জুলাই অভ্যুত্থানকে স্মরণ করে বিচার, সংস্কার এবং গণপরিষদ নির্বাচনের দাবিতে দেশব্যাপী পদযাত্রা করছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। পদযাত্রার মধ্যেই বিভিন্ন আসনে নিজেদের প্রার্থীও ঘোষণা শুরু করেছে দলটি।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, পদযাত্রায় যেসব আসনে জনসমর্থন বেশি দেখা যাচ্ছে এবং সাংগঠনিকভাবে ঝামেলা নেই, সেসব আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হচ্ছে। তবে একাধিক প্রার্থী থাকায় কিছু আসনে নাম এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
ইতিমধ্যে রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনে দলটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন, কুড়িগ্রাম-২ (ফুলবাড়ী, কুড়িগ্রাম সদর, রাজারহাট) আসনে যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদ এবং পঞ্চগড়-১ (তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড় সদর, আটোয়ারী) আসনে উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের নাম আলোচনায় এসেছে।
এ ছাড়া আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ঢাকার রামপুরা-বনশ্রী কেন্দ্রিক ঢাকা-১১ আসনে প্রার্থী হতে পারেন। শীর্ষ নেতাদের মধ্যে আরিফুল ইসলাম আদীব ঢাকা-১৪, সামান্তা শারমিন ভোলা-১, ডা. তাসনীম জারা ঢাকা-১৭, হাসনাত আবদুল্লাহ কুমিল্লা-৪, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী চাঁদপুর-৫ ও আব্দুল হান্নান মাসউদ নোয়াখালী-৬ আসনে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
এনসিপির একাধিক নেতাকর্মী জানান, আকরাম হুসাইন ঢাকা-১৩, জয়নাল আবেদীন শিশির কুমিল্লা-১০, এস এম শাহরিয়ার ঢাকা-৫, জাবেদ রাসিন ঢাকা-৯, রাসেল আহমেদ ঢাকা-১, আব্দুল্লাহ আল আমিন নারায়ণগঞ্জ, আলী নাছের খান গাজীপুর-১ আসনে প্রার্থী হতে পারেন।
এ ছাড়া আশরাফ উদ্দীন মাহাদী ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২, অনিক রায় সুনামগঞ্জ-২, প্রীতম দাশ মৌলভীবাজার, আরিফুর রহমান তুহিন ঝালকাঠি-১, অলিক মৃ টাঙ্গাইল-১, ডেভিড রাজু খুলনা-১, মীর আরশাদুল হক চট্টগ্রাম-১৬ আসনেও এনসিপির প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
দলটি জানায়, এই প্রার্থী ঘোষণা মূলত পদযাত্রার সময় স্থানীয় জনতার সাড়া, সাংগঠনিক অবস্থান এবং ভবিষ্যৎ নির্বাচনী কৌশল বিবেচনায় করা হচ্ছে। দলকে বিস্তৃত ও সুসংগঠিত করাই এই ঘোষণার অন্যতম উদ্দেশ্য।