বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

টাঙ্গাইলে রাস্তা নিয়ে বিরোধ, ভুক্তভোগী নারীকে হত্যার চেষ্টা

আব্দুল্লাহ আল মামুন পিন্টু, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় বড় বাসালিয়ায় রাস্তা নিয়ে বিরোধ ও শত্রুতায় তৃতীয়পক্ষ ভুমিদস্যু ও দ্ইু লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী এবং এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা ছিনতাই ফরিদা ইয়াসমিনকে হত্যার হুমকিসহ মারধরের অভিযোগ উঠেছে। গত শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে টাঙ্গাইল সদরের ১নং মগড়া ইউনিয়নের বড় বাসালিয়া ৪নং ওয়ার্ডে […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৫ এপ্রিল ২০২৫, ০০:৫৫

আব্দুল্লাহ আল মামুন পিন্টু, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় বড় বাসালিয়ায় রাস্তা নিয়ে বিরোধ ও শত্রুতায় তৃতীয়পক্ষ ভুমিদস্যু ও দ্ইু লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী এবং এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা ছিনতাই ফরিদা ইয়াসমিনকে হত্যার হুমকিসহ মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

গত শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে টাঙ্গাইল সদরের ১নং মগড়া ইউনিয়নের বড় বাসালিয়া ৪নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।

আহত ফরিদা ইয়াসমিন (৫৯) সদর উপজেলার বড় বাসালিয়া এলাকার (অবঃ) সেনা কর্মকর্তা শামছুল হকের স্ত্রী। তিনি বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনারেল হাপাতালে বর্তি রয়েছে।

মামলার সুত্রে জানাযায়, রাস্তাকে কেন্দ্র করিয়া বিবাদ তৈরী হলে ভুমিদস্যু (টাংগাইলে কর্মরত পিআইও পুলিশ সদস্য )সরোয়ার হোসেন (৪২) ও ওয়াজেদ আলী (৫২) প্রথমে ভুক্তভোগী শামসুল হকের ছেলে ফেরদৌস রহমানকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ

এবং এক পর্যায়ে ফেরদৌস রহমানের মাতা ফরিদা ইয়াসমীনকে কাঠের দন্ড, রড এবং দেশীয় অস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে আহত করে এবং তার গলা চিপে তার মৃত্যুর চেষ্টা করে। এসময় স্বর্ণের চেইন নিয়ে যায়।

বর্তমানে ফরিদা ইয়াসমীন টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। ফরিদা ইয়াসমীনের ছেলে ফেরদৌস রহমান বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অভিযোগ করেছেন।

লিখিত অভিযোগে ফেরদৌস রহমান বলেন, বড় বাসালিয়ার একই গ্রামের বাসিন্দা মো. সরোয়ার হোসেন ও ওয়াজেদ আলী দুই ভাই। আমাদের শয়-শরিকদের রাস্তা নিয়ে নিয়ে বিরোধ

ও শত্রুতা চালিয়া আসিতেছে। এই শত্রুতার জের ধরে তারা আমার পরিবারের নিকট দুই লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে হুমকি প্রদর্শন করিয়া আসিতেছে।

ঘটনার দিন আমাদের রাস্তা বন্ধ করে দেয়ায় বিকেল ৩টায় ৯৯৯ ফোন দিয়ে আইনী সহায়তা চাইলে উক্ত তারিখেই বিবাদীগন খিপ্ত হয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে লোহার রড, কাঠের লাঠিসহ ঘটনাস্থল আমাদের বসত বাড়ীতে অনধিকার প্রবেশ করিয়া আমার মা ফরিদা ইয়াসমীন

এবং আমার বাবা কে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করিতে থাকে। আমার মা বিবাদীগণকে গালিগালাজের জবাব দিতেই বিবাদীদ্বয় সরোয়ার ও ওয়াজেদ আলী আমার মাকে এলোপাথারি ভাবে মারতে থাকে।

এবং এক পর্যায়ে আমার মা গলা চেপে স্বর্ণের চেইনটি ছিনিয়ে নিয়ে যায়। যার দাম এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা আনুমানিক। মায়ের গায়ে বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে। এসময় কান্না কাটি শুনে আশে পাশের প্রতিবেশিরা এগিয়ে আসে। পরে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।

এরপর আমার মা মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। পরে আমার মাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করাই। এখনও জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। বিবাদীদ্বয় এই ঘটনার পরও হুমকি দিয়ে আসছে।

বড় ধরনের ক্ষতি করবে বলে জানান দিচ্ছে। আমরা আইনের সহযোগিতা চাই। এর সঠিক বিচার চাই এবং দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবি জানাচ্ছি।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। […]

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১২ জুন ২০২৬, ১০:২৮

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। কয়েকদিন আগেও এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল।

ঘটনার দিন রাফি একা মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় পথে কালু, পারভেজ ও তাদের কয়েকজন সহযোগী আড্ডা দিচ্ছিল। রাফিকে একা দেখে তারা তাকে থামানোর চেষ্টা করে। প্রথমে কালু তাকে আটকাতে ব্যর্থ হলে সামনে অবস্থান নেওয়া পারভেজ একটি বড় ইটের টুকরো দিয়ে রাফির মাথায় আঘাত করে। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন।

পরে অভিযুক্তরা আহত রাফিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর র‌্যাব-৪-এর আভিযানিক দল জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে বৃহস্পতিবার কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।