শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের আরেকটা নাম : রুমিন ফারহানা

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস, মুক্তির ইতিহাস এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাত থেকে দেশকে মুক্ত করার ইতিহাসের সঙ্গে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। আমরা এমন একটি রাজনৈতিক দলের কর্মী ও সমর্থক, যে দলটি স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের মানুষকে তাদের জাতীয় পরিচয় দিয়েছে। আমরা সবাই বাংলাদেশি হিসেবে সাংবিধানিক পরিচয় লাভ করেছি, এবং সেই পরিচয়ের ভিত্তি […]

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের আরেকটা নাম : রুমিন ফারহানা

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ এপ্রিল ২০২৫, ১৪:২৭

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস, মুক্তির ইতিহাস এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাত থেকে দেশকে মুক্ত করার ইতিহাসের সঙ্গে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। আমরা এমন একটি রাজনৈতিক দলের কর্মী ও সমর্থক, যে দলটি স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের মানুষকে তাদের জাতীয় পরিচয় দিয়েছে।

আমরা সবাই বাংলাদেশি হিসেবে সাংবিধানিক পরিচয় লাভ করেছি, এবং সেই পরিচয়ের ভিত্তি দিয়েছেন শহীদ জিয়াউর রহমান বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির নেত্রী রুমিন ফারহানা।

তিনি বলেন, শুধু পরিচয় নয়, বিএনপি বারবার দেশের মানুষকে গণতন্ত্র ও ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে। মনে রাখতে হবে, স্বাধীনতার পর আওয়ামী লীগ বাকশাল প্রতিষ্ঠা করে সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করেছিল।

তখন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানই ছিলেন সেই নেতা, যিনি সকল দলকে রাজনীতি করার সুযোগ করে দেন। এমনকি আওয়ামী লীগেরও দ্বিতীয় জন্ম সম্ভব হয়েছে তাঁর কারণেই।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, রঙিন বিটিভি – সবই এসেছে শহীদ জিয়াউর রহমানের হাত ধরে। বিএনপি এমন একটি দল, যারা নিজেদের সমালোচনা করতে দ্বিধা করে না, নিজের ভুল স্বীকার করে এবং সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যায়।

আজকের বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের মতো পদক্ষেপও এসেছে তাঁর হাত ধরেই। কৃষি, শিল্প, গার্মেন্টস, রেমিটেন্স – দেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তিগুলো গড়ে দিয়েছেন তিনি।

২০১৬ সালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তাঁর Vision 2030-এর মাধ্যমে সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এরপর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে এসেছে ২৭ দফা, ৩১ দফা – পরিবর্তিত বাংলাদেশ, নতুন বাংলাদেশ গড়ার রূপরেখা। আজ যেসব দল এসব কথা বলছে, তাদের আগেই বিএনপি সেই স্বপ্ন দেখিয়েছে।

বাংলাদেশের জনগণের ভাগ্যের সঙ্গে জিয়া পরিবারের ভাগ্য ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই যখন দেশের মানুষ কষ্টে থাকে, তখন জিয়া পরিবারও কষ্ট পায়। যখন মানুষের ভোটাধিকার হরণ হয়, বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হয়, তখন বিএনপির নেতাকর্মীরাও হয়রানির শিকার হয়।

মামলার পর মামলা, গ্রেপ্তার, চাকরি না পাওয়া, ব্যবসা না করতে পারা – এইসবের শিকার হয়েছেন তারেক রহমানও। ৭৬ বছর বয়সে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যিনি বাংলাদেশের আরেকটা নাম হয়ে দাঁড়িয়েছেন তাকে কারাবরণ করতে হয়েছে।

তিনি ন্যূনতম মানবাধিকারও পাননি, চিকিৎসার সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিএনপি আজ শুধু নির্বাচনের কথা বলছে না, গত ১৭ বছর ধরেই একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য লড়াই করছে। এই দাবির জন্য অসংখ্য নেতাকর্মী জীবন দিয়েছেন, বছরের পর বছর কারাবরণ করেছেন, পেশা ও ঠিকানা হারিয়েছেন।

তাই, বিএনপি শুধু এখন নির্বাচন চায় এমন নয় – বিএনপি বরাবরই একটি সত্যিকারের নির্বাচনের পক্ষে। এবং এটাই প্রমাণ করে, বিএনপি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের সঠিক ধারক ও বাহক বলে মনে করেন তিনি।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩২৬

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪১১
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩২৬

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩২৬