সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বানিজ্য

যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম নিয়ে চট্টগ্রামে ভিড়ল ‘এমভি নর্স স্ট্রাইড’ জাহাজ

ক্তরাষ্ট্র থেকে প্রথমবারের মতো সরকার টু সরকার (জিটুজি) ভিত্তিতে গম আমদানি কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশ সরকার। যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অনুযায়ী সরকার মোট ৪ লাখ ৪০ হাজার টন গম আমদানি করবে।

নিউজ ডেস্ক

২৬ অক্টোবর ২০২৫, ০১:২০

ক্তরাষ্ট্র থেকে প্রথমবারের মতো সরকার টু সরকার (জিটুজি) ভিত্তিতে গম আমদানি কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশ সরকার। যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অনুযায়ী সরকার মোট ৪ লাখ ৪০ হাজার টন গম আমদানি করবে।

এই প্রকল্পের প্রথম চালান হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা ‘এমভি নর্স স্ট্রাইড’ নামের জাহাজটি শনিবার (২৫ অক্টোবর) চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে। জাহাজটিতে রয়েছে ৫৬ হাজার ৯৫৯ টন গম।

সূত্র জানায়, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন বিভিন্ন দেশের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের সময় বাংলাদেশের ওপরও ৩৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করেছিল। সেই শুল্কের প্রভাব কমাতে ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক ভারসাম্য বজায় রাখতে অন্তর্বর্তী সরকার শুল্ক প্রত্যাহার ও আমদানি বৃদ্ধির পথে অগ্রসর হয়। এরই ধারাবাহিকতায় জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বছরে ৭ লাখ টন গম আমদানির লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ।

ঢাকায় ওই সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরের সময় খাদ্য মন্ত্রণালয় জানায়, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টিমান এবং সরবরাহ ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই চুক্তি হয়েছে। আগে ভারত, রাশিয়া, বেলারুসসহ অন্যান্য দেশ থেকেও গম আমদানি করা হতো। দীর্ঘ আলোচনার পর জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পূরক শুল্ক হার কমিয়ে ২০ শতাংশে নামানো হয়।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন খাদ্য অধিদপ্তর ও যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ) এর মধ্যে চুক্তি অনুযায়ী গম আমদানি কার্যক্রম এখন চলমান। জাহাজে থাকা গমের নমুনা পরীক্ষা শেষে দ্রুত খালাসের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা এই চালানের ৫৬ হাজার ৯৫৯ টনের মধ্যে ৩৪ হাজার ১৭০ টন চট্টগ্রাম বন্দরে এবং বাকি ২২ হাজার ৭৮৯ টন মোংলা বন্দরে খালাস করা হবে।

বানিজ্য

রেমিট্যান্স প্রবাহে গতি, রিজার্ভ ছাড়াল ৩৪ বিলিয়ন ডলার

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৯ মে পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এ সময়ে দেশে এসেছে ৩০ দশমিক ৩৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ২৫ দশমিক ৪০১ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ। চলতি বছরের ১ থেকে ৯ মে […]

রেমিট্যান্স প্রবাহে গতি, রিজার্ভ ছাড়াল ৩৪ বিলিয়ন ডলার

রেমিট্যান্স প্রবাহে গতি, রিজার্ভ ছাড়াল ৩৪ বিলিয়ন ডলার

নিউজ ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ১০:৫৭

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৯ মে পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এ সময়ে দেশে এসেছে ৩০ দশমিক ৩৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ২৫ দশমিক ৪০১ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ।

চলতি বছরের ১ থেকে ৯ মে পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১ দশমিক ০২৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ৮৬৪ মিলিয়ন ডলার। এতে মাসভিত্তিক প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক ১ শতাংশ।

এ ছাড়া শুধু ৭ থেকে ৯ মে—এই তিন দিনে দেশে এসেছে ২৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে প্রণোদনা, ব্যাংকিং সেবার সহজীকরণ এবং প্রবাসীদের আস্থা বাড়ায় রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা বজায় রয়েছে।

জাতীয়

জাতির আকাঙ্ক্ষা-প্রত্যাশা পূরণে এবারের বাজেট করা হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কল্যাণের কথা বিবেচনায় নিয়েই এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমানের উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে বাজেটের সব বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এবারের বাজেটের প্রেক্ষাপটও কিছুটা ভিন্ন। দীর্ঘদিন পর একটি নির্বাচিত সরকারের অধীনে জাতীয় বাজেট উপস্থাপিত হতে যাচ্ছে। ফলে জাতির প্রত্যাশা […]

জাতির আকাঙ্ক্ষা-প্রত্যাশা পূরণে এবারের বাজেট করা হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

জাতির আকাঙ্ক্ষা-প্রত্যাশা পূরণে এবারের বাজেট করা হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক

১১ জুন ২০২৬, ১০:০২

বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কল্যাণের কথা বিবেচনায় নিয়েই এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমানের উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে বাজেটের সব বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এবারের বাজেটের প্রেক্ষাপটও কিছুটা ভিন্ন। দীর্ঘদিন পর একটি নির্বাচিত সরকারের অধীনে জাতীয় বাজেট উপস্থাপিত হতে যাচ্ছে। ফলে জাতির প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষাও অনেক বেশি। সেই প্রত্যাশা, চিন্তা-ভাবনা ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্যকে সামনে রেখেই বাজেট প্রণয়নের চেষ্টা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দেশের অর্থনীতির আগামী এক বছরের রূপরেখা তুলে ধরতে বাজেট অধিবেশনে যোগ দিতে যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, যতটুকু সামর্থ্য রয়েছে, তার মধ্যেই বাজেট করতে হয়েছে। একটি বিধ্বস্ত ও ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে দেশকে স্থিতিশীলতার পথে নিয়ে গিয়ে আগামী দিনে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে। সেই লক্ষ্য অর্জনের একটি প্রচেষ্টা এই বাজেটে প্রতিফলিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এ বাজেটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দেশের সব নাগরিককে এর অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে। জাতীয় ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমে সবাই যাতে অংশ নিতে পারে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুফল যেন সমাজের সব স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছায়, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের লক্ষ্য নিয়েই এই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। সীমিত সম্পদের মধ্যেও সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এই বাজেট বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে।