বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সংসদ নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত বিএনপি রাজপথে থাকবে- রেজাউল করিম বাদশা

রবিউল ইসলাম বগুড়া শিবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা বলেছেন, বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম সংবিধানে সংযোজন করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। জামায়াতে ইসলাম বিএনপির সমালোচনা করেন। অথচ জামায়াতকে বাংলাদেশে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। জামায়াতে ভোট দিলে বেহেশত পাওয়া যাবে, এ বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে তারা অপরাজনীতি করার চেষ্টা করছে। কিন্তু জনগণ তাদের […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৩ মার্চ ২০২৫, ২০:০১

রবিউল ইসলাম বগুড়া শিবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা বলেছেন, বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম সংবিধানে সংযোজন করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। জামায়াতে ইসলাম বিএনপির সমালোচনা করেন। অথচ জামায়াতকে বাংলাদেশে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। জামায়াতে ভোট দিলে বেহেশত পাওয়া যাবে, এ বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে তারা অপরাজনীতি করার চেষ্টা করছে। কিন্তু জনগণ তাদের মুখোশ ঠিকই বোঝে।

তিনি আরো বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনার মতো কোন স্বৈরশাসক যেন বাংলাদেশে জন্ম নিতে না পারে, তাই বিএনপি হাসিনা ও তার দোসরদের বিচার করতে চায়। মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া সংগঠন বিএনপি গণমানুষের দল।

কোন দলের অপপ্রচারে কোন কাজ হবে না। বগুড়ার সন্তান তারেক রহমানের হাত ধরেই বগুড়াসহ পুরো দেশের উন্নয়ন সাধিত হবে ইনশাআল্লাহ। যতই মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করুক না কেন, বগুড়া তথা দেশের মানুষ ধানের শীষের সাথেই আছেন, থাকবেন। এসময় উপস্হিত সবাই হাত তুলে ধানের শীষের সাথে থাকার অঙ্গিকার করেন। 

জেলা বিএনপির সভাপতি আরো বলেন, একটি মহল সংসদ নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে। কিন্তু কোন লাভ হবে না। আমরা ১৭ বছর ভোটাধিকারের আন্দোলন করেছি। দেশের আজকের যে অবস্হা তা অনির্বাচিত সরকার থাকার জন্য হয়েছে। দ্রুত সংসদ নির্বাচন দিয়ো জনগণের সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করুন। নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত বিএনপি রাজপথে থাকবে। বিএনপি চাঁদাবাজি-দখলবাজিকে প্রশ্রয় দেয় না। দিবেও না।

১৩ মার্চ, ২০২৫, বৃহঃবার বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজলার কিচক ইউপির কিচক উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে কিচক ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিলে উপরোক্ত কথা গুলি বলেন তিনি। 

উক্ত ইফতার মাহফিলে বিএনপি নেতাকর্মীসহ কয়েক হাজারের বেশি সাধারণ জনতা অংশগ্রহণ করেন। এসময় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্হতা কামনা করে দোয়া করা হয়।

কিচক ইউনিয়নের ৯ টি ভোট কেন্দ্র কমিটির সকল সদস্যবৃন্দ, সাবেক ও বর্তমান জনপ্রতিনিধি এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সন্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিল কিচক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আনিছুর রহমানের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মীর শাহে আলম, সাধারন সম্পাদক এ্যাড. আব্দুল ওহাব, সাবেক সাধারন সম্পাদক এস এম তাজুল ইসলাম,

সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহবুব আলম মানিক, সাংগঠনিক সম্পাদক মাষ্টার হারুনুর রশিদ, পৌর বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক আব্দুল করিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তাহের , সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক প্রফেসর নজরুল ইসলাম, উপজেলা কৃষক দলের সহ-সভাপতি আফছার আলী, উপজেলা যুবদলের সভাপতি খালিদ হাসান আরমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এবিএম মাসুদ রানা মাছুম, সাধারন সম্পাদক রায়হানুল হক রনি, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি বিপুল রহমান।

