শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

হাসিনার পতনে জড়িত ছিল পলক-সাদ্দাম-আনিসুলরা: ভারতীয় মিডিয়া

শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘিরে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম আজতক বাংলা। তাদের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত আগস্ট মাসে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের ঠিক এক সপ্তাহ আগে বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করেছিল, যা সরকারের বিরুদ্ধে চলা ষড়যন্ত্রের নানা দিক উন্মোচন করে। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পেছনে […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ জানুয়ারী ২০২৫, ০১:৪৭

শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘিরে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম আজতক বাংলা। তাদের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত আগস্ট মাসে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের ঠিক এক সপ্তাহ আগে বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করেছিল, যা সরকারের বিরুদ্ধে চলা ষড়যন্ত্রের নানা দিক উন্মোচন করে।

রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পেছনে দেশের অভ্যন্তরে এবং আন্তর্জাতিক মহলে একাধিক শক্তি সক্রিয় ছিল। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, এই ষড়যন্ত্রে বিএনপি, জামায়াত, কিছু প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ও সাংবাদিকদের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের মধ্যেও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা ও মন্ত্রী সম্পৃক্ত ছিলেন।

বিশেষ করে সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের নাম এই ষড়যন্ত্রের তালিকায় উঠে এসেছে।

গণমাধ্যমের এই প্রতিবেদন নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরনের অভিযোগ বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং সরকারের পতনের কারণ খতিয়ে দেখার প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলবে।

গোয়েন্দা রিপোর্টে বিশেষ করে আন্দোলন চলাকালে তাদের সন্দেহজনক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, যে কারণে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।

এই রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাও এই চক্রান্তের বিষয়ে অবগত ছিল এবং তাদের কাছ থেকেও কিছু তথ্য বাংলাদেশ সরকারের কাছে পৌঁছেছিল।

বিশেষ করে গত জানুয়ারির নির্বাচনের পর থেকে শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে এই চক্রান্ত চলছিল এবং তা আগস্ট মাসে এক বিস্ফোরক পরিণতি নিয়ে সামনে আসে।

এখনো পর্যন্ত শেখ হাসিনা সরকারের পতন এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট চক্রান্তের বিষয়টি পুরোপুরি পরিষ্কার হয়নি, তবে যে সমস্ত তথ্য এবং যোগাযোগ বেরিয়ে এসেছে, তা আরও বেশ কিছু প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে। সেই জল্পনায় আজতক বাংলা’র রিপোর্টে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গনে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১৯

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১৯

রাজনীতি

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য […]

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৭:০৮

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশের গণহত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়ে রেখেছে জানিয়ে সারজিস বলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাকে ফিরিয়ে দিয়ে বিচারিক প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একইভাবে হাদি হত্যাকাণ্ডের আসামিদেরও ফিরিয়ে দিতে হবে।

ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং প্রধানের আকস্মিক সফর এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের পর ভারতের পক্ষ থেকে দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে এনসিপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এখনই ভারতে যেতে হবে পরে গেলে ক্ষতি হবে-এ ধরনের বক্তব্য কোনো স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রতি মর্যাদাপূর্ণ আচরণের প্রকাশ নয়।

এটা ভারতের ‘আধিপত্যবাদের স্টেটমেন্ট’ বলে মনে হয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্প্রতি যে দুটি শক্ত অবস্থানসম্পন্ন বিবৃতি দিয়েছে, তা সাধুবাদ জানাই। তবে, এসব অবস্থান শুধু বক্তব্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব কর্মকাণ্ডেও প্রতিফলিত হওয়া উচিত।

এসময় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব এসএম সুজা উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা রিফাত রশিদ, আবু বাকের মজুমদারসহ এনসিপির কক্সবাজারের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১৯

রাজনীতি

লং মার্চে বাধা দিলে শক্তভাবে প্রতিহত করার হুঁশিয়ারি ১১ দলের

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-গ্যাস-সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধসহ ছয় দফা দাবিতে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম লংমার্চের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় ঐক্য। লংমার্চে কোনো ধরনের বাধা দেওয়া হলে তা অতিক্রম করে চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে পৌঁছানোর ঘোষণা দিয়েছেন জোটের নেতারা। একই সঙ্গে […]

