রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

ভোর রাতে পুলিশের টহল কার্যক্রম পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

রাজধানী ঢাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের টহল কার্যক্রম আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। বুধবার ভোররাতে তিনি রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান, মোড়, চেকপোস্ট এবং কয়েকটি থানা ঘুরে দেখেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা তার বারিধারার […]

ভোর রাতে পুলিশের টহল কার্যক্রম পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ০৯:১২

রাজধানী ঢাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের টহল কার্যক্রম আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। বুধবার ভোররাতে তিনি রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান, মোড়, চেকপোস্ট এবং কয়েকটি থানা ঘুরে দেখেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা তার বারিধারার ডিওএইচএস বাসা থেকে বের হয়ে বনানী মোড়, বিজয় সরণি (নভোথিয়েটার), মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, কলাবাগান, ইডেন কলেজ হয়ে নিউমার্কেট থানা পরিদর্শন করেন। এরপর শাহবাগ মোড়, মৎস্য ভবন, মগবাজার, হাতিরঝিল, পুলিশ প্লাজা হয়ে গুলশান থানায় যান। তিনি গুলশান থানা থেকে ইউনাইটেড হাসপাতাল হয়ে বারিধারার বাসভবনে ফিরে আসেন। পরিদর্শনের সময় তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও আশপাশের অলিগলিও ঘুরে দেখেন, যেখানে ছিনতাইসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের আশঙ্কা থাকে।

পরিদর্শনের সময় উপদেষ্টা থানা ও চেকপোস্টে দায়িত্বরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। তিনি সংশ্লিষ্টদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন এবং বলেন, “রাজধানীর প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। এই মুহূর্তে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কোনো অবনতি সহ্য করা হবে না।”

এছাড়া স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন, যেন প্রতিটি চেকপোস্টে সন্দেহজনক ব্যক্তিদের সঠিকভাবে তল্লাশি করা হয় এবং কোনো ধরনের অনিয়ম বা গাফিলতি বরদাশত না করা হয়। তিনি আরও বলেন, “আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও সক্রিয় হতে হবে, যাতে জনগণ নিজেদের নিরাপদ মনে করতে পারে। রাতের বেলা ছিনতাই বা সন্ত্রাসী কার্যক্রমের কোনো অভিযোগ পেলেই সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে।”

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সম্প্রতি ছিনতাই, চাঁদাবাজি, নারী নিপীড়ন ও সহিংস অপরাধের ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষ উদ্বিগ্ন। বিশেষ করে ঢাকার ব্যস্ততম এলাকায় জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই দাবি করছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারি ছাড়া পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব নয়।

এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “বিগত কয়েক মাসে কিছু চক্র আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করেছে। আমরা এই ষড়যন্ত্র কোনোভাবেই সফল হতে দেব না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিন-রাত কাজ করছে এবং অপরাধী যেই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।”

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে জনগণের আতঙ্ক দূর করতে নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। তিনি জানান, এ ধরনের আকস্মিক পরিদর্শন আরও চালানো হবে এবং পুলিশের দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অবহেলা থাকলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নাগরিক সমাজ, ব্যবসায়ী সংগঠন ও সাধারণ পথচারীরা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও, তারা মনে করেন শুধু আকস্মিক পরিদর্শন যথেষ্ট নয়, বরং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি কার্যকরী পরিকল্পনা প্রয়োজন। বিশেষ করে রাতে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় পুলিশের বিশেষ টহল ব্যবস্থা বাড়ানোর দাবি তুলেছেন অনেকে।

এদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনার মধ্যেই উপদেষ্টার এই পরিদর্শনকে অনেকে ‘প্রশাসনের ঘুম ভাঙানোর প্রয়াস’ হিসেবে দেখছেন। তবে এটি কেবল লোক দেখানো কার্যক্রম না হয়ে বাস্তবিক আইনশৃঙ্খলা উন্নতির জন্য কার্যকর পদক্ষেপ হবে কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।