সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

১৪ বছর পর বিএসএমএমইউতে যোগ দিলেন ডা. দোলন

দীর্ঘ ১৪ বছর ৪ দিন পর বিএসএম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পুন:রায় যোগদানপত্র গ্রহন করেন ডা. কাজী মাজহারুল ইসলাম দোলন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভিসি, প্রো-ভিসি,ট্রেজারার, রেজিস্ট্রার ও বিএসএমএমইউ DAB শাখার সভাপতি, সেক্রেটারী। এ প্রসঙ্গে ডা. কাজী মাজহারুল ইসলাম দোলন বলেন, আল্লাহ চাইলে কি না হয়। জীবনে কখনো ভাবিনি আবার বিএসএমএমইউতে অর্থোপেডিক্স বিভাগে যোগদান করবো। জানা যায়, […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ জানুয়ারী ২০২৫, ১২:০৬

দীর্ঘ ১৪ বছর ৪ দিন পর বিএসএম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পুন:রায় যোগদানপত্র গ্রহন করেন ডা. কাজী মাজহারুল ইসলাম দোলন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভিসি, প্রো-ভিসি,ট্রেজারার, রেজিস্ট্রার ও বিএসএমএমইউ DAB শাখার সভাপতি, সেক্রেটারী।

এ প্রসঙ্গে ডা. কাজী মাজহারুল ইসলাম দোলন বলেন, আল্লাহ চাইলে কি না হয়। জীবনে কখনো ভাবিনি আবার বিএসএমএমইউতে অর্থোপেডিক্স বিভাগে যোগদান করবো।

জানা যায়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের রোষানলে পড়ে চাকরি হারান ডা. কাজী মাজহারুল ইসলাম দোলন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে জোরপূর্বক চাকরি হারানো এই চিকিৎসক ১৪ বছর পর গত সপ্তাহে বিএসএমএমইউতে কাজ শুরু করেন। গত ৬ জানুয়ারি বিএসএমএমইউতে যোগদানের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি স্বস্তি প্রকাশ করেন।

গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি চাকরি হারানোর বিষাদময় স্মৃতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুলে ধরেন। তিনি ফেসবুক স্ট্যাটাসে জানান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের চিকিৎসক হওয়ায় তাকে অস্ত্রের মুখে বিএসএমএমইউ থেকে চাকরিচ্যুত করা হয়। অবশেষে ১৪ বছর ৪ দিন পর গত ৬ জানুয়ারি এই চিকিৎসক ফের বিএসএমএমইউতে যোগদানপত্র গ্রহণ করেন।

গত বছর ১২ ডিসেম্বর সকাল ৯টায় বিএসএমএমইউর ৯৪তম সিন্ডিকেট সভা ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলে অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় পদচ্যুতি ও পদাবনতির বিষয়সমূহ নিষ্পত্তিকল্পে কোষাধ্যক্ষ নিম্নরূপ সুপারিশ অনুমোদন করা হয়। সেখানে এক তালিকার প্রথমে ডা. কাজী মাজহারুল ইসলামের নামের পাশে বলা হয়েছে, “ডা. কাজী মাজহারুল ইসলামের বক্তব্য অনুযায়ী তাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে জোরপূর্বক চাকরি থেকে অবসর গ্রহণে বাধ্য করা হয়।”

ডা. দোলন ফেসবুক আইডিতে উল্লেখ করেন, এক-এগারোর সরকারের সময়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের চিকিৎসা করানোর কারণে তিনি বিএসএমএমইউ থেকে চাকরিচ্যুত হন। এরপর ২০১০ এ ক্লিনিক্যাল অর্থোপেডিক্স এ পিএইচডি ডিগ্রি শেষ করেন। পরের বছর এপ্রিলে সাহাবুদ্দিন মেডিকেল কলেজে প্রফেসর এন্ড হেড অব অর্থোপেডিক্স হিসাবে যোগদান করেন। কয়েক মাসের মধ্যে ভাইস প্রিন্সিপাল বা ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ফ্যাসিবাদী সরকার একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে তার জীবন দুর্বিষহ করে তোলে।

সংগ্রামের বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি জানান, ২০১৫-২০১৭ দুই বছর পলাতক জীবন যাপন করতে হয়েছে। কখনো কখনো মানুষের বাসার ছাদেও ঘুমাতে হয়েছে। এই সংগ্রামের কোনো শেষ নেই। অবশেষে গত ৫ আগস্ট ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পলায়নের মাধ্যমে আবার জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু হলো।

ডা. কাজী মাজহারুল ইসলাম দোলন ২০০৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (পিজি হাসপাতাল) সহযোগী অধ্যাপক থাকা অবস্থায় লগি বৈঠার আন্দোলন প্রতিরোধে সম্মুখ সারিতে তারা পাঁচজন নেতৃত্ব দেন। ১-১১ এর সময়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব তারেক রহমান অসুস্থ হয়ে বিএসএমএমইউতে ভর্তি হন।

তারেক রহমানের চিকিৎসার যাদের ওপর অর্পিত হয় তাদের মধ্যে ডা. দোলন অন্যতম। তারেক রহমানকে আদালতে নিয়ে যাওয়া এবং ভয় ভীতি উপেক্ষা করে তার স্বাস্থ্যগত অবস্থা গণমাধ্যমে বলার মত ডা. দোলন ছাড়া কেউ ছিল না। শেষ পর্যন্ত যুদ্ধ করে তারেক রহমানের চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার সময়ও সঙ্গে ছিলেন এই চিকিৎসক। দেশে ফিরে আওয়ামী লীগ সরকারের রোষানলে পড়েন। অস্ত্রের মুখে পিজি হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসেন। তিন মাস ঘরে বসে ছিলেন।

 

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।