উক্ত ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপি’র মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক একেএম ইদ্রিস আলী, সমবায় বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ারুল হক মুকুল, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল হান্নান, পৌর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুর রহমান, উপজেলা যুবদলের সাধারন সম্পাদক আব্দুল্লাহ যোবায়ের, সিনিয়র সহ-সভাপতি রনি মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক সামিউল আলম আক্কাস,

পৌর যুবদলের সভাপতি আবু শাহিন, সাধারণ সম্পাদক মাহদী হাসান তমাল, সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুর রহমান সুজন, সহ-সভাপতি আলমগীর হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক মেহেদী হাসান বুলেট, শিবগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিদুল ইসলাম সোহেল, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক শাহিনুর ইসলাম শাহীন, যুগ্ম সম্পাদক শামীম হোসেন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জুয়েল হোসেন বাপ্পি, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল বারিক মোল্লা, সিনিয়র সহ-সভাপতি আইয়ুব কাজী, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক জনি মন্ডল ,

তাঁতী দল সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর, মহিলা দল নেত্রী মিনারা বেগম, ফাইমা আক্তার, খাদিজা আক্তার, শ্রমিক দল নেতা রেজাউল, মিজানুর রহমান, এজাজুল, সাইফুল, মৎস্যজীবী দল নেতা রফিকুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক মীর মুন, সাংগঠনিক সম্পাদক তারেক মিলু, সহ-সভাপতি আল রাহী, পৌর ছাত্রদলের সভাপতি শাহিনুর ইসলাম আলামিন, সাধারণ সম্পাদক সাকিব হাসান, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বাঘ, যুবদল নেতা সাগর, কাওসার, ছাত্রদল নেতা রাফি, নাসির, কিচক ইউনিয়ন বিএনপি নেতা কিচক ইউনিয়ন বিএনপি নেতা রাব্বিন আহমেদ, মহসিন আলী, ফরহাদ ফকির প্রমুখ।

সারাদেশ

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে। হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া […]

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে।

হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য থেকে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান ও বাড়ি ফেরার আগের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে এসব তথ্য জানা গেছে।

হোটেলের রেজিস্টার অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে কক্সবাজারের কলাতলীতে কুটুমবাড়ি-সংলগ্ন সড়কের শেষ মাথায় অবস্থিত একটি তিনতলা আবাসিক হোটেলের ৩০২ নম্বর কক্ষে ওঠে তাজমিন ও রিয়াজ। সেখানে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’ এবং বয়স ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়। রিয়াজের ঠিকানা হিসেবে বান্দরবানের লামা এলাকার তথ্য দেওয়া হয়। তার বাবার নাম লেখা হয় মনির আহমদ।

হোটেলের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এক রাত অবস্থানের পর ৭ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে তারা হোটেল ছেড়ে চলে যান। রেজিস্টারে রিয়াজের দুটি মুঠোফোন নম্বর ও একটি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরও পাওয়া গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর হোটেল ছাড়ার পর রিয়াজ তাজমিনকে কুমিল্লাগামী একটি বাসে তুলে দেন। এরপর বাড়ি ফেরার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে তাজমিন। অভিযোগ অনুযায়ী, অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন।

পরদিন ৮ অক্টোবর সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ভোরালজগপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের আইল থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় সিএনজিচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার করা হয়।

রিয়াজের এক সহকর্মীর দাবি, ঘটনার প্রায় ১৭ দিন আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরে তাজমিন কক্সবাজারে গেলে তারা একসঙ্গে সময় কাটান।

তবে রিয়াজের ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সূত্রের দাবি, প্রায় পাঁচ মাস আগে তাদের পরিচয় হয়েছিল এবং এরপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

তাজমিনের বাড়ি ছাড়ার বিষয়ে জানা যায়, গত ৪ অক্টোবর এক বান্ধবীকে হাতঘড়ি দেওয়া নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর সে বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক বান্ধবীর কাছে যায়।