লং মার্চে বাধা দিলে শক্তভাবে প্রতিহত করার হুঁশিয়ারি ১১ দলের

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৭

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-গ্যাস-সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধসহ ছয় দফা দাবিতে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম লংমার্চের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় ঐক্য।

লংমার্চে কোনো ধরনের বাধা দেওয়া হলে তা অতিক্রম করে চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে পৌঁছানোর ঘোষণা দিয়েছেন জোটের নেতারা। একই সঙ্গে কৃত্রিম যানজট সৃষ্টি, বালুর ট্রাক বা খালি ট্রাক দিয়ে লংমার্চের বহর আটকে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে তা প্রতিহত করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তারা।

সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেল ৫টায় রাজধানীর আল ফালাহ মিলনায়তনে লংমার্চ উপলক্ষে আয়োজিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা।

সভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, জাগপার সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল মাজেদ আতহারী, এলডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল হোসেন মিয়াজী এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আতাউল্লাহ আমীনসহ ১১ দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ছয় দফা দাবি আদায়ে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম লংমার্চ করবে ১১ দলীয় ঐক্য। কর্মসূচি সফল করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও ইতোমধ্যে নেওয়া হয়েছে।

সরকার গত ছয় মাসে গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানো এবং জনদুর্ভোগ নিরসনসহ বিদ্যুৎ, সার ও গ্যাস সংকট সমাধানে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। সংসদে ও সংসদের বাইরে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের সঙ্গে কটু ভাষায় কথা বলা এবং সরকারদলীয় নেতাকর্মীদের মাধ্যমে বিরোধীদলীয় এমপিদের ওপর হামলার অভিযোগও তোলেন তিনি।

গোলাম পরওয়ার বলেন, গণতন্ত্র সমুন্নত রাখতে বিরোধী দলের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি লংমার্চে সরকার কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি করবে না বলে তারা আশা করছেন। কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকার, সরকারদলীয় শীর্ষ নেতা ও সরকারি কর্মকর্তাদের সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।

সরকারকে সতর্ক করে তিনি বলেন, লংমার্চে বাধা দেওয়া, সন্ত্রাসীদের দিয়ে হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা নাশকতার চেষ্টা করা হলে তা জুলাই অভ্যুত্থানের পর আকাঙ্ক্ষিত নতুন বাংলাদেশের চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে। কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হলে সরকারের প্রতি জনগণের অনাস্থা আরও বাড়বে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

১১ দলের নেতারা বলেন, ৫ সেপ্টেম্বরের লংমার্চে কোনো ধরনের বাধা দেওয়া হলে সব বাধা অতিক্রম করে তারা চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে পৌঁছাবেন। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে তারা জনগণের কাছে যাচ্ছেন। তাদের দাবি, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন দেশের জনগণের দাবি; এ কারণেই লংমার্চের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

লংমার্চের কর্মসূচি ঘোষণার পর থেকেই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট দেখা যাচ্ছে দাবি করে নেতারা বলেন, এটি কৃত্রিম যানজট। লংমার্চের দিন ইচ্ছাকৃতভাবে যানজট সৃষ্টি কিংবা বালুর ট্রাক বা খালি ট্রাক দিয়ে বহর আটকে দেওয়ার চেষ্টা হলে তা প্রতিহত করা হবে।

এ সময় পুলিশ প্রশাসন, সরকারি কর্মকর্তা, ট্রাফিক বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে লংমার্চ কর্মসূচি সফল করতে সহযোগিতার আহ্বান জানান তারা।

লংমার্চের কর্মসূচি
১১ দলের ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে সমাবেশের মাধ্যমে চট্টগ্রামের উদ্দেশে লংমার্চ শুরু হবে। পথে নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহিপাল ও চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া অনির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন স্থানে জনসমাগমে ১১ দলের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেবেন। স্থানীয় পথসভাগুলোর আয়োজন ও ব্যবস্থাপনা করবেন সংশ্লিষ্ট এলাকার ১১ দলের স্থানীয় নেতারা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৯০