মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

ড. ইউনূসের জুলাই ঘোষণাপত্র দেওয়ার কোনো অধিকার নেই: ফরহাদ মজহার

কবি, লেখক ও চিন্তক ফরহাদ মজহার বলেছেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের জুলাই ঘোষণাপত্র দেওয়ার কোনো অধিকার নেই। তিনি শেখ হাসিনার সংবিধানের অধীন একজন উপদেষ্টা, তিনি চুপ্পুর উপদেষ্টা। গণ-অভ্যুত্থানের নেতা নন, তিনি গণ-অভ্যুত্থানের একটি ফল মাত্র।’ তিনি বলেন, ‘ছাত্ররা ঘোষণাপত্র দিতে চেয়েছিল, এই সরকার তখন মিথ্যা কথা বলে তা দিতে দেয়নি।’ মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের […]

ড. ইউনূসের জুলাই ঘোষণাপত্র দেওয়ার কোনো অধিকার নেই: ফরহাদ মজহার

ফরহাদ মজহার

নিউজ ডেস্ক

১২ আগস্ট ২০২৫, ১৭:১১

কবি, লেখক ও চিন্তক ফরহাদ মজহার বলেছেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের জুলাই ঘোষণাপত্র দেওয়ার কোনো অধিকার নেই। তিনি শেখ হাসিনার সংবিধানের অধীন একজন উপদেষ্টা, তিনি চুপ্পুর উপদেষ্টা। গণ-অভ্যুত্থানের নেতা নন, তিনি গণ-অভ্যুত্থানের একটি ফল মাত্র।’ তিনি বলেন, ‘ছাত্ররা ঘোষণাপত্র দিতে চেয়েছিল, এই সরকার তখন মিথ্যা কথা বলে তা দিতে দেয়নি।’

মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মিলনায়তনে গণশক্তি সভা আয়োজিত ‘জুলাই ঘোষণাপত্রে বঞ্চণা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ফরহাদ মজহার বলেন, ‘সাংবিধানিক প্রতিবিপ্লবের কারণে এই গণঅভ্যুত্থান যদি ব্যর্থ হয়, আমরা আবার লড়াই করে গণ-অভ্যুত্থানের দিকে যাবো। গণ-অভ্যুত্থানের শুরুতেই আমরা বলেছি জাতীয় সরকার গঠনের কথা। যে তরুণরা বুলেটের সামনে দাঁড়িয়ে, বুকের রক্ত দিয়ে এ গণ-অভ্যুত্থান করেছে তারা বলেছে, আসেন আমরা জাতীয় সরকার করি। শেখ হাসিনার যে ফ্যাসিবাদী সংবিধান ফেলে দিয়ে আসেন আমরা নতুন বাংলাদেশ গঠন করি। কেন আমরা নতুন বাংলাদেশ গঠন করতে চাই, কারণ জিয়াউর রহমানও এইরকম গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠন করতে চেয়েছিলেন। সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচারে ভিত্তিতে একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের জন্য লড়াই করেছিলেন জিয়াউর রহমান। তিনি কি সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ বা জাতীয়তাবাদ এসবের জন্য যুদ্ধ করেছেন? বায়াত্তরের সংবিধান আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল।’

বিএনপির উদ্দেশে ফরহাদ মজহার বলেন, ‘আপনারা কেন এই সংবিধান ধরে রাখতে চান? জিয়াউর রহমান তো বাহাত্তরের সংবিধানকে ধরে রাখতে চাননি। আমি যতটুকু জানি, বেগম খালেদা জিয়াও এই সংবিধান ধরে রাখতে চাননি। তিনিও বলেছিলেন, এই সংবিধান ছুড়ে ফেলে দিতে হবে। তাহলে আপনারা কেন গণঅভ্যুত্থানের ওপরে চাপ দিয়ে এই সংবিধান ধরে রাখলেন এবং একটা প্রতিবিপ্লব ঘটিয়েছেন, যা করার কথা ছিল তা না করে কার জন্য এটা করলেন?’

বিএনপির উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ‘শুরু থেকেই আপনারা নির্বাচন নির্বাচন করতে লাগলেন। জনগণের ক্ষমতা জনগণের কাছে ফিরিয়ে দিতে চাননি কেন আপনারা। নির্বাচন মানেই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নয়। শেখ হাসিনাও নির্বাচন করতো। এখন সবার আগে দরকার গণপরিষদ নির্বাচন। সেই গণপরিষদের সবাই মিলে ঠিক করবে কী ধরনের রাষ্ট্র আমাদের লাগবে।’

ফরহাদ মজহার বলেন, ‘গণসার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করতে হবে, কেমন সে গণসার্বভৌমত্ব, রাষ্ট্রের সকল সিদ্ধান্তে জনগণের অংশগ্রহণ থাকবে। কোন প্রকল্প নিলে যারা এর দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে এমনকি যারা লাভবান হবে তাদের এ-সম্পর্কে জানার সুযোগ থাকতে হবে। আমলারা সিদ্ধান্ত নিলেই হবে না, কারণ তারা অল্প টাকায় বিক্রি হয়ে যায়।’

