শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

সিন্ডিকেটের কালো হাত ভাঙতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের ‘বিনা লাভের দোকান’

বাজার সিন্ডিকেটের কালো হাত ভাঙতে খুলনায় ‘বিনা লাভের দোকান’ চালু করেছেন শিক্ষার্থীরা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন খুলনার ব্যানারে সাধারণ শিক্ষার্থীরা এই উদ্যোগ নিয়েছে। শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে নগরীর শিববাড়ি মোড়ে এই অস্থায়ী দোকান বসানো হয়। সরেজমিনে দেখা যায়, ‘বিনা লাভের দোকান’ মসুর ডাল ১ কেজি ৯৯ টাকা, ডিম ১ পিস ১২ টাকা দরে এক হালি ৪৮ […]

নিউজ ডেস্ক

১৮ অক্টোবর ২০২৪, ২২:৪১

বাজার সিন্ডিকেটের কালো হাত ভাঙতে খুলনায় ‘বিনা লাভের দোকান’ চালু করেছেন শিক্ষার্থীরা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন খুলনার ব্যানারে সাধারণ শিক্ষার্থীরা এই উদ্যোগ নিয়েছে।
শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে নগরীর শিববাড়ি মোড়ে এই অস্থায়ী দোকান বসানো হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, ‘বিনা লাভের দোকান’ মসুর ডাল ১ কেজি ৯৯ টাকা, ডিম ১ পিস ১২ টাকা দরে এক হালি ৪৮ টাকা, আলু ১ কেজি ৫০ টাকা, পেঁয়াজ ১ কেজি ১০০ টাকা ও এক আটি লাল শাক ১২ টাকা ও প্রতিটি লাউ ৪০ টাকায় মিলছে। ক্রেতারা যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু ক্রয় করতে পারছেন।
সিন্ডিকেটের কালো হাত ভাঙতে এবং সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার নাগালে আনতে এই উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন খুলনার বাজার নিয়ন্ত্রণ টাস্কফোর্সের সদস্য হৃদয় ঘরামী  বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে ‘বিনা লাভের দোকান’ বসানো হয়েছে। এখানে খুলনার সব বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছাত্ররা এই কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন। বাজারে দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতি ভাঙতে আমাদের এই উদ্যোগ। যতক্ষণ তাদের সিন্ডিকেট থাকবে আমরা ততক্ষণ সিন্ডিকেট ভাঙতে কাজ করে যাবো। একদিনে এই সিন্ডিকেট ভাঙা সম্ভব নয়। প্রতি সপ্তাহে আমরা এটি পরিচালনা করবো। সেই সঙ্গে সিন্ডিকেট কীভাবে পরিচালিত হয়, সেটি বুঝতে কাজ করছি। এরপরই সিন্ডিকেট ভাঙতে পারবো।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন খুলনার সমন্বয়ক ও খুবি শিক্ষার্থী নাইম মল্লিক বলেন, মানুষের মৌলিক অধিকার হচ্ছে খাদ্য। এর আগে দেখেছি উন্নয়ন ছিল, কিন্তু মানুষের পেটে খাবার ছিল না। সাধারণ মানুষ খেয়ে পড়ে দিনটা ভালোভাবে কাটাতে পারে সে জন্য এই উদ্যোগ। প্রতি শুক্রবার এটি পরিচালনা করা হবে। মানুষের রেসপন্স এবং ভলান্টিয়ারের আগ্রহ অনুযায়ী এবং বাজার পরিস্থিতি যতক্ষণ স্বাভাবিক না হচ্ছে, ততক্ষণ এই কার্যক্রম আরও বাড়ানো হবে। সপ্তাহের অন্য দিনগুলোতেও যেন করা যায় এবং আরও কিছু পণ্য বাড়ানো যায়, সেই বিষয়ে আমাদের পরিকল্পনা আছে।
শুধু একটি স্পটই নয়, খুলনা শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডে ‘বিনা লাভের দোকান’ ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন এই শিক্ষার্থী।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন খুলনার সমন্বয়ক ও খুবি শিক্ষার্থী জহুরুল ইসলাম তানভীর বলেন, গত ৫ আগস্টের পর বাজার পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে দেখছি আমরা স্বৈরাচারের দোসরদের একটি গোষ্ঠী সিন্ডিকেটের ব্যানারগুলো পুরাতন নাম থেকে নতুন নামে দখল করছে। সিন্ডিকেটের কারণে বাজারের সবজিসহ পণ্যগুলোর দাম ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন হাতের নাগালের বাহিরেই চলে গেছে। আসলে বাজারের চিত্র এমন না। তৃণমূল কৃষকদের কাছ থেকে পণ্য কিনে সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ছে। সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়ার জন্য আমরা ছাত্র-জনতা ‘বিনা লাভের দোকান’ দিয়েছি। এই দোকান আস্তে আস্তে ৩১ ওয়ার্ডে ছড়িয়ে পড়বে। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে সিন্ডিকেটের কালো হাত ভেঙে দেওয়া হবে।
এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে একাধিক পয়েন্টে ‘বিনা লাভের দোকান’ বসানোর আহ্বান জানিয়েছেন ক্রেতারা।
‘বিনা লাভের দোকান’ পণ্য কিনতে আসা কানিজ ফাতেমা বলেন, এটি খুব ভালো একটি উদ্যোগ। অধিকাংশ মানুষের কাছে বাজারদর যেটা সেটা আমার কাছেও অনেক বেশি মনে হয়। এই উদ্যোগটা যদি সব জায়গায় নেওয়া হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের জন্য ভালো হবে। এটা এখনো সব মানুষের কাছে পৌঁছায়নি। সবাই যাতে এটি পাই সেই ব্যবস্থা করতে হবে। আরও যদি বেশি পয়েন্ট করা যায় তাহলে আশা করি এটা সবার কাছে পৌঁছাবে। এটি করে বাজার সিন্ডিকেট উঠিয়ে দিলে ভালো হয়। আমি এখান থেকে আলু, পেঁয়াজ ও ডিম নিয়েছি। বাজারে এগুলো অনেক বেশি দাম।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।