সেখান থেকে মুঠোফোনে রিয়াজের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে কক্সবাজারে আসতে বলা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। যাতায়াতের খরচ হিসেবে রিয়াজ বিকাশের মাধ্যমে ৫০০ টাকা পাঠিয়েছিলেন বলেও জানা গেছে।

সহকর্মী জানান, কক্সবাজার থেকে ফেরার জন্য ‘আইকনিক এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি বাসের টিকিট কিনে তাজমিনকে তুলে দেন রিয়াজ। টিকিটের মূল্য ছিল ৯০০ টাকা।

ওই সহকর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিল্লায় পৌঁছে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠার পরও তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের মুঠোফোনে যোগাযোগ হচ্ছিল। এমনকি অটোরিকশাচালক সম্পর্কে কিছু তথ্যও রিয়াজকে জানিয়েছিল তাজমিন।

তবে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তাজমিনের মুঠোফোনের লাইভ লোকেশন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন ওই সহকর্মী।

পরদিন টেলিভিশনের সংবাদে তাজমিনের হত্যার খবর জানতে পেরে রিয়াজ হতবাক হয়ে পড়েন বলেও জানান তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রিয়াজের এক সহকর্মী আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশের পর রিয়াজ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এ সময় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সহযোগিতা চান। তাজমিনের হত্যার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

ওই সহকর্মীর তথ্য অনুযায়ী, রিয়াজ প্রায় তিন বছর ধরে কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে কাজ করছেন। ঘটনার পর তিনি কর্মস্থল থেকে ছুটিতে রয়েছেন।

এদিকে রিয়াজের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য সরাসরি জানা সম্ভব হয়নি।

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তাজমিন হত্যার ঘটনায় মুঠোফোনের কললিস্টসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার আসামি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও পরিষ্কার হবে।

তবে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান, হোটেলের রেজিস্টারে ভিন্ন নাম ও বয়স ব্যবহার এবং রিয়াজের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়গুলো তদন্তে কীভাবে বিবেচিত হচ্ছে, তা এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।

সারাদেশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি  নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম […]

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি 

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ ও সেনবাগ থানা পুলিশকে ঘটনাটি জানান।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, চোরেরা অফিস কক্ষে প্রবেশের পর দুটি স্টিলের আলমিরা ও একটি ফাইল কেবিনেটের তালা ভেঙে ফেলে। এরপর সেখান থেকে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সেনবাগ থানার ওসি (তদন্ত) মো. হযরত আলী মিলন গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি এবং এ ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।

সারাদেশ

মধুপুরে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকের কলা ও আনারস বাগানের বেহাল অবস্থা

মধুপুর উপজেলার জয়নাগাছা, সোলাকুড়ীসহ আশপাশের এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভেঙে গেছে অসংখ্য কলাগাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফসলের বাগান। কৃষকদের ভাষ্য, বছরের পর বছর পরিশ্রম আর বিনিয়োগের পর ফলন পাওয়ার সময় এমন ঝড় তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক […]

মধুপুরে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকের কলা ও আনারস বাগানের বেহাল অবস্থা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২১

মধুপুর উপজেলার জয়নাগাছা, সোলাকুড়ীসহ আশপাশের এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভেঙে গেছে অসংখ্য কলাগাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফসলের বাগান।

কৃষকদের ভাষ্য, বছরের পর বছর পরিশ্রম আর বিনিয়োগের পর ফলন পাওয়ার সময় এমন ঝড় তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক পুঁজি তিনি আনারস ও কলাবাগানে ব্যয় করেছেন। আকস্মিক এই ঝড়ে তার সব আশা-আকাঙ্ক্ষা যেন মুহূর্তেই শেষ হয়ে গেছে।

কৃষকদের কাছে কলাগাছের মাজা ভেঙে যাওয়া শুধু একটি গাছের ক্ষতি নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে তাদের পরিবারের স্বপ্ন ও জীবিকার হিসাব। আকস্মিক এই ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের এখন ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষা।