শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বানিজ্য

চট্টগ্রাম বন্দরে ৩ লাখ ৫৬ হাজার লিটার চোরাই তেল জব্দ

চট্টগ্রাম বন্দরে পোর্টল্যান্ড নামে একটি প্রতিষ্ঠানের জাহাজ থেকে ৩ লাখ ৫৬ হাজার লিটার চোরাই তেল এমটি ডলফিন-১৯ নামে আরেকটি জাহাজে পাচারের সময় দুটি জাহাজই আটক করেছে কোস্টগার্ড। বর্তমানে জাহাজ দুটি কুতুবদিয়ায় নোঙ্গররত আছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গতকাল (২ ফেব্রুয়ারি) পানামা পতাকাবাহী এমটি ডলফিন-১৯ নামে জাহাজ পাকিস্তান থেকে মোলাসেস দ্রব্য নিয়ে মোংলা বন্দরের উদ্দেশে যাওয়ার কথা […]

নিউজ ডেস্ক

০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১০:৫৩

চট্টগ্রাম বন্দরে পোর্টল্যান্ড নামে একটি প্রতিষ্ঠানের জাহাজ থেকে ৩ লাখ ৫৬ হাজার লিটার চোরাই তেল এমটি ডলফিন-১৯ নামে আরেকটি জাহাজে পাচারের সময় দুটি জাহাজই আটক করেছে কোস্টগার্ড। বর্তমানে জাহাজ দুটি কুতুবদিয়ায় নোঙ্গররত আছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গতকাল (২ ফেব্রুয়ারি) পানামা পতাকাবাহী এমটি ডলফিন-১৯ নামে জাহাজ পাকিস্তান থেকে মোলাসেস দ্রব্য নিয়ে মোংলা বন্দরের উদ্দেশে যাওয়ার কথা থাকলেও জাহাজটি গোপনে চট্টগ্রামের বহিঃনোঙরে এসে অবৈধভাবে পোর্টল্যান্ড নামের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে আনুমানিক ৩ লাখ ৫৬’হাজার লিটার জ্বালানি তেল সংগ্রহ করে।

একপর্যায়ে বেআইনিভাবে তেল সংগ্রহ করায় কোস্টগার্ড সদস্যরা জাহাজ কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে পোর্ট ও কাস্টমস থেকে বাংকারিং এর বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় জাহাজ দুটিকে আটক করা হয়।

জানা গেছে, পোর্টল্যান্ড প্রতিষ্ঠানটির মালিক ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মজুমদার এবং তার তেল সরবরাহকারী ওটি ইউনিয়ন জাহাজটির মালিক বরিশাল এর সাবেক মেয়র খোকন সেরনিয়াবাত।

বানিজ্য

রেমিট্যান্স প্রবাহে গতি, রিজার্ভ ছাড়াল ৩৪ বিলিয়ন ডলার

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৯ মে পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এ সময়ে দেশে এসেছে ৩০ দশমিক ৩৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ২৫ দশমিক ৪০১ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ। চলতি বছরের ১ থেকে ৯ মে […]

রেমিট্যান্স প্রবাহে গতি, রিজার্ভ ছাড়াল ৩৪ বিলিয়ন ডলার

রেমিট্যান্স প্রবাহে গতি, রিজার্ভ ছাড়াল ৩৪ বিলিয়ন ডলার

নিউজ ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ১০:৫৭

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৯ মে পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এ সময়ে দেশে এসেছে ৩০ দশমিক ৩৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ২৫ দশমিক ৪০১ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ।

চলতি বছরের ১ থেকে ৯ মে পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১ দশমিক ০২৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ৮৬৪ মিলিয়ন ডলার। এতে মাসভিত্তিক প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক ১ শতাংশ।

এ ছাড়া শুধু ৭ থেকে ৯ মে—এই তিন দিনে দেশে এসেছে ২৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে প্রণোদনা, ব্যাংকিং সেবার সহজীকরণ এবং প্রবাসীদের আস্থা বাড়ায় রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা বজায় রয়েছে।

জাতীয়

জাতির আকাঙ্ক্ষা-প্রত্যাশা পূরণে এবারের বাজেট করা হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কল্যাণের কথা বিবেচনায় নিয়েই এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমানের উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে বাজেটের সব বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এবারের বাজেটের প্রেক্ষাপটও কিছুটা ভিন্ন। দীর্ঘদিন পর একটি নির্বাচিত সরকারের অধীনে জাতীয় বাজেট উপস্থাপিত হতে যাচ্ছে। ফলে জাতির প্রত্যাশা […]

জাতির আকাঙ্ক্ষা-প্রত্যাশা পূরণে এবারের বাজেট করা হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

জাতির আকাঙ্ক্ষা-প্রত্যাশা পূরণে এবারের বাজেট করা হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক

১১ জুন ২০২৬, ১০:০২

বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কল্যাণের কথা বিবেচনায় নিয়েই এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমানের উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে বাজেটের সব বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এবারের বাজেটের প্রেক্ষাপটও কিছুটা ভিন্ন। দীর্ঘদিন পর একটি নির্বাচিত সরকারের অধীনে জাতীয় বাজেট উপস্থাপিত হতে যাচ্ছে। ফলে জাতির প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষাও অনেক বেশি। সেই প্রত্যাশা, চিন্তা-ভাবনা ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্যকে সামনে রেখেই বাজেট প্রণয়নের চেষ্টা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দেশের অর্থনীতির আগামী এক বছরের রূপরেখা তুলে ধরতে বাজেট অধিবেশনে যোগ দিতে যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, যতটুকু সামর্থ্য রয়েছে, তার মধ্যেই বাজেট করতে হয়েছে। একটি বিধ্বস্ত ও ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে দেশকে স্থিতিশীলতার পথে নিয়ে গিয়ে আগামী দিনে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে। সেই লক্ষ্য অর্জনের একটি প্রচেষ্টা এই বাজেটে প্রতিফলিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এ বাজেটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দেশের সব নাগরিককে এর অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে। জাতীয় ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমে সবাই যাতে অংশ নিতে পারে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুফল যেন সমাজের সব স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছায়, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের লক্ষ্য নিয়েই এই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। সীমিত সম্পদের মধ্যেও সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এই বাজেট বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে।