না। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে আন্দোলনে সফলতা এলে তিনি বিজয়ের দিন বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলে ফেসবুকে দেন। তার বাবা স্বপন তালুকদার উত্তরার পশ্চিম থানা ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক। তাদের বাড়ি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়। সরকার পতনের পর বাবা আত্মগোপনে চলে গেলেও মেয়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেত্রী সেজে নানা অপকর্ম শুরু করেন। গত আগস্টে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বিএনপি নেতা (পদ স্থগিত) ফজলুর রহমানের বাসার সামনে মব সৃষ্টি করে আলোচনায় আসেন এই তমা ফারিয়া। তখন তিনি বর্ষিয়ান ওই নেতার বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ স্লোগান দেন ও অশ্লীল প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন।

ব্যবসায়ীর বাসায় চাঁদাবাজি করে গ্রেপ্তার হওয়ার পর ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বিমানবন্দর থানার একটি কক্ষে বসে আছেন নোমান রেজা, তমা ফারিয়া ও তানজিল। তাদের মধ্যে নোমান ও তানজিল সিগারেট টানছিলেন এবং মোবাইল ফোনে কথা বলছিলেন। তমা চা পান করছিলেন। হাস্যোজ্জ্বল নোমান মোবাইল ফোনে কাউকে থানায় অবস্থানের বিষয়ে জানাচ্ছিলেন। তিনি বলছিলেন, ‘…ওসি আমাদের বিপদে ফেলার ধান্দায় কি না, এখন সন্দেহ ওদিকেই যাইতেছে। তাকে নাকি কমিশনার প্রেসারাইজ করতেছে।’ পরক্ষণেই বলেন, ‘না, আমাগোরে হাজতে রাখে নাই। ভালো ব্রেকফাস্ট-ট্রেকফাস্ট আইন্যা খাওয়ালো।’ ওই ফাঁকে তমা ফারিয়া বলতে থাকেন, ‘সকালে নাশতা করছি পরোটা, ডিম ডাল আর ভাজি, আর এখন চা।’ এর পরই নোমান বলেন, ‘পশ্চিম থানার ওসি আর এয়ারপোর্টের ওসি ব্যাচমেট। সবাই জানে নোমান…।’ উচ্চস্বরে হাসতে হাসতে বলেন, ‘আমি বলছিলাম, আমারে সেলে রাখেন, তখন বলে আরে নাহ, এ কেমনে হয়!’

ওই ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে থানা হেফাজতে আসামিদের মোবাইল ফোন ব্যবহার আর থানার মতো গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক প্লেসে ধূমপান করা নিয়ে নানা সমালোচনা শুরু হয়েছে। চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার আসামিদের ‘জামাই আদর’ নিয়ে নানা কথা হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে বিমানবন্দর থানার ওসি তাসলিমা আক্তারকে ফোন দেওয়া হলে তিনি সরকারি সফরে বিদেশে রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে ওসির দায়িত্বে থাকা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম কালবেলাকে বলেন, ভিডিওটি তিনি দেখেছেন। এ নিয়ে সমালোচনার কথাও শুনেছেন। তবে ঘটনাটি ভিন্ন ছিল।

ওই আসামিদের গ্রেপ্তার অভিযানের বিবরণ দিয়ে পরিদর্শক বলেন, পশ্চিম থানায় মামলা হলেও মূলত বিমানবন্দর থানার পুলিশও গ্রেপ্তার অভিযানে যায়। ওই তিন আসামিকে আটক করে কর্মকর্তাদের কাজের একটি কক্ষে রাখা হয়। উদ্দেশ্য ছিল তাদের হাজতে না ঢুকিয়ে কৌশলে চাঁদাবাজি করে নেওয়া টাকাগুলোর অবস্থান জেনে তা উদ্ধার করা। কৌশলের অংশ হিসেবেই ওই আসামিদের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। সেই সুযোগ কাজেও লাগে। ওই রাতেই চাঁদাবাজির সাড়ে ৫ লাখ টাকা থেকে চার লাখ ৩০ হাজার টাকা আসামিদের দেওয়া তথ্যানুযায়ী উদ্ধারও করা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই তিন আসামিকে শুক্রবার আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। পরে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। তবে সাধারণত আসামিদের কাঠগড়ায় তোলা হলেও ওইদিন ওই তিন আসামিকে কাঠগড়ায় নেওয়া হয়নি। তাদের কোর্ট হাজতে রেখেই শুনানি হয়।

এদিকে ফারিয়া তমার বিষয়ে তার পরিবারের একজন জানান, তমার বাবা যুবলীগের ওয়ার্ড নেতা, এটা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। কিন্তু মেয়েটা বখে গেছে। এজন্য ওর বাবা তাকে অনেক আগেই বাসা থেকে বের করে দিয়েছে। সর্বশেষ বিএনপির একজন নেতার বাসার সামনে গিয়ে কুরুচিপূর্ণ স্লোগান দেওয়ার পর ভাইরাল হলে পরিবারের অন্য সদস্যরাও তাকে এড়িয়ে চলেন।

তিনি বলেন, কয়েক মাস ধরে তমা মূলত আগ্রাসী হয়ে উঠেছিল। বয়স কম হওয়ায় কেউ কেউ হয়তো তাকে ব্যবহার করে নানা অপকর্ম করাচ্ছিল।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। […]

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১২ জুন ২০২৬, ১০:২৮

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। কয়েকদিন আগেও এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল।

ঘটনার দিন রাফি একা মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় পথে কালু, পারভেজ ও তাদের কয়েকজন সহযোগী আড্ডা দিচ্ছিল। রাফিকে একা দেখে তারা তাকে থামানোর চেষ্টা করে। প্রথমে কালু তাকে আটকাতে ব্যর্থ হলে সামনে অবস্থান নেওয়া পারভেজ একটি বড় ইটের টুকরো দিয়ে রাফির মাথায় আঘাত করে। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন।

পরে অভিযুক্তরা আহত রাফিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর র‌্যাব-৪-এর আভিযানিক দল জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে বৃহস্পতিবার কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।