সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

খালেদা জিয়া দেশের প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা: বরকতউল্লা বুলু

বেগম খালেদা জিয়া দেশের প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লা বুলু। সোমবার (২৫ আগস্ট) বেলা দুইটার দিকে কুমিল্লা নগরীর টাউন হল মাঠে আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। বরকতউল্লা বুলু বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে ওনার প্রিয় সহধর্মিণী বেগম খালেদা জিয়াকে […]

খালেদা জিয়া দেশের প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা: বরকতউল্লা বুলু

বরকতউল্লা বুলু

নিউজ ডেস্ক

২৬ আগস্ট ২০২৫, ১১:১১

বেগম খালেদা জিয়া দেশের প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লা বুলু। সোমবার (২৫ আগস্ট) বেলা দুইটার দিকে কুমিল্লা নগরীর টাউন হল মাঠে আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বরকতউল্লা বুলু বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে ওনার প্রিয় সহধর্মিণী বেগম খালেদা জিয়াকে একটি চিরকুট পাঠিয়েছিলেন। চিঠিতে লেখা ছিল, “তুমি যেভাবে হোক তোমার দুটি নাবালক সন্তানকে পালিয়ে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে চলে যাও। ঢাকা বা দিনাজপুর যেখানে যাও, বেঁচে থাকলে দেখা হবে, দেশ স্বাধীন হলে দেখা হবে, নাইলে মাফ করে দিয়ো।” এ চিঠি পাওয়ার পর বেগম জিয়া অনেক কষ্টে ঢাকায় আসলেন, সিদ্ধেশ্বরীতে ওনার এক আত্মীয়ের বাসায় আত্মগোপনে রইলেন। কিন্তু পাক হানাদার বাহিনী তাকে খুঁজতে খুঁজতে ১৯৭১ সালের ২২ জুলাই দুই সন্তানসহ গ্রেপ্তার করে ক্যান্টনমেন্টে নিয়ে যায়। সেখানে তিনি বন্দী ছিলেন। কাজেই বেগম খালেদা জিয়াই হচ্ছেন বাংলাদেশের প্রথম মহিলা মুক্তিযোদ্ধা।’

দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিএনপির বিকল্প নেই মন্তব্য করেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ‘শহীদ জিয়াউর রহমান যদি দল গঠন করে না যেতেন, তাহলে বাংলাদেশের মানচিত্র অনেক আগেই পরিবর্তন হয়ে যেত। অনেক আগেই আমরা সিকিমের মতো একটি অঙ্গরাজ্যে পরিণত হতাম। বাংলাদেশকে যদি টিকে থাকতে হয়, বাংলাদেশের অর্থনীতি ও মানুষের স্বাধীনতাকে যদি টিকিয়ে রাখতে হয় এবং আগামী প্রজন্ম যদি স্বাধীন দেশে বসবাস করতে চায়, তাহলে বিএনপির কোনো বিকল্প নেই। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গ্যারান্টি দিতে পারা একমাত্র দলই হচ্ছে এটি।’

জামায়াতের সমালোচনা করে বুলু বলেন, ‘যাঁরা ধর্ম, হাদিস-কোরআন ও সৎ মানুষের কথা বলেন, আপনাদের তো আমরা দেখেছি, আপনাদের চরিত্র আমরা দেখেছি। ৭১ সালে আপনারা পাকিস্তানের পক্ষে গেলেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এ দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা দিয়েছেন, আপনারা তাঁকে মানেন না। আপনারা সব সময় ইতিহাসের বিপক্ষে অবস্থান করেন, ইতিহাসের সপক্ষে আপনারা কখনো আসেননি। ৫ আগস্টের পর ডাক্তার শফিক সাহেব আপনি বললেন, আমরা আওয়ামী লীগকে মাফ করে দিলাম। বসুন্ধরার আহমেদ আকবর সোবহানের হেলিকপ্টারে করে আপনি দেশে ঘুরে বেড়ালেন আর সৎ শাসন-সুশাসনের কথা বললেন।’

এ প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা আরও যোগ করে বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী করলে নাকি আপনি বেহেশতে চলে যাবেন, তাদের নেতারা এসব বলেন। যারা এসব বলে থাকেন, তারা কখনো মুসলমান হতে পারে না। কারণ, বেহেশতে কে যাবে এটি একমাত্র আল্লাহ তায়ালাই নির্ধারণ করবেন।’

তিনি বলেন, নির্বাচিত সরকার ছাড়া দেশে পরিকল্পিত কোনো উন্নয়ন হবে না। নির্বাচিত সরকার এলে এবং তারেক রহমান সরকার গঠন করলেই কেবল বাংলাদেশের ঋণগুলো শোধ করা যাবে। তবে কিছু ধর্মব্যবসায়ী পিআরের (পদ্ধতি) জন্য মাঠে নেমেছে, যে পিআরের কোথাও কোনো অস্তিত্বই নেই।

সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমিন-উর-রশিদ। এর উদ্বোধন করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসংস্থানবিষয়ক সম্পাদক ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাকারিয়া তাহের। উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক রেজাউল কাইয়ুমের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব সফিউল আলমের সঞ্চালনায় সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন দলটির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম ভূঁইয়া, সহসাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, বিএনপির শিল্পবিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আশিকুর মাহমুদ ও মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব ইউসুফ মোল্লা প্রমুখ।

সম্মেলনের পর কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদে বর্তমান আহ্বায়ক রেজাউল কাইয়ুম ও সাধারণ সম্পাদক পদে বর্তমান সদস্যসচিব সফিউল আলম রায়হানের নাম ঘোষণা করা হয়।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৭

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৭

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৭

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১০