মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

রায়পুরা হাসপাতালে প্রসব পরবর্তী মুমূর্ষু রোগীর জীবন বাঁচিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন ডা. ফাহিমা

নরসিংদীতে সুমা নামে এক নারী প্রসব-পরবর্তী রক্ত খরনে মুমূর্ষু অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা না পেয়ে জীবন মৃত্যুর সন্নিকটে। তখনই চিকিৎসক ফাহিমার সাহসী পদক্ষেপে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা সুমা (২৫) নামে ওই গৃহবধূকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়ে তোলেন। এমন মানবিক কাজে প্রশংসায় ভাসছেন। ডা ফাহিমা শারমিন হানি রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক।মঙ্গলবার রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মহিলা […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৮ আগস্ট ২০২৫, ০২:০৯

নরসিংদীতে সুমা নামে এক নারী প্রসব-পরবর্তী রক্ত খরনে মুমূর্ষু অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা না পেয়ে জীবন মৃত্যুর সন্নিকটে। তখনই চিকিৎসক ফাহিমার সাহসী পদক্ষেপে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা সুমা (২৫) নামে ওই গৃহবধূকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়ে তোলেন। এমন মানবিক কাজে প্রশংসায় ভাসছেন।

ডা ফাহিমা শারমিন হানি রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক।মঙ্গলবার রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মহিলা ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায় চিকিৎসাধীন সুমা হাসি খুশি।সুমা বলেন,আল্লাহর রহমতে ডাক্তার-নার্সদের কারণে আজ বেঁচে আছে। ডা ফাহিমাসহ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞ।”

জানা যায়, বেলাব উপজেলার হোসেননগর গ্রামের বাবুল মিয়ার স্ত্রী ও তিন সন্তানের জননী সুমা গত রোববার সন্তান জন্মের পর রক্তক্ষরণে মারাত্মক সংকটে পড়েন। রক্তের পরিমাণ (Hb%) মাত্র ১-এ নেমে গেলে সরকারি-বেসরকারি কোনো হাসপাতালই তাকে ভর্তি নেয়নি।

শেষ পর্যন্ত মুমূর্ষু অবস্থায় রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে প্রথমে রেফার্ড করা হয়। কিন্তু অন্য হাসপাতালে নেয়ার পথে তার জীবন চলে যেতে পারতো। রোগীর স্বজনদের অনুরোধে রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. ফাহিমা শারমিন হানি দায়িত্ব নেন।

তিনি জেলা সিভিল সার্জনের পরামর্শে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. ইসমাইল আল রাজীবের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও অভিজ্ঞ নার্সদের সহযোগিতায় দ্রুত চিকিৎসা দেন। সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত ও সাহসী পদক্ষেপে শেষ পর্যন্ত ২ ঘন্টার চেষ্টায় সুস্থ হয়ে ওঠেন ওই গৃহবধূ নারী।

স্থানীয়রা বলছেন, ডাক্তারদের আন্তরিকতা ও সাহসী পদক্ষেপই আবারও প্রমাণ করেছে সঠিক সেবা পেলে সরকারি হাসপাতালেও রোগীরা জীবনের নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে পান তারি বাস্তব উদাহরণ।

সুমার শাশুড়ি আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, “তার অবস্থা সংকটাপন্য ছিলো। ওই সময় বৌ’মা আমার হাতে নাতনী গুলো দিয়ে বলে মা আমার কিছু হলে সন্তান গুলোকে দেখবেন। তিনটা নাতনী নিয়ে কী যে বিপদে পড়েছিলাম।

তা বলে বোঝানো যাবে না। আল্লাহর রহমতে আর ডাক্তার-নার্সদের কারণে আমার পুত্রবধূ আজ বেঁচে আছে। তাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।”

সুমার বাবা মুমতাজ মিয়া বলেন, “ডাক্তারদের কারণে আমার মেয়ের প্রাণ বেঁচেছে। খুদার পরেই পরেই ফেরেস্তা হয়ে ডাক্তার এসেছে। এখন সে সুস্থ আছে।”

সেচ্ছাসেবী শফিকুল ইসলাম বলেন, মানবিক ডাক্তারের এমন মানবিক কাজে এগিয়ে আসার জন্য ধন্যবাদ কৃতজ্ঞতা।

নার্সিং সুপারভাইজার রেহেনা বেগম জানান, রোগীটির অবস্থা ছিল একেবারেই আশঙ্কাজনক। এমন রোগী আগে কখনোই দেখিনি। তবে ডা: ফাহিমা শারমিন হানি ডাক্তারের সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা দেওয়ায় রোগীকে বাঁচানো সম্ভব হয়েছে।

ডা. ফাহিমা শারমিন হানি বলেন, সুমা নামে রোগীটি প্রসব পরবর্তী ফুল না পরায় বিভিন্ন হাসপাতালে না ধরায় মূমুর্ষ অবস্থায় আমার নিকট নিয়ে এসে অনুরোধ করে। প্রশিক্ষণের সময় অভিজ্ঞতা কাজে কাগিয়ে সিভিল সার্জন সারের সাথে কথা বলে রোগীকে বাঁচানোর চেষ্টা শুরু করি।

পাশাপাশি আমার স্বামী আরএমও ইসমাইল আল রাজীব সার্বিক সহযোগিতা নিয়ে তাৎক্ষণিক চ্যানেল অপেন করে প্লাসেন্টা আউট করি। রোগী খুব রিক্সে ছিল। ওই সময় জীবন বাঁচাতে রিক্সটা নিতেই হলো। সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত ও সবার টিমওয়ার্কের

সহযোগিতায় রোগীকে বাঁচানো সম্ভব হয়েছে। রোগীকে বাঁচাতে পেরে ভালো লাগছে খুবই আনন্দিত। একটি জীবন বাঁচাতে পেরেছি।

তিনি আরও বলেন “ সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা ও ডাক্তারদের বিরুদ্ধে ভ্রান্ত ধারনার কথা শুনি থাকেন। আশাকরি সেই ধারণা পরিবর্তন হবে। সব সময় ডাক্তাররা রোগীর সোবায় নিবেদিত প্রাণ।”

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. ইসমাইল আল রাজীব বলেন, “রোগীটির অবস্থার কারণে তাকে অন্য কোথাও নেওয়ার সুযোগ ছিল না। ডা. ফাহিমার দূরদর্শী চিন্তা ও দ্রুত পদক্ষেপের কারণেই মা ও সন্তান দু’জনই এখন নিরাপদ।”

উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা খান নূরুদ্দিন মো জাহাঙ্গীর বলেন, এমন একটি কাজে ডা ফাহিমাসহ টিমে যারা ছিলেন তাদেরকে ধন্যবাদ।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।