তিনি বলেন, ‘একটা নির্বাচন দিলে সব হয়ে যাবে? রাষ্ট্র তো আগের জায়গাতেই আছে, সেনাবাহিনীও আগের জায়গাতেই আছে, কিছু বদল হয়নি।’

অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে ফরহাদ মজহার বলেন, ‘শেখ হাসিনার শাসনামলে সেনাবাহিনীর নৈতিক শক্তি মেরুদণ্ডকে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এই সেনাবাহিনীকে দিয়ে দেশ রক্ষা করার কথা বলেও লাভ নেই। আপনারা সেনাবাহিনীকে নির্বাচন করাতে চাইছেন, কারণ নির্বাচন করার ক্ষমতা আপনাদের নেই। কিন্তু সেনাবাহিনীর কাজ তো নির্বাচন পরিচালনা করা নয়। সেনাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার ষড়যন্ত্র আমরা নাগরিকরা সহ্য করবো না।’

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

মায়ের গলিত লাশ উদ্ধার, মুখ খুললেন বুয়েট অধ্যাপক ছেলে: আমার মা সিজোফ্রেনিয়ার রোগে আক্রান্ত

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ১১:১৯

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন।

বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই দাবি করেন।

৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ গত ৩১ মে রাতে উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি মেয়ে ফাতিমা নাসরীন সুলতানার সঙ্গে বসবাস করতেন। মরদেহ উদ্ধারের পর বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং বৃদ্ধার শারীরিক অবস্থার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বৃদ্ধার এক ছেলে মোংলা স্থলবন্দরের যুগ্ম সচিব। আরেক ছেলে বুয়েটের শিক্ষক। তারা মায়ের কাছে থাকতেন না।

নিহতের ছেলে বুয়েটের অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান বলেন, মায়ের মৃত্যুতে পরিবার এমনিতেই মানসিক আঘাতের মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার তাদের আরও বিপর্যস্ত করে তুলেছে। মায়ের অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ২০০৯ সাল থেকে দীর্ঘ সময় মা তার সঙ্গেই ছিলেন। করোনাকালেও তিনি মায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ২০২৪ সাল থেকে মা তার মেয়ের সঙ্গে থাকছিলেন।

তিনি জানান, তাদের বাবা মো. আবুল কাশেম ২০০৮ সালে মারা যান। ২০১৭ সালে ফাতিমা নাসরীনের স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি একাই মায়ের দেখাশোনা করছিলেন। ফাতিমা নাসরীনের কোনো সন্তান নেই। তার মায়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহপ্রবণতা ছিল, যা সিজোফ্রেনিয়ার উপসর্গের সঙ্গে কিছুটা মিল রয়েছে।

একইভাবে স্বামী হারানোর পর তার বোনও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলে তিনি মনে করেন। তবে তাদের কাউকেই কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের কাছে নেওয়া হয়নি।

বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সম্পর্কে আশিকুর রহমান বলেন, তার বোন বাইরের গৃহকর্মী রাখতে চাইতেন না। তিনি নিজে কয়েকবার সহায়তার চেষ্টা করলেও তা স্থায়ী হয়নি। এছাড়া মাও অন্যের হস্তক্ষেপ পছন্দ করতেন না। ঘটনার দিন, ৩১ মে বিকেলে ফাতিমা নাসরীন ফোন করে জানান, মায়ের কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর নার্স ডাকা, পুলিশকে অবহিত করা এবং পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয় বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে নূর জাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধার প্রক্রিয়ার সময় উপস্থিত থাকা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামছুর রহমান জানান, জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে গিয়ে তিনি বাসাটিকে বসবাসের অনুপযোগী অবস্থায় দেখতে পান। তার দাবি, মরদেহের ডান চোখ ও পিঠে পোকা ছিল। তবে আশিকুর রহমান এ দাবি অস্বীকার করেছেন।

এদিকে পচনধরা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মায়ের প্রতি অবহেলার দায়ে ছেলে যুগ্ম সচিব এ কে এম আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, আনিসুর রহমানকে পদ থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বশির জানান, বৃদ্ধা তার মেয়ের বাড়িতে থাকতেন। একটি কক্ষে মা ও আরেকটি কক্ষে মেয়ে। রোববার বৃদ্ধার মেয়ে তাকে ডাকতে যান। সাড়া না পেয়ে তিনি একজন নার্সকে ডেকে আনেন।

তিনি ভেবেছিলেন, মা হয়তো অসুস্থ। পরে ওই নার্স রুমে ঢুকে দেখতে পান, বৃদ্ধা মারা গেছেন এবং শরীরে পচন ধরে মাংস খুলে বিছানায় পড়ে আছে। নার্স তাৎক্ষণিক বাইরে এসে লোকজনকে জানান। স্থানীয়রা ৯৯৯-এ কল দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

তিনি আরও জানান, বৃদ্ধার মেয়েকে দেখে কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হয়েছে। মা ঘরে মরে পচে আছে, অথচ নাকে কোনো গন্ধ পাননি তিনি। বিষয়টি পুলিশকে ভাবিয়ে তুলছে। ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।