রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

তিস্তার বুকে শস্যক্ষেত্র নদী থেকে কৃষকের আবাদি জমিতে রূপান্তর

তিস্তা নদী যেন এখন আর শুধুমাত্র নদী নয়, বরং কৃষকের আবাদি জমিতে পরিণত হয়েছে। নানা ফসলে ভরে গেছে তিস্তার বুক। তিস্তার বুকে যেদিকে চোখ যায় সেদিকেই দেখা যায় ফসলের ক্ষেত। বালুমাটির ওপর পলি জমায় এ বছরভুট্টা, বাদাম, গম, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, সরিষা, তামাক, ধান, মরিচ, শাকসবজি, অন্যান্য ফসলের চাষ হয়েছে। সরকারের বিশেষ প্রণোদনা এবং কৃষি […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ জানুয়ারী ২০২৫, ২০:৩৯

তিস্তা নদী যেন এখন আর শুধুমাত্র নদী নয়, বরং কৃষকের আবাদি জমিতে পরিণত হয়েছে। নানা ফসলে ভরে গেছে তিস্তার বুক। তিস্তার বুকে যেদিকে চোখ যায় সেদিকেই দেখা যায় ফসলের ক্ষেত। বালুমাটির ওপর পলি জমায় এ বছরভুট্টা, বাদাম, গম, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, সরিষা, তামাক, ধান, মরিচ, শাকসবজি, অন্যান্য ফসলের চাষ হয়েছে।

সরকারের বিশেষ প্রণোদনা এবং কৃষি বিভাগের তদারকির ফলে চরের কৃষকদের চাষাবাদে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। লালমনিরহাট, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, রংপুর ও গাইবান্ধা জেলায় ১১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ তিস্তার বুকে অন্তত ১৫০ চরে চাষাবাদ হয়েছে।

গত অক্টোবরে ভারতের সিকিমে তিস্তার বাঁধ ভেঙে প্রচুর পরিমাণে বালু জমার কারণে এ বছর তিস্তার বুকে সব ধরনের ফসল চাষ হয়েছে। কৃষি বিভাগের মতে, দেশে ১১৫ কিলোমিটার তিস্তার বুকে প্রায় ৯০ হাজার হেক্টর জমি আছে। গত বছর শুকনো মৌসুমে ২০-২২ হাজার হেক্টর জমিতে ফসলের চাষ হতো, কিন্তু এ বছর আবাদ হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার হেক্টর জমিতে। তিস্তাপাড়ের কৃষকরা পলিমাটির কারণে জমি উর্বর হয়ে ওঠায় আশানুরূপ ফসল পেতে সক্ষম হয়েছেন। এই উন্নয়নের ফলে তিস্তার চর অঞ্চলে কৃষি কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ভুট্টা চাষ হয়েছে ২০ হাজার হেক্টর জমিতে ও ধান হয়েছে পাঁচ হাজার হেক্টর জমিতে। এছাড়াও, আলু, গম, রসুন, পেঁয়াজ, মরিচ, কুমড়াসহ শীতকালীন নানা জাতের সবজি চাষ হয়েছে প্রায় ২৫ হাজার হেক্টর জমিতে।

তিস্তাপাড়ের কৃষকরা জানান, উজানে ভারতের উত্তর সিকিমে তিস্তার চুংথাং বাঁধ ভেঙে যাওয়ার ফলে বন্যার পানির সঙ্গে বিপুল পরিমাণে পলিমাটি আসায় তিস্তার বুকে জমি উর্বর হয়ে উঠেছে। এ বছর আগাম বন্যা পরিস্থিতি দেখা না দিলে তিস্তার চর থেকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষণ মাথার চেয়ে বেশি ফসল উৎপাদন হবে বলে কৃষকরা আশা প্রকাশ করেছেন।

তিস্তার কৃষক গুলজার খান বলেন, “আমাদের দুঃখ-কষ্ট বলতে আমাদের স্থায়ী বাড়ি হয় না। তাছাড়া আমরা সব চাষাবাদ করতে পারি। বছরে তিন খন আবাদ হয়, আর পানি বেশি থাকলে মাছ ধোরি এবং ফসল ফলাদির আবাদ শেষে অবসর সময়ে মাছ মেরে জীবন যাপন করি। ফসলের দাম বাড়তি হাওয়ায় প্রত্যেকটা ফসলে আমরা লাভের মুখ দেখতেছি।”

আর একজন কৃষক মিথুন কুমার বললেন, “তিস্তার চরের লোকজন ভুট্টা, বাদাম, গম, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, সরিষা, তামাক, ধান, মরিচ, শাকসবজি, গবাদি পশু পালন আরো কত কিছু চাষ করা যায়। এই নদীই আমাদের আশীর্বাদ আমাদের ভাগ্য।”

হাতিবান্ধা উপজেলা কৃষি অফিসার কার্তিক কুমার জানান, “আমাদের কৃষি বিভাগে তিস্তার চরের কৃষকদের জন্য বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়ে থাকে। কারণ সেখানে বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে তারা যে ফসল উৎপাদন করে তা আমাদের উপজেলার কৃষিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমরা কৃষকদের বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি ব্যাংক থেকে খুবই সীমিত সুদে এবং সহজ উপায়ে কৃষি ঋণের ব্যবস্থা করে থাকি। আর যথারীতি কৃষি পরামর্শ তো দিয়ে থাকি তাদের সঙ্গে মাঠে থেকে।”

কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তিস্তার চর অঞ্চলে কৃষি কার্যক্রমের সাফল্য দেখে ভবিষ্যতে আরও নানাবিধ প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। এই প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে চরের কৃষকদের আরও সহায়তা প্রদান করা হবে এবং তাদের উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে।

তিস্তা নদীর চর অঞ্চলে কৃষকের আবাদি জমিতে পরিণত হওয়া এবং বাম্পার ফলনের সাফল্য এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। সরকারের প্রণোদনা ও কৃষি বিভাগের তদারকির ফলে এই সাফল্য এসেছে। কৃষকদের পরিশ্রম এবং সরকারের সহায়তায় তিস্তার চর অঞ্চলে কৃষি কার্যক্রম আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।